জার্মানির ক্রিসমাস মার্কেটে হামলার দায় নিয়েছে আইএস

  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৩ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৭৬৭ বার পড়া হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

জার্মানির বার্লিনে ক্রিসমাস মার্কেটে লরি-হামলার দায় স্বীকার করেছে তথাকথিত জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

সোমবার মার্কেটের ব্যস্ততম সময়ে লোকজনের ওপর লরি চালিয়ে দেওয়ায় ১২ জন নিহত ও ৪৯ জন আহত হন। একে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে স্বীকার করে হামলাকারীকে ধরতে তৎপরতা চালাচ্ছে জার্মান পুলিশ।

হামলাকারীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। তা ছাড়া আইএসের দায় স্বীকারের বিষয়টি নিরপেক্ষাভাবে যাচাই করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

সন্দেজভাজন এক পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করা হয়। জার্মান আইনজীবীরা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দিয়েছেন। কারণ, তার বিষয়ে হামলার জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ মেলেনি। আটকের পর তার পরিচয়ে শুধু বলা হয়, একজন পাকিস্তানি নাগরিক, নাম নাভিদ বি।

কর্মকর্তাদের ধারণা, হামলাকারী অথবা হামলাকারীরা পালিয়ে আছে। তবে তাদের বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পায়নি পুলিশ।

জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস তাদের সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছে, তাদের এক ‘সৈনিক’ এ হামলা চালিয়েছে। আইএসবিরোধী সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ায় জোটভুক্ত দেশগুলোর ওপর যে হামলা চালানো হচ্ছে, তারই অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে। আইএসের দাবির প্রতিক্রিয়ায় সতর্কতার সঙ্গে জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এ বিষয়ে কয়েক পর্যায়ে তদন্ত চলছে।

আটক এক সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সন্দেহভাজনই যে হামলাকারী, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফেডারেল প্রসিকিউটর পিটার ফ্রাঙ্ক জানিয়েছেন, হামলার ধরন ও লক্ষ্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, এটি উগ্রবাদী ইসলামপন্থিদের কাজ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জার্মানির ক্রিসমাস মার্কেটে হামলার দায় নিয়েছে আইএস

আপডেট সময় : ০১:০৫:৪৩ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২১ ডিসেম্বর ২০১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

জার্মানির বার্লিনে ক্রিসমাস মার্কেটে লরি-হামলার দায় স্বীকার করেছে তথাকথিত জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

সোমবার মার্কেটের ব্যস্ততম সময়ে লোকজনের ওপর লরি চালিয়ে দেওয়ায় ১২ জন নিহত ও ৪৯ জন আহত হন। একে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ বলে স্বীকার করে হামলাকারীকে ধরতে তৎপরতা চালাচ্ছে জার্মান পুলিশ।

হামলাকারীর পরিচয় এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। তা ছাড়া আইএসের দায় স্বীকারের বিষয়টি নিরপেক্ষাভাবে যাচাই করতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

সন্দেজভাজন এক পাকিস্তানি নাগরিককে আটক করা হয়। জার্মান আইনজীবীরা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে ছেড়ে দিয়েছেন। কারণ, তার বিষয়ে হামলার জড়িত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ মেলেনি। আটকের পর তার পরিচয়ে শুধু বলা হয়, একজন পাকিস্তানি নাগরিক, নাম নাভিদ বি।

কর্মকর্তাদের ধারণা, হামলাকারী অথবা হামলাকারীরা পালিয়ে আছে। তবে তাদের বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য পায়নি পুলিশ।

জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস তাদের সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছে, তাদের এক ‘সৈনিক’ এ হামলা চালিয়েছে। আইএসবিরোধী সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ায় জোটভুক্ত দেশগুলোর ওপর যে হামলা চালানো হচ্ছে, তারই অংশ হিসেবে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে। আইএসের দাবির প্রতিক্রিয়ায় সতর্কতার সঙ্গে জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, এ বিষয়ে কয়েক পর্যায়ে তদন্ত চলছে।

আটক এক সন্দেহভাজনকে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবার রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই সন্দেহভাজনই যে হামলাকারী, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফেডারেল প্রসিকিউটর পিটার ফ্রাঙ্ক জানিয়েছেন, হামলার ধরন ও লক্ষ্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, এটি উগ্রবাদী ইসলামপন্থিদের কাজ।