টাঙ্গাইলের কৃতি সন্তান মডেল ও অভিনেতা এইচ এম হিরো মনির। মিডিয়াতে হয়ে গেছে প্রায় এক বছর। এই অল্প সময়ে নিজের পরিচিতি পেয়ে গেছেন। এখন মিডিয়ায় এক পরিচিত মুখ তিনি।
নিজের ভালো লাগা, ভবিষ্যত পরিকল্পনাসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন হিরো মনির।সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী।
২০২৫ সালের জুন মাসে তিনি নিজের লেখা গল্প এবং নিজেই অভিনেতা হিসেবে সৎ মা নাটকের মাধ্যমে মিডিয়াতে পদচরণ শুরু করেন।
আপনার উল্লেখযোগ্য কাজগুলো কি?
ত্রিভুজ প্রেমের গল্প, গরিব ছেলে, অনেক আশা ছিল ও নানা বাড়ি। এই নাটকগুলি অত্যন্ত মার্জিত, এবং সুন্দর। আমি অভিনয় দিয়ে চেষ্টা করেছি দর্শকের মাঝে জায়গা করে নিতে।
চলচ্চিত্র: বর্তমান চলচ্চিত্রের আরেক নক্ষত্র টাঙ্গাইলের গৌরব চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব ভাইয়ের মাধ্যমে বউ এবং কিশোরী এই দুইটি সিনেমায় অভিনয় করেছি।
পরিবারের সহযোগিতা কেমন পাচ্ছেন?
হিরো মনির : আলহামদুলিল্লাহ আমার পরিবারের সবাই সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে শুরু থেকেই সহযোগিতা করে আসছে। আমার কাজগুলো সবাই দেখে। আমার কাজ দেখে প্রশংসা করে তারা।। তবে আমার মায়ের অনুরোধ সবসময় সামাজিক কাজের। এবং আমি সেটা মেনে চলার চেষ্টা করি। আমার বাবা একজন ব্যবসায়ী। পরিবারে আমরা ২ বোন ও ২ ভাই।
ভবিষ্যতে নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
হিরো মনির-: প্রথমে তো একজন ভাল মানুষ হতে চাই। এরপর একজন ভাল অভিনেতা হওয়ার ইচ্ছা তো আছেই। অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করতে চাই।
আপনার দর্শকদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন?
হিরো মনির : সহজে যদি কেউ কিছু পায় সেটির মূল্য থাকে না। এ জন্য নিজের যোগ্যতা ও পরিশ্রমের মধ্য দিয়ে অর্জন করতে হবে। সেটির স্বীকৃতিও অন্যরকম। নতুনদের অনেকেই অল্প সময়ে তারকা হতে চায়। এ চিন্তা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। আমার কঠোর পরিশ্রম দর্শকের ভালবাসা এনে দেবে বলে বিশ্বাস করি।
সকলের মন জেতার জন্য আমাকে কাজ করে যেতে হবে। খুব কম ক্ষেত্রেই একজন মানুষ সকলের মন জয় করতে পারেনা। তবে আমি সে রকমই কিছু করে দেখানোর আকাঙ্ক্ষা রাখি। সেই জায়গায় পৌঁছনোর জন্য আমি কঠোর পরিশ্রম করছি। আশা করি আমি সফল হব।
”সর্বশেষ বলবো, আমি সব ধরণের অভিনয়ই করে যেতে চাই। অভিনয় ছাড়া অন্যকিছু চিন্তা করতে পারিনা। হুট করে নয়, ধীরে ধীরে সবার মনে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিতে চাই। আমার নামের পেছনে একটা জয় আছে। তাই ছোট থেকেই বিশ্বাস, একদিন আমি সবার মন জয় করে নিতে পারব।