স্মার্টফোন হ্যাক করতে পারবে ব্রিটেন পুলিশ!

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৫০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১ জানুয়ারি ২০১৭
  • ৭৬০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ব্রিটেনের পুলিশ এখন বৈধভাবেই যেকোনো স্মার্টফোন হ্যাক করতে এবং ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করার সমস্ত ইতিহাস খতিয়ে দেখতে পারবে। স্নুপার্স চার্টার বা আঁড়িপাতার সনদ নামে একটি আইন শুক্রবার বলবৎ হওয়ার পর দেশটির পুলিশ এ ক্ষমতা পেয়েছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে এ আইনের নাম রাখা হয়েছে ইনভেসটেগেটরি পাওয়ার্স বিল। এ আইনে অ্যাপ কোম্পানি এবং ইন্টারনেট সেবাদানকারী সংস্থগুলো প্রতিটি ব্যবহারকারীর চ্যাটসহ ইন্টারনেটের যাবতীয় কাজকর্মের সব তথ্য এক বছর সংরক্ষণ করতে বাধ্য থাকবে। পরে এসব তথ্য ব্রিটেনের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রয়োজন মোতাবেক সংগ্রহ করতে পারবে। ব্রিটিশ সরকার দাবি করেছে, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের জন্য এ আইনের প্রয়োজন রয়েছে।

অবশ্য ইন্টারনেট সেবাদানকারী সংস্থাগুলো ভিপিএন বা ভারচুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবে না। কারণ ভিপিএন’র কঠোর সংকেত ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য-আদান প্রদান হয়। এসব সংকেত সাধারণভাবে ভাঙতে পারে না ইন্টারনেট সেবাদানকারী সংস্থাগুলো।

তবে যাই হোক না কেন, ব্রিটেনের নতুন আইনকে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপর মারাত্মক আঘাত হিসেবে গণ্য করছে দেশটির মানব ও নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত সংস্থাগুলো।

ট্যাগস :

স্মার্টফোন হ্যাক করতে পারবে ব্রিটেন পুলিশ!

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৫০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১ জানুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ব্রিটেনের পুলিশ এখন বৈধভাবেই যেকোনো স্মার্টফোন হ্যাক করতে এবং ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করার সমস্ত ইতিহাস খতিয়ে দেখতে পারবে। স্নুপার্স চার্টার বা আঁড়িপাতার সনদ নামে একটি আইন শুক্রবার বলবৎ হওয়ার পর দেশটির পুলিশ এ ক্ষমতা পেয়েছে।

আনুষ্ঠানিকভাবে এ আইনের নাম রাখা হয়েছে ইনভেসটেগেটরি পাওয়ার্স বিল। এ আইনে অ্যাপ কোম্পানি এবং ইন্টারনেট সেবাদানকারী সংস্থগুলো প্রতিটি ব্যবহারকারীর চ্যাটসহ ইন্টারনেটের যাবতীয় কাজকর্মের সব তথ্য এক বছর সংরক্ষণ করতে বাধ্য থাকবে। পরে এসব তথ্য ব্রিটেনের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রয়োজন মোতাবেক সংগ্রহ করতে পারবে। ব্রিটিশ সরকার দাবি করেছে, সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের জন্য এ আইনের প্রয়োজন রয়েছে।

অবশ্য ইন্টারনেট সেবাদানকারী সংস্থাগুলো ভিপিএন বা ভারচুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীদের তথ্য সংরক্ষণ করতে পারবে না। কারণ ভিপিএন’র কঠোর সংকেত ব্যবস্থার মাধ্যমে তথ্য-আদান প্রদান হয়। এসব সংকেত সাধারণভাবে ভাঙতে পারে না ইন্টারনেট সেবাদানকারী সংস্থাগুলো।

তবে যাই হোক না কেন, ব্রিটেনের নতুন আইনকে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার ওপর মারাত্মক আঘাত হিসেবে গণ্য করছে দেশটির মানব ও নাগরিক অধিকার সংক্রান্ত সংস্থাগুলো।