বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ Logo খুবিতে ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo প্রতীক পেলেন চাঁদপুরের পাঁচ আসনের ৩৫ প্রার্থী, জমে উঠছে নির্বাচনী মাঠ

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:৪৯:০৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৭৭২ বার পড়া হয়েছে

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বাসভবনে প্রবেশ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের জন্য অভিযান চালিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দেশটির রাজধানী সিউলে ইউনের বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভকারীদের জটলা এড়িয়ে তারা ভেতরে প্রবেশ করলেও প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে। খবর রয়টার্সের

এর আগে, প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস (পিএসএস) ইউনের কার্যালয় ও বাসভবনে অনুসন্ধান চালানোর জন্য তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রবেশে বাধা দিয়েছিল। এবারও ইউনকে গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়া হবে কিনা, তা পরিষ্কার ছিল না।

ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে ৩ ডিসেম্বর দেশটিতে সামরিক আইন জারির চেষ্টার অভিযোগে বিদ্রোহের মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার মতো এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি ও গতিশীল গণতন্ত্রে এই ঘটনা দেশের জনগণকে হতবাক করেছে। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের গ্রেপ্তার এটাই হবে দেশটির ইতিহাসে প্রথম।

শুক্রবার সকালে দুর্নীতির উচ্চপর্যায়ের তদন্ত সংস্থার (সিআইও) কর্মকর্তারা পুলিশ ও প্রসিকিউটরদের নিয়ে ইউনের বাসভবনে উপস্থিত হন। তবে প্রবেশপথে একটি বাস বাধা সৃষ্টি করলে তারা পায়ে হেঁটে ভেতরে প্রবেশ করেন। বাসভবনের অভ্যন্তরে প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস ও সামরিক বাহিনীর সদস্যদের তৈরি করা ব্যারিকেডের মুখোমুখি হন তারা।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামরিক সদস্যরা পিএসএসের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছিল। বাসভবন তল্লাশির অনুমতি নেই বলেও পিএসএস প্রধান উল্লেখ করেন। ইউনের আইনজীবী অভিযোগ করেছেন যে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাটি অবৈধ এবং তা কার্যকর করা আইনবিরোধী।

এদিকে ইউনের বাসভবনের বাইরে ভোর থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন তার সমর্থকরা। বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং তারা ‘প্রেসিডেন্ট ইউনকে জনগণ রক্ষা করবে’ স্লোগান দিতে থাকেন।

এদিকে, ইউন সুক-ইওলের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মেয়াদ ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। গ্রেপ্তার করা হলে ইউনকে ৪৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হবে এবং এই সময়ের মধ্যে তদন্তকারী দলকে তাকে আটক রাখার জন্য আদালতে আবেদন করতে হবে অথবা মুক্তি দিতে হবে। গ্রেপ্তার হলে ইউনকে সিউল ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা

আপডেট সময় : ১১:৪৯:০৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি ২০২৫

দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বাসভবনে প্রবেশ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের জন্য অভিযান চালিয়েছে কর্তৃপক্ষ। আজ শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দেশটির রাজধানী সিউলে ইউনের বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভকারীদের জটলা এড়িয়ে তারা ভেতরে প্রবেশ করলেও প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা বাহিনীর বাধার মুখে পড়ে। খবর রয়টার্সের

এর আগে, প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস (পিএসএস) ইউনের কার্যালয় ও বাসভবনে অনুসন্ধান চালানোর জন্য তদন্ত কর্মকর্তাদের প্রবেশে বাধা দিয়েছিল। এবারও ইউনকে গ্রেপ্তারে বাধা দেওয়া হবে কিনা, তা পরিষ্কার ছিল না।

ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে ৩ ডিসেম্বর দেশটিতে সামরিক আইন জারির চেষ্টার অভিযোগে বিদ্রোহের মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়ার মতো এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি ও গতিশীল গণতন্ত্রে এই ঘটনা দেশের জনগণকে হতবাক করেছে। ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টের গ্রেপ্তার এটাই হবে দেশটির ইতিহাসে প্রথম।

শুক্রবার সকালে দুর্নীতির উচ্চপর্যায়ের তদন্ত সংস্থার (সিআইও) কর্মকর্তারা পুলিশ ও প্রসিকিউটরদের নিয়ে ইউনের বাসভবনে উপস্থিত হন। তবে প্রবেশপথে একটি বাস বাধা সৃষ্টি করলে তারা পায়ে হেঁটে ভেতরে প্রবেশ করেন। বাসভবনের অভ্যন্তরে প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি সার্ভিস ও সামরিক বাহিনীর সদস্যদের তৈরি করা ব্যারিকেডের মুখোমুখি হন তারা।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সামরিক সদস্যরা পিএসএসের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছিল। বাসভবন তল্লাশির অনুমতি নেই বলেও পিএসএস প্রধান উল্লেখ করেন। ইউনের আইনজীবী অভিযোগ করেছেন যে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাটি অবৈধ এবং তা কার্যকর করা আইনবিরোধী।

এদিকে ইউনের বাসভবনের বাইরে ভোর থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন তার সমর্থকরা। বিক্ষোভকারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং তারা ‘প্রেসিডেন্ট ইউনকে জনগণ রক্ষা করবে’ স্লোগান দিতে থাকেন।

এদিকে, ইউন সুক-ইওলের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার মেয়াদ ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। গ্রেপ্তার করা হলে ইউনকে ৪৮ ঘণ্টা আটকে রাখা হবে এবং এই সময়ের মধ্যে তদন্তকারী দলকে তাকে আটক রাখার জন্য আদালতে আবেদন করতে হবে অথবা মুক্তি দিতে হবে। গ্রেপ্তার হলে ইউনকে সিউল ডিটেনশন সেন্টারে রাখা হতে পারে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ।