বুধবার | ২১ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ Logo খুবিতে ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo প্রতীক পেলেন চাঁদপুরের পাঁচ আসনের ৩৫ প্রার্থী, জমে উঠছে নির্বাচনী মাঠ Logo সংসদ নির্বাচন: ৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১,৯৬৭ প্রার্থী

সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

সোহারাফ হোসেন সৌরভ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে চূড়ান্ত ২০ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার ২১জানুয়ারী২০২৬ বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার তার সরকারি সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
প্রতীক বরাদ্দের আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা সকল প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এ সময় জেলা পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, জেলা বিজিবি কমান্ডার, আনসার কমান্ড্যান্টসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
সাতক্ষীরার চারটি আসনে বিএনপির ৪ জন প্রার্থী ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর ৪ জন প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির ৪ জন প্রার্থী লাঙ্গল এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ জন প্রার্থী হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ডাব, বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী মোটরগাড়ি (কার), একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রার্থী রকেট প্রতীক পেয়েছেন।
সাতক্ষীরা-১ আসনএ আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ),জামায়াতের মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা),ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (হাতপাখা),জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) এবংবাংলাদেশ কংগ্রেসের এডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।
সাতক্ষীরা-২ আসন এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন—বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল),
বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মোটরগাড়ি) এবং ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)। সাতক্ষীরা-৩ আসন এ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রুবেল হোসেন (রকেট)। সাতক্ষীরা-৪ আসন এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন—
বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আব্দুর রশীদ (লাঙ্গল) এবং ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা)।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা জেলার চারটি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মোট ৩৫টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ১৯টি বৈধ ও ১০টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে আপিলে ৪ জন প্রার্থী বৈধতা পান। মঙ্গলবার ৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় শেষ পর্যন্ত চারটি আসনে মোট ২০ জন প্রার্থী চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন

সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ

আপডেট সময় : ০৬:১৩:৫২ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২১ জানুয়ারি ২০২৬
সোহারাফ হোসেন সৌরভ
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে চূড়ান্ত ২০ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার ২১জানুয়ারী২০২৬ বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার তার সরকারি সম্মেলন কক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীক বরাদ্দ দেন।
প্রতীক বরাদ্দের আগে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা সকল প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে।
এ সময় জেলা পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, জেলা বিজিবি কমান্ডার, আনসার কমান্ড্যান্টসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য রাখেন।
সাতক্ষীরার চারটি আসনে বিএনপির ৪ জন প্রার্থী ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর ৪ জন প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির ৪ জন প্রার্থী লাঙ্গল এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৪ জন প্রার্থী হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ডাব, বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী মোটরগাড়ি (কার), একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রার্থী রকেট প্রতীক পেয়েছেন।
সাতক্ষীরা-১ আসনএ আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন—বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ),জামায়াতের মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাঁড়িপাল্লা),ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল ইসলাম (হাতপাখা),জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) এবংবাংলাদেশ কংগ্রেসের এডভোকেট ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।
সাতক্ষীরা-২ আসন এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন—বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল),
বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মোটরগাড়ি) এবং ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)। সাতক্ষীরা-৩ আসন এ আসনে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রুবেল হোসেন (রকেট)। সাতক্ষীরা-৪ আসন এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন—
বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আব্দুর রশীদ (লাঙ্গল) এবং ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা)।
উল্লেখ্য, সাতক্ষীরা জেলার চারটি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে মোট ৩৫টি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ২৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়ে। যাচাই-বাছাই শেষে ১৯টি বৈধ ও ১০টি বাতিল ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে আপিলে ৪ জন প্রার্থী বৈধতা পান। মঙ্গলবার ৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় শেষ পর্যন্ত চারটি আসনে মোট ২০ জন প্রার্থী চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হন।