বুধবার | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo রমজানে ৩০০ অসহায় পরিবারের পাশে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি Logo ভুট্টায় বিষাক্ত রং মিশিয়ে পশুখাদ্য তৈরি, মিল মালিকের লাখ টাকা জরিমানা Logo শতাধিক নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণে চাঁদপুরে বিজয়ীর উদ্যোগে বসন্ত বরন উৎসব Logo প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান, ৪৯ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন Logo আন্দ্রে বেতেই: মানবিক সমাজবোধের অনন্য উত্তরাধিকারী Logo খুবির ক্যারিয়ার ক্লাবের ‘মাইন্ড দ্য হ্যাক’ গ্রান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত Logo পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের গোপন ভিডিও রেকর্ড ধারন করার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায়  জিডি Logo চাঁদপুরে নিম্নমানের খেজুরে তেল মিশিয়ে বিক্রি, প্রতিষ্ঠানকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা Logo বিপুল ভোটে বিজয়ী এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় চাঁদপুরবাসী Logo চাঁদপুরে সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মাঝে বিজয়ীর ‘ইফতার বিতরণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

🇧🇩
📅
তারিখ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়
সকাল ৭:৩০ - বিকেল ৪:৩০
🇧🇩 ঢাকা সময়
শুরু হতে বাকি
00 দিন
00 ঘন্টা
00 মিনিট
00 সেকেন্ড
ঢাকা সময় (GMT+6)

🏛️ দলীয় অবস্থান 📊

বিএনপি ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে ০ %
আসন সংখ্যা ২১২
জামাত ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ৭৭
জাপা Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা 0
আইএবি Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা

🇧🇩 সংসদ নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তথ্য 📋

🏛️
আসন সংখ্যা
২৯৯
*শেরপুর–৩ আসনে ভোট স্থগিত
🗳️
অংশগ্রহণকারী দল
৫০
*ইসিতে নিবন্ধিত
👥
মোট প্রার্থী
২,০২৮
স্বতন্ত্র প্রার্থী
২৭৩
👪
মোট ভোটার
১২,৭৭,১১,৭৯৩
*পোস্টাল ভোটার: ১৫,৩৩,৬৮২
👨
পুরুষ ভোটার
৬,৪৮,২৫,৩৬১
👩
নারী ভোটার
৬,২৮,৮৫,২০০
🏳️‍🌈
হিজড়া ভোটার
১,২৩২
গণভোট
হ্যাঁ
৬৮.১%
প্রাপ্ত ভোট: ৪.৮+ কোটি
ভোট বিতরণ৬৮.১%
না
৩১.৯%
প্রাপ্ত ভোট: ২.৩+ কোটি
ভোট বিতরণ৩১.৯%

নিষেধাজ্ঞায় থমকে গেল সুন্দরবনের কাঁকড়া শিকার, অনিশ্চয়তায় কয়রার জেলেপাড়া

নতুন বছরের প্রথম দিনেই সুন্দরবনে কাঁকড়া শিকারে টান পড়ল। কাঁকড়ার প্রাকৃতিক প্রজনন রক্ষায় ১ জানুয়ারি থেকে দুই মাসের জন্য কাঁকড়া ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন বিভাগ। ফলে গভীর সুন্দরবনে থাকা কয়রার শত শত জেলে নৌকা ও সরঞ্জাম নিয়ে ফিরতে শুরু করেছেন লোকালয়ে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার সকালে কয়রা উপজেলার শাকবাড়িয়া নদীর তীরে গিয়ে দেখা যায়, বনফেরা কাঁকড়াশিকারি নৌকাগুলো সারি করে ভেড়ানো। কেউ নৌকা থেকে ফাঁদ ও দড়ি নামাচ্ছেন, কেউ আবার দীর্ঘ সময় ব্যবহৃত নৌকায় হাত দিচ্ছেন মেরামতের কাজে। নদীর পাড়জুড়ে বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা আর দুশ্চিন্তার ছাপ।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস কাঁকড়ার প্রজননের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময় ডিমওয়ালা কাঁকড়া ধরা হলে শুধু প্রজাতির ক্ষতিই নয়, সুন্দরবনের পুরো খাদ্যচক্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সে কারণে প্রতিবছরের মতো এবারও কাঁকড়া আহরণ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
শাকবাড়িয়ার কাঁকড়াশিকারি জাহিদুর রহমান বলেন, ‘সুন্দরবনে যাওয়া মানেই এখন জীবনের ঝুঁকি। ডাকাতের ভয়, বনের বিপদ—সব সামলিয়ে খুব কম কাঁকড়া ধরতে পেরেছি। এখন আবার নিষেধাজ্ঞা। হাতে কিছু নেই, সংসার চালাতে ঋণ ছাড়া উপায় দেখছি না।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়রা উপজেলায় কাঁকড়া এখন মাছের চেয়েও লাভজনক পণ্য। জোড়শিং, ঘড়িলাল, বানিয়াখালী ও দেউলিয়া বাজারের আড়তগুলোতে প্রতিদিন কয়েক শ মণ কাঁকড়ার কেনাবেচা হয়। তবে নিষেধাজ্ঞার সময়ও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নানা কৌশলে জেলেদের বনে পাঠানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সময়ে কাঁকড়া ডিম পাড়ে এবং সহজেই ধরা পড়ে। কিন্তু যদি এই দুই মাস ধরা বন্ধ রাখা যায়, তাহলে আগামী মৌসুমে কাঁকড়ার উৎপাদন বাড়বে। আমরা টহল জোরদার করেছি। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পশ্চিম সুন্দরবন বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, সুন্দরবনের ভারসাম্য রক্ষায় কাঁকড়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই কয়রাসহ উপকূলীয় এলাকার জেলে ও ব্যবসায়ীদের এই দুই মাস ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

রমজানে ৩০০ অসহায় পরিবারের পাশে দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি

নিষেধাজ্ঞায় থমকে গেল সুন্দরবনের কাঁকড়া শিকার, অনিশ্চয়তায় কয়রার জেলেপাড়া

আপডেট সময় : ০৬:১৯:০৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারি ২০২৬
নতুন বছরের প্রথম দিনেই সুন্দরবনে কাঁকড়া শিকারে টান পড়ল। কাঁকড়ার প্রাকৃতিক প্রজনন রক্ষায় ১ জানুয়ারি থেকে দুই মাসের জন্য কাঁকড়া ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বন বিভাগ। ফলে গভীর সুন্দরবনে থাকা কয়রার শত শত জেলে নৌকা ও সরঞ্জাম নিয়ে ফিরতে শুরু করেছেন লোকালয়ে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার সকালে কয়রা উপজেলার শাকবাড়িয়া নদীর তীরে গিয়ে দেখা যায়, বনফেরা কাঁকড়াশিকারি নৌকাগুলো সারি করে ভেড়ানো। কেউ নৌকা থেকে ফাঁদ ও দড়ি নামাচ্ছেন, কেউ আবার দীর্ঘ সময় ব্যবহৃত নৌকায় হাত দিচ্ছেন মেরামতের কাজে। নদীর পাড়জুড়ে বিরাজ করছে নিস্তব্ধতা আর দুশ্চিন্তার ছাপ।
বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস কাঁকড়ার প্রজননের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময় ডিমওয়ালা কাঁকড়া ধরা হলে শুধু প্রজাতির ক্ষতিই নয়, সুন্দরবনের পুরো খাদ্যচক্রে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। সে কারণে প্রতিবছরের মতো এবারও কাঁকড়া আহরণ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
শাকবাড়িয়ার কাঁকড়াশিকারি জাহিদুর রহমান বলেন, ‘সুন্দরবনে যাওয়া মানেই এখন জীবনের ঝুঁকি। ডাকাতের ভয়, বনের বিপদ—সব সামলিয়ে খুব কম কাঁকড়া ধরতে পেরেছি। এখন আবার নিষেধাজ্ঞা। হাতে কিছু নেই, সংসার চালাতে ঋণ ছাড়া উপায় দেখছি না।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়রা উপজেলায় কাঁকড়া এখন মাছের চেয়েও লাভজনক পণ্য। জোড়শিং, ঘড়িলাল, বানিয়াখালী ও দেউলিয়া বাজারের আড়তগুলোতে প্রতিদিন কয়েক শ মণ কাঁকড়ার কেনাবেচা হয়। তবে নিষেধাজ্ঞার সময়ও কিছু অসাধু ব্যবসায়ী নানা কৌশলে জেলেদের বনে পাঠানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
কাশিয়াবাদ ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা নাসির উদ্দীন বলেন, ‘এই সময়ে কাঁকড়া ডিম পাড়ে এবং সহজেই ধরা পড়ে। কিন্তু যদি এই দুই মাস ধরা বন্ধ রাখা যায়, তাহলে আগামী মৌসুমে কাঁকড়ার উৎপাদন বাড়বে। আমরা টহল জোরদার করেছি। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পশ্চিম সুন্দরবন বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমান বলেন, সুন্দরবনের ভারসাম্য রক্ষায় কাঁকড়ার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই কয়রাসহ উপকূলীয় এলাকার জেলে ও ব্যবসায়ীদের এই দুই মাস ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।