শুক্রবার | ১০ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন Logo কয়রায় ঝড়ে নৌকাডুবি, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত; নিখোঁজ দুই জেলের খোঁজ মেলেনি Logo চাঁদপুরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া সামুদ্রিক কৃমির সন্ধান

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৪১ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪
  • ৮২০ বার পড়া হয়েছে

কালের গর্ভে প্রায় ৭০ বছর আগে বিজ্ঞানীদের নজর থেকে হারিয়ে গিয়েছিলো এক প্রজাতির সামুদ্রিক কৃমি। সেই কৃমিকে আবারও আবিষ্কার করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, স্কুবা ডাইভারদের তোলা কিছু ছবিতে এই কৃমির উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়া থেকে জাপান পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা প্রবালের কলোনিতে সামুদ্রিক ঘোড়ার সঙ্গে সহাবস্থানে ছিলো এই কৃমিরা।

হারিয়ে যাওয়া এই সামুদ্রিক কৃমিটির নাম ‘হাপলোসিলিস অ্যান্থোগোর্জিকোলা’ যা এক ধরনের পলিকীট বা ব্রিসল ওয়ার্ম। এটি শাখাবিশিষ্ট গরগোনিয়ান প্রবালে বাসা বাঁধে এবং প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে প্রায় ১৫টি এরকম কৃমি পাওয়া যায়। এই কৃমির সাধারণ আকার প্রায় ৬ মিলিমিটার বা ০.২৪ ইঞ্চি।

যদিও বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ১৯৫৬ সালের পর থেকে এটি আর দেখা যায়নি। প্রথমবার কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী হুজিও উতিনোমো এই কৃমিটিকে শনাক্ত করেছিলেন।

ওই গবেষণার প্রধান লেখক এবং জাপানের ওকিনাওয়া ইউনিভার্সিটির মলিকুলার ইনভার্টিব্রেট সিস্টেমেটিকস অ্যান্ড ইকোলজি (MISE) ল্যাবের ডক্টরাল ছাত্রী ক্লোয়ে ফোরো জানান, কৃমিগুলোকে খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন কারণ, তাদের আকার ছোট এবং প্রায় স্বচ্ছ। যার কারণে পানির নিচে সহজে নজরে আসে না এগুলো।

গবেষকরা যখন প্রবাল সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠান, তখন সেখানে অসংখ্য ক্ষুদ্রাকৃতি কৃমির উপস্থিতি লক্ষ করেন। প্রতিটি কৃমির দৈর্ঘ্য ছিলো ০.২ ইঞ্চির কম।

ক্লোয়ে আরও জানান, এর আগে একবার আমার ল্যাবমেট আই পিগমি সামুদ্রিক ঘোড়া নিয়ে গবেষণা করেন। তিনি আমাকে একটি কৃমি দেখিয়েছিলেন যেটি সামুদ্রিক ঘোড়ার প্রবাল বাসস্থানে পাওয়া গিয়েছিলো। প্রবালের মধ্যে বসবাসকারী পিগমি সামুদ্রিক ঘোড়া নিয়ে গবেষণার সময় মূলত কৃমিগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন

কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া সামুদ্রিক কৃমির সন্ধান

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৪১ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪

কালের গর্ভে প্রায় ৭০ বছর আগে বিজ্ঞানীদের নজর থেকে হারিয়ে গিয়েছিলো এক প্রজাতির সামুদ্রিক কৃমি। সেই কৃমিকে আবারও আবিষ্কার করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, স্কুবা ডাইভারদের তোলা কিছু ছবিতে এই কৃমির উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিজ্ঞানীদের গবেষণায় দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়া থেকে জাপান পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা প্রবালের কলোনিতে সামুদ্রিক ঘোড়ার সঙ্গে সহাবস্থানে ছিলো এই কৃমিরা।

হারিয়ে যাওয়া এই সামুদ্রিক কৃমিটির নাম ‘হাপলোসিলিস অ্যান্থোগোর্জিকোলা’ যা এক ধরনের পলিকীট বা ব্রিসল ওয়ার্ম। এটি শাখাবিশিষ্ট গরগোনিয়ান প্রবালে বাসা বাঁধে এবং প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে প্রায় ১৫টি এরকম কৃমি পাওয়া যায়। এই কৃমির সাধারণ আকার প্রায় ৬ মিলিমিটার বা ০.২৪ ইঞ্চি।

যদিও বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ১৯৫৬ সালের পর থেকে এটি আর দেখা যায়নি। প্রথমবার কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক জীববিজ্ঞানী হুজিও উতিনোমো এই কৃমিটিকে শনাক্ত করেছিলেন।

ওই গবেষণার প্রধান লেখক এবং জাপানের ওকিনাওয়া ইউনিভার্সিটির মলিকুলার ইনভার্টিব্রেট সিস্টেমেটিকস অ্যান্ড ইকোলজি (MISE) ল্যাবের ডক্টরাল ছাত্রী ক্লোয়ে ফোরো জানান, কৃমিগুলোকে খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত কঠিন কারণ, তাদের আকার ছোট এবং প্রায় স্বচ্ছ। যার কারণে পানির নিচে সহজে নজরে আসে না এগুলো।

গবেষকরা যখন প্রবাল সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠান, তখন সেখানে অসংখ্য ক্ষুদ্রাকৃতি কৃমির উপস্থিতি লক্ষ করেন। প্রতিটি কৃমির দৈর্ঘ্য ছিলো ০.২ ইঞ্চির কম।

ক্লোয়ে আরও জানান, এর আগে একবার আমার ল্যাবমেট আই পিগমি সামুদ্রিক ঘোড়া নিয়ে গবেষণা করেন। তিনি আমাকে একটি কৃমি দেখিয়েছিলেন যেটি সামুদ্রিক ঘোড়ার প্রবাল বাসস্থানে পাওয়া গিয়েছিলো। প্রবালের মধ্যে বসবাসকারী পিগমি সামুদ্রিক ঘোড়া নিয়ে গবেষণার সময় মূলত কৃমিগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়।