বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ Logo খুবিতে ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo প্রতীক পেলেন চাঁদপুরের পাঁচ আসনের ৩৫ প্রার্থী, জমে উঠছে নির্বাচনী মাঠ Logo সংসদ নির্বাচন: ৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১,৯৬৭ প্রার্থী

ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে ভারতের নতুন উদ্যোগ

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:২৭:০৬ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪
  • ৭৪৮ বার পড়া হয়েছে

ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে আরও একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র নির্মাণ করছে ভারত। গত সপ্তাহে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে কেন্দ্রটি স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই নতুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হবে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্রের কৃষ্ণা জেলার নাগায়ালঙ্কা গ্রামে।

কেন্দ্রটি প্রস্তুত করা হলে সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইলসহ ভারতের তৈরি সব ধরনের স্বল্প-মাঝারি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হবে সেখানে।

বর্তমানে ভারতের একমাত্র ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি ওড়িশা রাজ্যের ড. আব্দুল কালাম দ্বীপে অবস্থিত। এক সময় দ্বীপটির নাম ছিল হুইলার দ্বীপ। অগ্নি, পৃথ্বী, ব্রহ্মা, অস্ত্র, নির্ভয়সহ ভারতের যাবতীয় ল্যান্ডমার্ক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হয়েছে এই কেন্দ্রটি থেকে।

নতুন এসব ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে রয়েছে শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (শোরাড), ম্যান-পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল, অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল, কুইক রিঅ্যাকশন সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম প্রভৃতি।

এ ব্যাপারে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) সম্প্রতি সরকারকে চিঠি দিয়েছিলো। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছিলো, ডিআরডিও সম্প্রতি বেশ কিছু নতুন ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের কাজ শেষ করে এনেছে এবং সেগুলোর কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য নতুন একটি উৎক্ষেপণ কেন্দ্র প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনী গত মে মাসে ওড়িশায় নিজেদের তৈরি সাবমেরিন বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র স্মার্তের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছিলো। (সূত্র: দি ইকোনমিক টাইমস)

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন

ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে ভারতের নতুন উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৮:২৭:০৬ পূর্বাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪

ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যোগ করতে আরও একটি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র নির্মাণ করছে ভারত। গত সপ্তাহে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে কেন্দ্রটি স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, প্রস্তাবিত এই নতুন উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি নির্মাণ করা হবে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্রের কৃষ্ণা জেলার নাগায়ালঙ্কা গ্রামে।

কেন্দ্রটি প্রস্তুত করা হলে সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইলসহ ভারতের তৈরি সব ধরনের স্বল্প-মাঝারি ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা সম্ভব হবে সেখানে।

বর্তমানে ভারতের একমাত্র ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্রটি ওড়িশা রাজ্যের ড. আব্দুল কালাম দ্বীপে অবস্থিত। এক সময় দ্বীপটির নাম ছিল হুইলার দ্বীপ। অগ্নি, পৃথ্বী, ব্রহ্মা, অস্ত্র, নির্ভয়সহ ভারতের যাবতীয় ল্যান্ডমার্ক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ হয়েছে এই কেন্দ্রটি থেকে।

নতুন এসব ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে রয়েছে শর্ট রেঞ্জ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম (শোরাড), ম্যান-পোর্টেবল অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল, অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল, কুইক রিঅ্যাকশন সার্ফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম প্রভৃতি।

এ ব্যাপারে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) সম্প্রতি সরকারকে চিঠি দিয়েছিলো। সেই চিঠিতে জানানো হয়েছিলো, ডিআরডিও সম্প্রতি বেশ কিছু নতুন ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের কাজ শেষ করে এনেছে এবং সেগুলোর কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য নতুন একটি উৎক্ষেপণ কেন্দ্র প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনী গত মে মাসে ওড়িশায় নিজেদের তৈরি সাবমেরিন বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র স্মার্তের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছিলো। (সূত্র: দি ইকোনমিক টাইমস)