শুক্রবার | ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo হেলমেট না থাকায় সেনা সদস্যদের মারধরে যুবক নিহতের অভিযোগ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি Logo আর্ট সার্কেল খুলনা’র আত্মপ্রকাশ ও তিন দিনব্যাপী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু Logo চাঁদপুর পৌর ৭ নং ওয়ার্ডে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক Logo চাঁদপুরে স্বর্ণ শিশুদের নিয়ে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo নির্বাচনি প্রচারণায় বাধার অভিযোগ: গাইবান্ধা-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন Logo খুলনা-৬ আসনে জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকার বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পীর Logo অ্যাসেটের অর্থায়নে কর্মমুখী সেমিনার ও জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত হয়ে গড়ে উঠতে হবে-যুগ্ম সচিব মুহাম্মদ মূনীরুজ্জামান ভূঁইয়া Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৬, ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডে মোমবাতি মার্কার গণসংযোগ Logo ভোট চাইতে গিয়ে মিলছে হাসি, ভোটারদের কণ্ঠে একটাই কথা—ধানের শীষ’ Logo ধানের শীর্ষের পক্ষে প্রচার প্রচারণায় পলাশবাড়ীতে কারা নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পরিবার 

বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য কুশীলবদের চিহ্নিত না করলে আবারও ষড়যন্ত্র হবে : আইনমন্ত্রী

  • আপডেট সময় : ১০:৫৬:০৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২০
  • ৭৮৬ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার নেপথ্য কুশীলবদের চিহ্নিত না করলে তারা আবারও ষড়যন্ত্র করবে।
জাতির পিতার ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আজ ভার্চুয়াল শোকসভায় সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
সভায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম এবং বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটেউটের পরিচালক গোলাম কিবরিয়া বঙ্গবন্ধুর জীবন আলেখ্য নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা।
আলোচনা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বেগম মুজিব, শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নৃশংস হত্যাকান্ডে শহীদ সকলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করা হলেও এ হত্যাকান্ডের নেপথ্য কুশীলবদের চিহ্নিত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। কুশীলবদের চিহ্নিত করতে না পারলে তারা আবার ষড়যন্ত্র করবে। তাই তাদের চিহ্নিত করার জন্য একটি কমিশন গঠন করা অত্যন্ত প্রয়োজন।এ বিষয়ে বিভিন্ন মহল থেকে দাবীও উঠেছে।
শোকসভায় অংশ নেয়া আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে উদ্দেশ্য করে আইনমন্ত্রী বলেন, এই কমিশনের কর্মপরিধি কি হবে, কিভাবে কাজ করবে তা নিয়ে আমাদের এখন থেকেই চিন্তাভাবনা করা উচিত। কারণ এ দায়িত্ব আইন মন্ত্রণালয় ও আইন কমিশনের উপরই পড়বে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা বলে থাকি কিছু বিপথগামী সামরিক অফিসার বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। আসলে তা নয়।যদি তাই হতো, তাহলে তারা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতো। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা করতো না। তারা সেদিন ঢাকায় বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, বাংলাদেশকে হত্যা করতে চেয়েছিল।
আনিসুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সৌভাগ্যক্রমে সেদিন বিদেশে থাকার কারণে বেঁচে আছেন। তিনি বলেন, খুনিরা সেদিন ভালো করেই বুঝেছিল যে, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করতে পারলেই বাংলাদেশকে হত্যা করা যাবে।
মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচারের মাধ্যমে কয়েকজনকে ফাঁসি দেয়া হলেও তাঁকে হত্যা করার কলঙ্ক কিন্তু এখনও মোচন হয়নি। এই কলঙ্ক তখনই মোচন হবে যখন আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে পারবো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হেলমেট না থাকায় সেনা সদস্যদের মারধরে যুবক নিহতের অভিযোগ, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি

বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্য কুশীলবদের চিহ্নিত না করলে আবারও ষড়যন্ত্র হবে : আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:৫৬:০৫ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৬ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার নেপথ্য কুশীলবদের চিহ্নিত না করলে তারা আবারও ষড়যন্ত্র করবে।
জাতির পিতার ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আজ ভার্চুয়াল শোকসভায় সভাপতির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।
সভায় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হক, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির, নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শহীদুল আলম ঝিনুক, জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম এবং বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটেউটের পরিচালক গোলাম কিবরিয়া বঙ্গবন্ধুর জীবন আলেখ্য নিয়ে আলোচনা করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব বিকাশ কুমার সাহা।
আলোচনা শেষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বেগম মুজিব, শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু শেখ রাসেলসহ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নৃশংস হত্যাকান্ডে শহীদ সকলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার করা হলেও এ হত্যাকান্ডের নেপথ্য কুশীলবদের চিহ্নিত করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তাদের মুখোশ উন্মোচন করতে হবে। কুশীলবদের চিহ্নিত করতে না পারলে তারা আবার ষড়যন্ত্র করবে। তাই তাদের চিহ্নিত করার জন্য একটি কমিশন গঠন করা অত্যন্ত প্রয়োজন।এ বিষয়ে বিভিন্ন মহল থেকে দাবীও উঠেছে।
শোকসভায় অংশ নেয়া আইন কমিশনের চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হককে উদ্দেশ্য করে আইনমন্ত্রী বলেন, এই কমিশনের কর্মপরিধি কি হবে, কিভাবে কাজ করবে তা নিয়ে আমাদের এখন থেকেই চিন্তাভাবনা করা উচিত। কারণ এ দায়িত্ব আইন মন্ত্রণালয় ও আইন কমিশনের উপরই পড়বে।
মন্ত্রী বলেন, আমরা বলে থাকি কিছু বিপথগামী সামরিক অফিসার বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে। আসলে তা নয়।যদি তাই হতো, তাহলে তারা শুধু বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতো। বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যা করতো না। তারা সেদিন ঢাকায় বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, বাংলাদেশকে হত্যা করতে চেয়েছিল।
আনিসুল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সৌভাগ্যক্রমে সেদিন বিদেশে থাকার কারণে বেঁচে আছেন। তিনি বলেন, খুনিরা সেদিন ভালো করেই বুঝেছিল যে, বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা করতে পারলেই বাংলাদেশকে হত্যা করা যাবে।
মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচারের মাধ্যমে কয়েকজনকে ফাঁসি দেয়া হলেও তাঁকে হত্যা করার কলঙ্ক কিন্তু এখনও মোচন হয়নি। এই কলঙ্ক তখনই মোচন হবে যখন আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে পারবো।