শনিবার | ১১ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার ১৮ বছর পদার্পণে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান Logo চাঁদপুরে বাংলাদেশের আলো পত্রিকার ১৮ বছর পদার্পণে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ Logo চাঁদের চারপাশ ঘুরে পৃথিবীমুখী আর্টেমিস–২, সমুদ্রে অবতরণ Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন

শ্রীলংকায় দাঙ্গা ঠেকাতে ফেসবুক বন্ধ

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:০৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮
  • ৮৩১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:  জাতিগত দাঙ্গা ঠেকাতে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করেছে শ্রীলঙ্কা। এএফপির।

বৌদ্ধ ও মুসলমানদের মধ্যে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ক্যান্ডিতে জরুরি অবস্থা জারির পর বুধবার সরকারের এক ঘোষণায় তিন দিন সারাদেশে ফেইসবুক, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়।

মুসলমানদের সঙ্গে সংঘাতে এক বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর জের ধরে শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চলীয় জেলা ক্যান্ডিতে রোববার থেকে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত চলছে।

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার ক্যান্ডিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও রাতভর মুসলমানদের কয়েকটি মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়।

পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকারা বলেছেন, এসব সহিংস ঘটনার কয়েকটির জন্য সোশাল মিডিয়াকে দায়ী করে সরকারের পক্ষ বলা হয়েছে, ফেইসবুকে মুসলিমদের ওপর আরও হামলার হুমকি সম্বলিত পোস্টের মাধ্যমে সহিংসতাকে উস্কে দেয়া হয়েছে।

গত বছর থেকেই শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ও মুসলিমদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। কয়েকটি কট্টরপন্থি বৌদ্ধ গোষ্ঠী অভিযোগ করে আসছিল, শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধদের জোর করে ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৌদ্ধ পুরাতাত্ত্বিক স্থানগুলো ভাংচুরের জন্যও তারা মুসলমানদের দায়ী করে আসছিল। গতবছরের শেষে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার থেকে মুসলমান রোহিঙ্গারা শ্রীলঙ্কায় গিয়ে আশ্রয় নিতে শুরু করলে তাতে আপত্তি জানিয়ে সরব হয় দেশটির কয়েকটি বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী।

বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর জের ধরে সোমবার ক্যান্ডিতে মুসলমান মালিকানাধীন একটি দোকানে অগ্নিসংযোগের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলী বৌদ্ধদের সঙ্গে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ব্যাপক সংঘাত শুরু হয়। দাঙ্গা থামাতে ক্যান্ডিতে সান্ধ্য আইন জারি করে সেখানে সেনা ও এলিট পুলিশ ফোর্স পাঠায় সরকার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার ১৮ বছর পদার্পণে রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান

শ্রীলংকায় দাঙ্গা ঠেকাতে ফেসবুক বন্ধ

আপডেট সময় : ০৯:২৪:০৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:  জাতিগত দাঙ্গা ঠেকাতে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করেছে শ্রীলঙ্কা। এএফপির।

বৌদ্ধ ও মুসলমানদের মধ্যে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ক্যান্ডিতে জরুরি অবস্থা জারির পর বুধবার সরকারের এক ঘোষণায় তিন দিন সারাদেশে ফেইসবুক, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়।

মুসলমানদের সঙ্গে সংঘাতে এক বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর জের ধরে শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চলীয় জেলা ক্যান্ডিতে রোববার থেকে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত চলছে।

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার ক্যান্ডিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও রাতভর মুসলমানদের কয়েকটি মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়।

পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকারা বলেছেন, এসব সহিংস ঘটনার কয়েকটির জন্য সোশাল মিডিয়াকে দায়ী করে সরকারের পক্ষ বলা হয়েছে, ফেইসবুকে মুসলিমদের ওপর আরও হামলার হুমকি সম্বলিত পোস্টের মাধ্যমে সহিংসতাকে উস্কে দেয়া হয়েছে।

গত বছর থেকেই শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ও মুসলিমদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। কয়েকটি কট্টরপন্থি বৌদ্ধ গোষ্ঠী অভিযোগ করে আসছিল, শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধদের জোর করে ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৌদ্ধ পুরাতাত্ত্বিক স্থানগুলো ভাংচুরের জন্যও তারা মুসলমানদের দায়ী করে আসছিল। গতবছরের শেষে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার থেকে মুসলমান রোহিঙ্গারা শ্রীলঙ্কায় গিয়ে আশ্রয় নিতে শুরু করলে তাতে আপত্তি জানিয়ে সরব হয় দেশটির কয়েকটি বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী।

বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর জের ধরে সোমবার ক্যান্ডিতে মুসলমান মালিকানাধীন একটি দোকানে অগ্নিসংযোগের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলী বৌদ্ধদের সঙ্গে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ব্যাপক সংঘাত শুরু হয়। দাঙ্গা থামাতে ক্যান্ডিতে সান্ধ্য আইন জারি করে সেখানে সেনা ও এলিট পুলিশ ফোর্স পাঠায় সরকার।