বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ Logo খুবিতে ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo প্রতীক পেলেন চাঁদপুরের পাঁচ আসনের ৩৫ প্রার্থী, জমে উঠছে নির্বাচনী মাঠ Logo সংসদ নির্বাচন: ৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১,৯৬৭ প্রার্থী

শ্রীলংকায় দাঙ্গা ঠেকাতে ফেসবুক বন্ধ

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:০৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮
  • ৮২২ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:  জাতিগত দাঙ্গা ঠেকাতে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করেছে শ্রীলঙ্কা। এএফপির।

বৌদ্ধ ও মুসলমানদের মধ্যে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ক্যান্ডিতে জরুরি অবস্থা জারির পর বুধবার সরকারের এক ঘোষণায় তিন দিন সারাদেশে ফেইসবুক, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়।

মুসলমানদের সঙ্গে সংঘাতে এক বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর জের ধরে শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চলীয় জেলা ক্যান্ডিতে রোববার থেকে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত চলছে।

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার ক্যান্ডিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও রাতভর মুসলমানদের কয়েকটি মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়।

পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকারা বলেছেন, এসব সহিংস ঘটনার কয়েকটির জন্য সোশাল মিডিয়াকে দায়ী করে সরকারের পক্ষ বলা হয়েছে, ফেইসবুকে মুসলিমদের ওপর আরও হামলার হুমকি সম্বলিত পোস্টের মাধ্যমে সহিংসতাকে উস্কে দেয়া হয়েছে।

গত বছর থেকেই শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ও মুসলিমদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। কয়েকটি কট্টরপন্থি বৌদ্ধ গোষ্ঠী অভিযোগ করে আসছিল, শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধদের জোর করে ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৌদ্ধ পুরাতাত্ত্বিক স্থানগুলো ভাংচুরের জন্যও তারা মুসলমানদের দায়ী করে আসছিল। গতবছরের শেষে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার থেকে মুসলমান রোহিঙ্গারা শ্রীলঙ্কায় গিয়ে আশ্রয় নিতে শুরু করলে তাতে আপত্তি জানিয়ে সরব হয় দেশটির কয়েকটি বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী।

বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর জের ধরে সোমবার ক্যান্ডিতে মুসলমান মালিকানাধীন একটি দোকানে অগ্নিসংযোগের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলী বৌদ্ধদের সঙ্গে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ব্যাপক সংঘাত শুরু হয়। দাঙ্গা থামাতে ক্যান্ডিতে সান্ধ্য আইন জারি করে সেখানে সেনা ও এলিট পুলিশ ফোর্স পাঠায় সরকার।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন

শ্রীলংকায় দাঙ্গা ঠেকাতে ফেসবুক বন্ধ

আপডেট সময় : ০৯:২৪:০৯ অপরাহ্ণ, বুধবার, ৭ মার্চ ২০১৮

নিউজ ডেস্ক:  জাতিগত দাঙ্গা ঠেকাতে ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করেছে শ্রীলঙ্কা। এএফপির।

বৌদ্ধ ও মুসলমানদের মধ্যে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ক্যান্ডিতে জরুরি অবস্থা জারির পর বুধবার সরকারের এক ঘোষণায় তিন দিন সারাদেশে ফেইসবুক, ভাইবার ও হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ থাকবে বলে জানানো হয়।

মুসলমানদের সঙ্গে সংঘাতে এক বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর জের ধরে শ্রীলঙ্কার মধ্যাঞ্চলীয় জেলা ক্যান্ডিতে রোববার থেকে দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘাত চলছে।

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার ক্যান্ডিতে জরুরি অবস্থা জারি করা হলেও রাতভর মুসলমানদের কয়েকটি মসজিদ ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়।

পুলিশের মুখপাত্র রুয়ান গুনাসেকারা বলেছেন, এসব সহিংস ঘটনার কয়েকটির জন্য সোশাল মিডিয়াকে দায়ী করে সরকারের পক্ষ বলা হয়েছে, ফেইসবুকে মুসলিমদের ওপর আরও হামলার হুমকি সম্বলিত পোস্টের মাধ্যমে সহিংসতাকে উস্কে দেয়া হয়েছে।

গত বছর থেকেই শ্রীলঙ্কায় বৌদ্ধ ও মুসলিমদের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। কয়েকটি কট্টরপন্থি বৌদ্ধ গোষ্ঠী অভিযোগ করে আসছিল, শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধদের জোর করে ইসলাম ধর্মে দিক্ষিত করা হচ্ছে। পাশাপাশি বৌদ্ধ পুরাতাত্ত্বিক স্থানগুলো ভাংচুরের জন্যও তারা মুসলমানদের দায়ী করে আসছিল। গতবছরের শেষে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমার থেকে মুসলমান রোহিঙ্গারা শ্রীলঙ্কায় গিয়ে আশ্রয় নিতে শুরু করলে তাতে আপত্তি জানিয়ে সরব হয় দেশটির কয়েকটি বৌদ্ধ জাতীয়তাবাদী গোষ্ঠী।

বৌদ্ধ তরুণের মৃত্যুর জের ধরে সোমবার ক্যান্ডিতে মুসলমান মালিকানাধীন একটি দোকানে অগ্নিসংযোগের পর সংখ্যাগরিষ্ঠ সিংহলী বৌদ্ধদের সঙ্গে সংখ্যালঘু মুসলমানদের ব্যাপক সংঘাত শুরু হয়। দাঙ্গা থামাতে ক্যান্ডিতে সান্ধ্য আইন জারি করে সেখানে সেনা ও এলিট পুলিশ ফোর্স পাঠায় সরকার।