শুক্রবার | ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo আর্ট সার্কেল খুলনা’র আত্মপ্রকাশ ও তিন দিনব্যাপী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু Logo চাঁদপুর পৌর ৭ নং ওয়ার্ডে শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক Logo চাঁদপুরে স্বর্ণ শিশুদের নিয়ে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন Logo নির্বাচনি প্রচারণায় বাধার অভিযোগ: গাইবান্ধা-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের এমপি প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন Logo খুলনা-৬ আসনে জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকার বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পীর Logo অ্যাসেটের অর্থায়নে কর্মমুখী সেমিনার ও জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত হয়ে গড়ে উঠতে হবে-যুগ্ম সচিব মুহাম্মদ মূনীরুজ্জামান ভূঁইয়া Logo চাঁদপুর পৌরসভার ৬, ৭ ও ৮নং ওয়ার্ডে মোমবাতি মার্কার গণসংযোগ Logo ভোট চাইতে গিয়ে মিলছে হাসি, ভোটারদের কণ্ঠে একটাই কথা—ধানের শীষ’ Logo ধানের শীর্ষের পক্ষে প্রচার প্রচারণায় পলাশবাড়ীতে কারা নির্যাতিত নেতাকর্মীদের পরিবার  Logo নীলকমল ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ চরাঞ্চলের মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত, তারা যেনো ভিন্ন কোনো গ্রহের -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ

ব্যাপক ঘুষ বানিজ্য ও দুর্নীতির আখড়া ঝিনাইদহ আনসার অফিস

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৬:৩১:৪২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০১৭
  • ৭৬৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষনে ঘুষ বানিজ্য

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ব্যাপক ঘুষ বানিজ্য আর দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে ঝিনাইদহ আনসার অফিস। এবার ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষনের জন্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ৬ লক্ষাধিক টাকা অধিক ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে প্রশিক্ষন বঞ্চিত অনেকের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। জানা গেছে, আহসান উল্লাহ জেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে ঝিনাইদহে যোগদানের পর থেকে বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যে মেতে উঠেন। তিনি আনসার অফিসে শক্তিশালী সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন দালালদের মাধ্যমে ঘুষ বানিজ্যে করছেন। ইতিপূর্বে তিনি টেন্ডার বাদে ঝিনাইদহ আনসার ও ভিডিপির অফিসের মোটা মোটা মেহগনি গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির ২০টি গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছেন। তিনি নিজের সুবিধার জন্য বান্দরবনে পোস্টিংয়ে থাকা ১৪ ব্যাটেলিয়নের সদস্য প্যাথলজি সহকারি নরুল ইসলামকে ঝিনাইদহে বদলি করিয়ে এসেছেন। এই প্যাথলজি সহকারি নুরুলকে দিয়ে ঘুষ বানিজ্যে করাচ্ছেন। নুরু তার প্যাথলজির কোন কাজ করে না।

এ কারনে প্রায় প্যাথলজির কাজে ব্যবহৃত সরকারের কেনা ৫০ লক্ষাধিক টাকা মালামাল নষ্ট হতে চলেছে। এদিকে কোন খেয়াল নেই নুরুল ইসলামের। তিনি জেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগসাজস করে ৬টি থানা অফিসারের মাধ্যমে ৬০জন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষনে জনপ্রতি ১৫ থেকে ২০হাজার টাকা করে মোট ৬লাখ টাকা অধিক হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি পূজামন্ডবে ডিউটি করার জন্য দুই হাজার ৩৮৪ জন অস্থায়ী ভাবে নিয়োগকৃত আনসারদের কাছ থেকে ৯লাখ টাকা হানিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অফিসের এমন কোন খাত নেই যে তিনি অনিয়ম দুর্নীতি করেন না। এব্যাপারে জেলা কমান্ড্যান্ট আহসান আল্লাহর সাথে অফিস টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘুষ নেওয়ার বিষয়গুলো অস্বীকার করে বলেন, অদক্ষ প্রার্থীসহ অনেকের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে না। ফলে তারা নানামুখি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তবে ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

আর্ট সার্কেল খুলনা’র আত্মপ্রকাশ ও তিন দিনব্যাপী শিল্পকর্ম প্রদর্শনী শুরু

ব্যাপক ঘুষ বানিজ্য ও দুর্নীতির আখড়া ঝিনাইদহ আনসার অফিস

আপডেট সময় : ০৬:৩১:৪২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০১৭

এবার ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষনে ঘুষ বানিজ্য

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ব্যাপক ঘুষ বানিজ্য আর দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে ঝিনাইদহ আনসার অফিস। এবার ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষনের জন্য প্রার্থীদের কাছ থেকে ৬ লক্ষাধিক টাকা অধিক ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে প্রশিক্ষন বঞ্চিত অনেকের মধ্যে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগীরা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। জানা গেছে, আহসান উল্লাহ জেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে ঝিনাইদহে যোগদানের পর থেকে বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যে মেতে উঠেন। তিনি আনসার অফিসে শক্তিশালী সিন্ডিকেট করে বিভিন্ন দালালদের মাধ্যমে ঘুষ বানিজ্যে করছেন। ইতিপূর্বে তিনি টেন্ডার বাদে ঝিনাইদহ আনসার ও ভিডিপির অফিসের মোটা মোটা মেহগনি গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির ২০টি গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছেন। তিনি নিজের সুবিধার জন্য বান্দরবনে পোস্টিংয়ে থাকা ১৪ ব্যাটেলিয়নের সদস্য প্যাথলজি সহকারি নরুল ইসলামকে ঝিনাইদহে বদলি করিয়ে এসেছেন। এই প্যাথলজি সহকারি নুরুলকে দিয়ে ঘুষ বানিজ্যে করাচ্ছেন। নুরু তার প্যাথলজির কোন কাজ করে না।

এ কারনে প্রায় প্যাথলজির কাজে ব্যবহৃত সরকারের কেনা ৫০ লক্ষাধিক টাকা মালামাল নষ্ট হতে চলেছে। এদিকে কোন খেয়াল নেই নুরুল ইসলামের। তিনি জেলা আনসার ও ভিডিপির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগসাজস করে ৬টি থানা অফিসারের মাধ্যমে ৬০জন ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষনে জনপ্রতি ১৫ থেকে ২০হাজার টাকা করে মোট ৬লাখ টাকা অধিক হাতিয়ে নিয়েছেন। তিনি পূজামন্ডবে ডিউটি করার জন্য দুই হাজার ৩৮৪ জন অস্থায়ী ভাবে নিয়োগকৃত আনসারদের কাছ থেকে ৯লাখ টাকা হানিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া অফিসের এমন কোন খাত নেই যে তিনি অনিয়ম দুর্নীতি করেন না। এব্যাপারে জেলা কমান্ড্যান্ট আহসান আল্লাহর সাথে অফিস টেলিফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘুষ নেওয়ার বিষয়গুলো অস্বীকার করে বলেন, অদক্ষ প্রার্থীসহ অনেকের স্বার্থ রক্ষা হচ্ছে না। ফলে তারা নানামুখি ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তবে ঘুষ নেওয়ার ব্যাপারে এখনো পর্যন্ত কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।