মঙ্গলবার | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ  Logo লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ক্রীড়া চর্চা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে-অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা। Logo আইনের ফাঁদে দুই প্রতিষ্ঠান: চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকার ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, অর্ধ লক্ষাধিক টাকার মাদক ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মৌখিক পরীক্ষা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় Logo গণভোট হ্যাঁ-কে জয়ী করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রচারণা Logo শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি Logo পলাশবাড়ীতে ধানের শীর্ষের পক্ষে বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল  Logo ঝালকাঠিতে ৬লিটার চোলাই মদ সহ নাসির ডিবির হাতে আটক  Logo পলাশবাড়ীতে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হামলায় আহত ৪, অবরুদ্ধ ৯ পরিবার

সুন্দরবনের হরিণ শিকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ খুলনা অধিনাস্ত এলাকা জুড়ে চলছে হরিণ নিধনের মহা উৎসব। চোরা শিকারীরা প্রতিনিয়ত ছদ্মবেশে রাতের অন্ধকারে সুন্দরবনে প্রবেশ করে নাইলনের সুতা দিয়ে ফাঁদ তৈরী করে হরিণ চলাফেরার রাস্তায় পেতে রাখে চলাচলের সময় ফাঁদে আটকে যায়

 

এসময় চোরা শিকারীরা বনের ভিতর থেকে মাংস বানিয়ে নিয়ে আশে লোকালয়ে তাদের আলাদা লোক থাকে তারা কাস্টমার ঠিক করে রাখে। রাতের অন্ধকারে কাস্টমারের বাড়িতে মাংস পাঠিয়ে দেয়। পরে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ন্যায়। কয়রা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দশটি স্পট আছে প্রতিনিয়ত সেখান থেকে চোরা শিকারীরা বনে প্রবেশ করে হরিণ শিকার করে।

 

দক্ষিণ বেদকাশি আংটি হারা,গোলখালি,জোড় সিং বিনাপানি,উত্তর বেদ কশির শাকবাড়িয়া,কাটকাটা,পাথর খালি, কয়রা সদর ৬ নং কয়রা,৫নং কয়রা,৪ নং কয়রা মহারাজ পুরের মঠবাড়ি হায়াত খালি, মহেশ্বরী পুরের চরের কোনা,খোড়ল কাটি, শেখের কোনা সহ বিভিন্ন জায়গা দিয়ে বনে প্রবেশ করা যায়।
এসব এলাকার স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দা বলেন বন রক্ষি দের সহযোগিতায় সুন্দরবনে হরিণ শিকার, কীটনাশক দিয়ে মাছ শিকার ও বনের বিভিন্ন ধরনের কাট পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। খবর নিয়ে আরও জানা গেছে হরিণ মাংস ও কাট কয়রার বিভিন্ন এলাকা পাইকগাছা, সাতক্ষীরা, খুলনা সহ দেশের অনেক প্রান্তে যাচ্ছে।
গত জানুয়ারি থেকে এপর্যন্ত বন বিভাগ, পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৬৬ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। এর আগে বন বিভাগের অভিযানে বনের ভেতর থেকে আরও ৯০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করে।
সাধারণ মানুষ দেশি মাংসের চেয়ে কেনো হরিণের মাংসের দিকে ঝুঁকছে এবিষয়ে কয়রা উপজেলার বেশ কয়েকজন বলেন বর্তমান গরু, খাসি, মাংসর যে দাম তার চেয়ে হরিণের মাংস কা দামে পাওয়া যাচ্ছে(হরিণের মাংসের প্রতি কেজি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

পশ্চিম বন বিভাগ খুলনার বন কর্মকর্তা এ জে ডে হাসানুর রহমান বলেন আগের চেয়ে আমাদের টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। গোয়েন্দা নজর দারি ও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রতিনিয়ত চোরা শিকারীদের স্পট গুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে হরিণের মাংস জব্দ করা হলেও শিকারীদের ধরা যাচ্ছেনা। আমাদের উপস্থিত টের পেয়ে তাঁরা পালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ বাহিনী যদি পদক্ষেপ নিতো তাহলে সুন্দরবন এলাকা গুলোতে অপকর্ম কমে যেতো।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ 

সুন্দরবনের হরিণ শিকারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

আপডেট সময় : ০৬:২৭:০৩ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ খুলনা অধিনাস্ত এলাকা জুড়ে চলছে হরিণ নিধনের মহা উৎসব। চোরা শিকারীরা প্রতিনিয়ত ছদ্মবেশে রাতের অন্ধকারে সুন্দরবনে প্রবেশ করে নাইলনের সুতা দিয়ে ফাঁদ তৈরী করে হরিণ চলাফেরার রাস্তায় পেতে রাখে চলাচলের সময় ফাঁদে আটকে যায়

 

এসময় চোরা শিকারীরা বনের ভিতর থেকে মাংস বানিয়ে নিয়ে আশে লোকালয়ে তাদের আলাদা লোক থাকে তারা কাস্টমার ঠিক করে রাখে। রাতের অন্ধকারে কাস্টমারের বাড়িতে মাংস পাঠিয়ে দেয়। পরে তাদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ন্যায়। কয়রা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় দশটি স্পট আছে প্রতিনিয়ত সেখান থেকে চোরা শিকারীরা বনে প্রবেশ করে হরিণ শিকার করে।

 

দক্ষিণ বেদকাশি আংটি হারা,গোলখালি,জোড় সিং বিনাপানি,উত্তর বেদ কশির শাকবাড়িয়া,কাটকাটা,পাথর খালি, কয়রা সদর ৬ নং কয়রা,৫নং কয়রা,৪ নং কয়রা মহারাজ পুরের মঠবাড়ি হায়াত খালি, মহেশ্বরী পুরের চরের কোনা,খোড়ল কাটি, শেখের কোনা সহ বিভিন্ন জায়গা দিয়ে বনে প্রবেশ করা যায়।
এসব এলাকার স্থানীয় কয়েক জন বাসিন্দা বলেন বন রক্ষি দের সহযোগিতায় সুন্দরবনে হরিণ শিকার, কীটনাশক দিয়ে মাছ শিকার ও বনের বিভিন্ন ধরনের কাট পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন। খবর নিয়ে আরও জানা গেছে হরিণ মাংস ও কাট কয়রার বিভিন্ন এলাকা পাইকগাছা, সাতক্ষীরা, খুলনা সহ দেশের অনেক প্রান্তে যাচ্ছে।
গত জানুয়ারি থেকে এপর্যন্ত বন বিভাগ, পুলিশ ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ২৬৬ কেজি হরিণের মাংস উদ্ধার করা হয়। এর আগে বন বিভাগের অভিযানে বনের ভেতর থেকে আরও ৯০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করে।
সাধারণ মানুষ দেশি মাংসের চেয়ে কেনো হরিণের মাংসের দিকে ঝুঁকছে এবিষয়ে কয়রা উপজেলার বেশ কয়েকজন বলেন বর্তমান গরু, খাসি, মাংসর যে দাম তার চেয়ে হরিণের মাংস কা দামে পাওয়া যাচ্ছে(হরিণের মাংসের প্রতি কেজি ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

পশ্চিম বন বিভাগ খুলনার বন কর্মকর্তা এ জে ডে হাসানুর রহমান বলেন আগের চেয়ে আমাদের টহল কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। গোয়েন্দা নজর দারি ও বৃদ্ধি করা হয়েছে।
প্রতিনিয়ত চোরা শিকারীদের স্পট গুলোতে অভিযান চালানো হচ্ছে হরিণের মাংস জব্দ করা হলেও শিকারীদের ধরা যাচ্ছেনা। আমাদের উপস্থিত টের পেয়ে তাঁরা পালিয়ে যাচ্ছে। পুলিশ বাহিনী যদি পদক্ষেপ নিতো তাহলে সুন্দরবন এলাকা গুলোতে অপকর্ম কমে যেতো।