শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং

এমপি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ থেকে কমিয়ে ২১ করতে চাই

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:৫১:০৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৮০৪ বার পড়া হয়েছে

সংসদ সদস্য (এমপি) হওয়ার বয়স এখন ২৫ বছর আছে, এটা ২১ বছরে নিয়ে আসতে চান বলে মন্তব্য করেছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিঙ্গুইশড প্রফেসর, আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র অনাবাসিক ফেলো ও আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের (এআইবিএস) প্রেসিডেন্ট আলী রীয়াজ। দৈনিক কালের কণ্ঠ’র সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাজনৈতিক দলগুলো তরুণদের আকাঙ্ক্ষা কতটা ধারণ করতে পারছে এমন এক প্রশ্নের উত্তরে আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত মনে করি, তাদের কিছু ঘাটতি আছে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই একটা সুপারিশ আমরা করব ভেবেছি। একটা হচ্ছে, সংসদ সদস্য হওয়ার যে বয়স তা আমরা কমিয়ে দেওয়ার পক্ষে। এখন ২৫ বছর আছে, আমরা ২১ বছরে নিয়ে আসতে চাই। আমরা মনে করি, তরুণদের অংশগ্রহণের জায়গা তৈরি করতে হবে যাতে করে তারা সংসদে আসতে পারে, রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারে।’

সংবিধান সংস্কারে আগে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে আলী রীয়াজ বলেন, ‘কিছু কিছু দল আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তাদের প্রস্তাবগুলো দিয়েছে। সেগুলোও আমরা বিবেচনা করেছি। একটা ক্রাইটেরিয়া আমরা ব্যবহার করেছি যেটা ৩ নভেম্বর আমরা সুস্পষ্টভাবে বলেছি। যারা প্রত্যক্ষভাবে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিবাদী সরকার এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলব না। এই অধিকারটা তারা নিজেরাই হারিয়েছে। ওইসব দল বাদ দিয়ে আমরা সবার কথাই বিবেচনা করেছি। নির্বাচন কমিশনে এমন নিবন্ধিত দলও আছে যাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে ২০২৪ সালে। অনিয়ম আছে এখানে। ফলে সেটা বিবেচনা করলে হবে না। আবার এমন দল আছে যাদের নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্যতা আছে কিন্তু দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, এমন সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যেগুলো আসলে রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের ওপর এক ধরনের নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা ছিল। আমরা দেখেছি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপে রাজনৈতিক দলগুলো কারা, সক্রিয় কারা, এই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে কারা ধারণ করছেন, কারা যুক্ত থেকেছেন এবং কিভাবে তারা ভূমিকা রেখেছেন- তাদের সবার কাছে আমরা গিয়েছি।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

এমপি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ থেকে কমিয়ে ২১ করতে চাই

আপডেট সময় : ০৬:৫১:০৫ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪

সংসদ সদস্য (এমপি) হওয়ার বয়স এখন ২৫ বছর আছে, এটা ২১ বছরে নিয়ে আসতে চান বলে মন্তব্য করেছেন সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিঙ্গুইশড প্রফেসর, আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র অনাবাসিক ফেলো ও আমেরিকান ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজের (এআইবিএস) প্রেসিডেন্ট আলী রীয়াজ। দৈনিক কালের কণ্ঠ’র সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজকে দেওয়া বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাজনৈতিক দলগুলো তরুণদের আকাঙ্ক্ষা কতটা ধারণ করতে পারছে এমন এক প্রশ্নের উত্তরে আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমি এখন পর্যন্ত মনে করি, তাদের কিছু ঘাটতি আছে। এই পরিপ্রেক্ষিতেই একটা সুপারিশ আমরা করব ভেবেছি। একটা হচ্ছে, সংসদ সদস্য হওয়ার যে বয়স তা আমরা কমিয়ে দেওয়ার পক্ষে। এখন ২৫ বছর আছে, আমরা ২১ বছরে নিয়ে আসতে চাই। আমরা মনে করি, তরুণদের অংশগ্রহণের জায়গা তৈরি করতে হবে যাতে করে তারা সংসদে আসতে পারে, রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে পারে।’

সংবিধান সংস্কারে আগে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে আলী রীয়াজ বলেন, ‘কিছু কিছু দল আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তাদের প্রস্তাবগুলো দিয়েছে। সেগুলোও আমরা বিবেচনা করেছি। একটা ক্রাইটেরিয়া আমরা ব্যবহার করেছি যেটা ৩ নভেম্বর আমরা সুস্পষ্টভাবে বলেছি। যারা প্রত্যক্ষভাবে জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের সময় ফ্যাসিবাদী সরকার এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলব না। এই অধিকারটা তারা নিজেরাই হারিয়েছে। ওইসব দল বাদ দিয়ে আমরা সবার কথাই বিবেচনা করেছি। নির্বাচন কমিশনে এমন নিবন্ধিত দলও আছে যাদের নিবন্ধন দেওয়া হয়েছে ২০২৪ সালে। অনিয়ম আছে এখানে। ফলে সেটা বিবেচনা করলে হবে না। আবার এমন দল আছে যাদের নিবন্ধন পাওয়ার যোগ্যতা আছে কিন্তু দেওয়া হয়নি। শুধু তাই নয়, এমন সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যেগুলো আসলে রাজনৈতিক দল হিসেবে তাদের ওপর এক ধরনের নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা ছিল। আমরা দেখেছি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপে রাজনৈতিক দলগুলো কারা, সক্রিয় কারা, এই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাকে কারা ধারণ করছেন, কারা যুক্ত থেকেছেন এবং কিভাবে তারা ভূমিকা রেখেছেন- তাদের সবার কাছে আমরা গিয়েছি।’