শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং

ঢাকার দোহারে বৃদ্ধা হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:১৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৭ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৬৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ঢাকার দোহার থানার ঘাটা গ্রামে আয়েশা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চারজনের মুত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আহসান তারিক এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলেন- শাহনাজ বেগম, রাজন খাঁ, সুমন বয়াতি ও ফজলে ওরফে ফজল। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এদের মধ্যে শাহনাজ বেগম ও ফজল আপন ভাই-বোন এবং অপর দুই আসামি ফজলের বন্ধু।

রায়ে আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিলের জন্য সাত দিনের সময়ও দিয়েছেন আদালত।

রায়ে মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মাহফুজা বেগম সাঈদা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন, খন্দকার সিদ্দিকুর রহমান ও শাহনাজ সাথী অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ইফতারের সময় দোহারের ঘাটা গ্রামে নিজ বাড়িতে ভাড়াটিয়া শাহনাজ বেগম তার সহযোগীদের নিয়ে বৃদ্ধা আয়েশা বেগমের গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর আসামিরা নিহতের শরীরে থাকা দুই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। ঘটনার পর দিন নিহতের ছেলে আব্দুল কুদ্দুছ বাদী হয়ে দোহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্তের পর দোহার থানার এসআই মজিবুর রহমান চার আসামির বিরুদ্ধে ওই বছর ১৭ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি তদন্তাধীন অবস্থায় চার আসামি গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০০৯ সালের ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন। বিচারকালে আদালত মামলাটির ২৬ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকার দোহারে বৃদ্ধা হত্যায় চারজনের মৃত্যুদণ্ড !

আপডেট সময় : ০২:৪৪:১৮ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৭ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ঢাকার দোহার থানার ঘাটা গ্রামে আয়েশা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় চারজনের মুত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ঢাকার অষ্টম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আহসান তারিক এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডিতরা হলেন- শাহনাজ বেগম, রাজন খাঁ, সুমন বয়াতি ও ফজলে ওরফে ফজল। রায় ঘোষণার সময় আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। এদের মধ্যে শাহনাজ বেগম ও ফজল আপন ভাই-বোন এবং অপর দুই আসামি ফজলের বন্ধু।

রায়ে আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া রায়ের বিরুদ্ধে আসামিদের আপিলের জন্য সাত দিনের সময়ও দিয়েছেন আদালত।

রায়ে মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মাহফুজা বেগম সাঈদা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসেন, খন্দকার সিদ্দিকুর রহমান ও শাহনাজ সাথী অসন্তোষ প্রকাশ করে উচ্চ আদালতে আপিল করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ইফতারের সময় দোহারের ঘাটা গ্রামে নিজ বাড়িতে ভাড়াটিয়া শাহনাজ বেগম তার সহযোগীদের নিয়ে বৃদ্ধা আয়েশা বেগমের গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করেন। হত্যার পর আসামিরা নিহতের শরীরে থাকা দুই ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। ঘটনার পর দিন নিহতের ছেলে আব্দুল কুদ্দুছ বাদী হয়ে দোহার থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটি তদন্তের পর দোহার থানার এসআই মজিবুর রহমান চার আসামির বিরুদ্ধে ওই বছর ১৭ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি তদন্তাধীন অবস্থায় চার আসামি গ্রেপ্তার হয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

২০০৯ সালের ৪ মার্চ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন। বিচারকালে আদালত মামলাটির ২৬ সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।