বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ

কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

খুলনার কয়রা উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বাবুল আকতারের বিরুদ্ধে জমির মালিকানা নিয়ে তদন্তের প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বামিয়া মৌজার ৫.৯৪ একর জমির ভোগদখল সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় কয়রা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উপজেলার কাটনিয়া গ্রামের আতিয়ার সানা লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখিত উপজেলার বামিয়া মৌজায় ৫.৯৪ একর জমির মধ্যে ৫.৬১ একর জমি তিনিসহ তার অন্য ৫ ভাইবোনের নামে ভূমি অফিস থেকে ইজারা নিয়ে গত ২০০৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ভোগদখলে আছেন। চলতি বছর আমন ধান রোপন মৌসুমে উপজেলার ঘুগরাকাটি গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ সানার মেয়ে রাবেয়া খাতুন দলবল নিয়ে ওই জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে ওই জমিতে প্রতি বছরের মতো এবারও তারা (আতিয়ার সানা) চাষাবাদ শেষে ধান রোপন করেন। কিন্তু ধান কাটার মৌসুমে তাদের চাষাবাদ করা ধান কেটে নেওয়ার জন্য রাবেয়া খাতুন ফের দলবল নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে তাদের পরিবারের কয়েকজন গুরুত্বর আহত হয়। পরে এ বিষয়ে কয়রা থানায় মামলা করা হয়। ধান কাটতে ব্যর্থ হয়ে রাবেয়া খাতুন বাদী হয়ে নির্বাহী আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত জমির ধান কয়রা থানার ওসির জিম্মায় রাখার আদেশ দেন। পরবর্তিতে জমির প্রকৃত ভোগদখলদার নির্ধারণের জন্য নির্বাহী আদালতের বিচারক ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। সার্ভেয়ার বাবুল আকতার এক পক্ষের কাছ থেকে প্রভাবিত হয়ে গত ২১ জানুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আতিয়ার সানা আরও বলেন, সরকারি ‘ক’ তফসীলভুক্ত জমি ইজারা নিয়ে প্রতিবছর রাজস্ব জমা দিয়ে আমরা ভোগদখল করে আসছি। এ বছর হঠাৎ রাবেয়া খাতুন নামে একজন নারী দলবল নিয়ে জমি দখলে নিতে চেষ্টা করেন। অথচ তিনি কখনই এই জমির স্বত্ত দখলদার ছিলেন না। তাছাড়া তিনি অথবা তার পরিবারের কারো নামে এই জমির ইজারা নাই। তারা এলাকার একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে জমি দখল নিতে মরিয়া হয়েছেন। ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার সেই প্রভাবশালী মহলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এক পক্ষীয় প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে অভিযোগ তার।
জানতে চাইলে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বাবুল আকতার বলেন, আদালতের নির্দেশনা মেনে সরেজমিন তদন্তে গিয়ে ধান চাষ সংক্রান্ত বিষয়ে যা জানতে পেরেছি সেভাবেই প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে জমির মালিকানা নিয়ে কিছুই বলা হয়নি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৮:১১:৫৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২৬
খুলনার কয়রা উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বাবুল আকতারের বিরুদ্ধে জমির মালিকানা নিয়ে তদন্তের প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার বামিয়া মৌজার ৫.৯৪ একর জমির ভোগদখল সংক্রান্ত একটি মামলার তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১২টায় কয়রা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে উপজেলার কাটনিয়া গ্রামের আতিয়ার সানা লিখিত বক্তব্যে এমন অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি জানিয়েছেন, তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখিত উপজেলার বামিয়া মৌজায় ৫.৯৪ একর জমির মধ্যে ৫.৬১ একর জমি তিনিসহ তার অন্য ৫ ভাইবোনের নামে ভূমি অফিস থেকে ইজারা নিয়ে গত ২০০৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ভোগদখলে আছেন। চলতি বছর আমন ধান রোপন মৌসুমে উপজেলার ঘুগরাকাটি গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদ সানার মেয়ে রাবেয়া খাতুন দলবল নিয়ে ওই জমি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে ওই জমিতে প্রতি বছরের মতো এবারও তারা (আতিয়ার সানা) চাষাবাদ শেষে ধান রোপন করেন। কিন্তু ধান কাটার মৌসুমে তাদের চাষাবাদ করা ধান কেটে নেওয়ার জন্য রাবেয়া খাতুন ফের দলবল নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে তাদের পরিবারের কয়েকজন গুরুত্বর আহত হয়। পরে এ বিষয়ে কয়রা থানায় মামলা করা হয়। ধান কাটতে ব্যর্থ হয়ে রাবেয়া খাতুন বাদী হয়ে নির্বাহী আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত জমির ধান কয়রা থানার ওসির জিম্মায় রাখার আদেশ দেন। পরবর্তিতে জমির প্রকৃত ভোগদখলদার নির্ধারণের জন্য নির্বাহী আদালতের বিচারক ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। সার্ভেয়ার বাবুল আকতার এক পক্ষের কাছ থেকে প্রভাবিত হয়ে গত ২১ জানুয়ারি আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে আতিয়ার সানা আরও বলেন, সরকারি ‘ক’ তফসীলভুক্ত জমি ইজারা নিয়ে প্রতিবছর রাজস্ব জমা দিয়ে আমরা ভোগদখল করে আসছি। এ বছর হঠাৎ রাবেয়া খাতুন নামে একজন নারী দলবল নিয়ে জমি দখলে নিতে চেষ্টা করেন। অথচ তিনি কখনই এই জমির স্বত্ত দখলদার ছিলেন না। তাছাড়া তিনি অথবা তার পরিবারের কারো নামে এই জমির ইজারা নাই। তারা এলাকার একটি প্রভাবশালী মহলের ইন্ধনে জমি দখল নিতে মরিয়া হয়েছেন। ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার সেই প্রভাবশালী মহলের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এক পক্ষীয় প্রতিবেদন দিয়েছেন বলে অভিযোগ তার।
জানতে চাইলে উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার বাবুল আকতার বলেন, আদালতের নির্দেশনা মেনে সরেজমিন তদন্তে গিয়ে ধান চাষ সংক্রান্ত বিষয়ে যা জানতে পেরেছি সেভাবেই প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে জমির মালিকানা নিয়ে কিছুই বলা হয়নি।