বুধবার | ৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম। Logo ঝিনাইদহ স্টুডেন্ট ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’র নেতৃত্বে রাতুল-তৌকির Logo চাঁদপুর সেন্ট্রাল রোটারি ক্লাবের রামাদান খাদ্য সামগ্রী বিতরণ Logo সুন্দরবন-এ বিশেষ অভিযানে জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১ সদস্য আটক, অস্ত্র-গুলিসহ উদ্ধার Logo সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অপু চৌধুরীর কৃতজ্ঞতা Logo সুন্দরবন-এ শুরু হলো গোলপাতা আহরণ মৌসুম Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী

শিশুকে যেভাবে শোয়াবেন

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  • ৮২৯ বার পড়া হয়েছে
শিশুকে শোয়ানো নিয়ে অনেক কুসংস্কার আছে। কীভাবে শোয়াব, কী রকম বালিশ ব্যবহার করব, কেমন করে শোয়ালে মাথা গোল আর সুন্দর হয় এমন নানান ভাবনা অনেকের মধ্যে রয়েছে। ঠিকভাবে না শোয়ানো হলে শিশুর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়।

শিশুকে সঠিকভাবে শোয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ  ডা. শামীমা ইয়াসমীন।

নবজাতকদের দিনরাতের বেশির ভাগ সময় ঘুমিয়ে কাটে। তারা দিনরাত মিলিয়ে ১০ থেকে ১৮ ঘণ্টা ঘুমিয়ে থাকে। ক্ষুধা বা অন্য কোনো অসুবিধা হলে জেগে ওঠে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিশুরা দিন ও রাতের পার্থক্য বুঝতে-শিখতে শুরু করে।

গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, বাচ্চারা মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমালে কোনো ক্ষতি নেই। বরং এতে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে অর্থাৎ হঠাৎ শরীরের তাপ কমে গিয়ে বিপদ ঘটে না। আবার মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমানোর ফলে বুকের দুধ খাওয়ানোও সহজ হয়।শিশুকে ঘুম পাড়ানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন কাত বা চিত করে শোয়ানো হয়। কখনোই উপুড় করে শোয়ানো উচিত নয়। উপুড় করে শোয়ালে বাচ্চার নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে, বুকেও চাপ লাগতে পারে। নির্দিষ্ট একটি দিকে কাত করে অনেকক্ষণ না রেখে মাঝেমধ্যে এপাশ-ওপাশ করে দিন। অবশ্য যদি কখনো বমি বেশি হয়, তখন বাম দিকে কাত করে শোয়ালে ভালো হয়।

অনেকেই বাচ্চাকে কোলে দুলিয়ে ঘুম পাড়ান। এতে পরে অসুবিধা হয়। কারণ এতে সে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে এবং বিছানায় শোয়ালেই জেগে ওঠে। শরীর খারাপ থাকলে, বিশেষ করে পেটে ব্যথা হলে শিশুদের ঘুমের সমস্যা হয়। তখন কোলে নিয়ে কাঁধে মাথা রেখে ঘুম পাড়ালে আরাম পায়। শিশুদের জন্য সবচেয়ে ভালো হলো বালিশ ছাড়া আরামদায়ক বিছানায় শোয়ানো। বালিশ ব্যবহার করলে ঘুমানোর সময় শিশুর ঘাড় ও গলা বেঁকে যায় বা ভাঁজ পড়ে, এতে নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হয়।

বাচ্চার যদি ঘুমের মধ্যে নাকে শব্দ হয়, তবে বুঝতে হবে শ্বাসনালিতে বাধা তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে গলায় বা নাকে কিছু আছে কি না, দেখে সেটা পরিষ্কার করে দিন। শিশুকে বিছানার যে পাশে দেয়াল আছে, সেদিকে শোয়ান।

শিশুদের জন্য আলাদা আরামদায়ক কাস্টমাইজড বেড পাওয়া যায় বাজারে। এসব বিছানায়ও শিশুকে শোয়াতে পারেন। শিশুর ঘুমের সময় আশপাশে কেউ ধূমপান করছে কি না খেয়াল রাখতে হবে। এতে শিশুর ঘুমসহ শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা হতে পারে। শিশুর ঘুমের সময় বিছানা থেকে ওর কাপড়ের খেলনা, পুতুল, অতিরিক্ত কাঁথা ও বালিশ সরিয়ে রাখতে হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবির সিরাজগঞ্জ এসোসিয়েশনের নতুন নেতৃত্বে মমিন ও সিয়াম।

শিশুকে যেভাবে শোয়াবেন

আপডেট সময় : ১০:৪৪:৪৩ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
শিশুকে শোয়ানো নিয়ে অনেক কুসংস্কার আছে। কীভাবে শোয়াব, কী রকম বালিশ ব্যবহার করব, কেমন করে শোয়ালে মাথা গোল আর সুন্দর হয় এমন নানান ভাবনা অনেকের মধ্যে রয়েছে। ঠিকভাবে না শোয়ানো হলে শিশুর ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে, বৃদ্ধিও ব্যাহত হয়।

শিশুকে সঠিকভাবে শোয়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ  ডা. শামীমা ইয়াসমীন।

নবজাতকদের দিনরাতের বেশির ভাগ সময় ঘুমিয়ে কাটে। তারা দিনরাত মিলিয়ে ১০ থেকে ১৮ ঘণ্টা ঘুমিয়ে থাকে। ক্ষুধা বা অন্য কোনো অসুবিধা হলে জেগে ওঠে। বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিশুরা দিন ও রাতের পার্থক্য বুঝতে-শিখতে শুরু করে।

গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, বাচ্চারা মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমালে কোনো ক্ষতি নেই। বরং এতে শিশুর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে অর্থাৎ হঠাৎ শরীরের তাপ কমে গিয়ে বিপদ ঘটে না। আবার মায়ের সঙ্গে একই বিছানায় ঘুমানোর ফলে বুকের দুধ খাওয়ানোও সহজ হয়।শিশুকে ঘুম পাড়ানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে, যেন কাত বা চিত করে শোয়ানো হয়। কখনোই উপুড় করে শোয়ানো উচিত নয়। উপুড় করে শোয়ালে বাচ্চার নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে, বুকেও চাপ লাগতে পারে। নির্দিষ্ট একটি দিকে কাত করে অনেকক্ষণ না রেখে মাঝেমধ্যে এপাশ-ওপাশ করে দিন। অবশ্য যদি কখনো বমি বেশি হয়, তখন বাম দিকে কাত করে শোয়ালে ভালো হয়।

অনেকেই বাচ্চাকে কোলে দুলিয়ে ঘুম পাড়ান। এতে পরে অসুবিধা হয়। কারণ এতে সে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে এবং বিছানায় শোয়ালেই জেগে ওঠে। শরীর খারাপ থাকলে, বিশেষ করে পেটে ব্যথা হলে শিশুদের ঘুমের সমস্যা হয়। তখন কোলে নিয়ে কাঁধে মাথা রেখে ঘুম পাড়ালে আরাম পায়। শিশুদের জন্য সবচেয়ে ভালো হলো বালিশ ছাড়া আরামদায়ক বিছানায় শোয়ানো। বালিশ ব্যবহার করলে ঘুমানোর সময় শিশুর ঘাড় ও গলা বেঁকে যায় বা ভাঁজ পড়ে, এতে নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা হয়।

বাচ্চার যদি ঘুমের মধ্যে নাকে শব্দ হয়, তবে বুঝতে হবে শ্বাসনালিতে বাধা তৈরি হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে গলায় বা নাকে কিছু আছে কি না, দেখে সেটা পরিষ্কার করে দিন। শিশুকে বিছানার যে পাশে দেয়াল আছে, সেদিকে শোয়ান।

শিশুদের জন্য আলাদা আরামদায়ক কাস্টমাইজড বেড পাওয়া যায় বাজারে। এসব বিছানায়ও শিশুকে শোয়াতে পারেন। শিশুর ঘুমের সময় আশপাশে কেউ ধূমপান করছে কি না খেয়াল রাখতে হবে। এতে শিশুর ঘুমসহ শারীরিক ও মানসিক নানা সমস্যা হতে পারে। শিশুর ঘুমের সময় বিছানা থেকে ওর কাপড়ের খেলনা, পুতুল, অতিরিক্ত কাঁথা ও বালিশ সরিয়ে রাখতে হবে।