শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং

৫৯ বছর আগে মোসাদ গুপ্তচরের ‘ফাঁসি’, দেহাবশেষ চাইছে ইসরায়েল

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০২:৫৪:২২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৬ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৭৬৬ বার পড়া হয়েছে

এলি কোহেন একজন মোসাদের গুপ্তচর। ১৯৬২ সালে সিরিয়ার দামেস্কে ছদ্মবেশে গিয়েছিলেন। বিলাসবহুল জমকালো পার্টি দিয়ে জিতে নেন মানুষের হৃদয়। পৌঁছে যান ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের কাছাকাছি। মূলত এভাবেই তিনি নিজের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের পরিকল্পনা এঁটেছিলেন।

তার জন্ম ১৯২৪ সালে মিশরের আলেক্সজান্দ্রিয়াতে। তার পরিবার মিশরীয় ইহুদি। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হলে কোহেনের পরিবার মিশর ছেড়ে চলে আসে। ১৯৫৭ সালে জায়ানবাদী কার্যক্রমে জড়িয়ে কোহেন মিশরীয় ইহুদিদের ইসরায়েলে আসতে সহযোগিতা করে। পরবর্তীতে ইসরায়েলি গোয়েন্দা বাহিনীতে কাজ করার পর তাকে ১৯৬০ সালে মোসাদে নিয়োগ দেয়া হয়।

তিন বছর পর দামেস্কের কেন্দ্রে মারজে স্কয়ারে তাকে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মারা হয়। কারণ এলি কোহেনের আসল পরিচয় ততোদিনে জেনে যায় সিরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। এরিমধ্যে ৫৯ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এখনও তার দেহবশেষ ফেরত চায় ইসরায়েল। কারণ, মোসাদের অত্যন্ত চৌকস সদস্যদের একজন ছিলেন এলি কোহেন। ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করেছিলেন তিনি।

মোসাদে যোগ দিয়ে গুপ্তচরবৃত্তির উদ্দেশ্যে নাম বদলে হন কামাল আমিন থাবেত। বরাবরই এই গোয়েন্দা সদস্যের দেশবশেষ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় সিরিয়া।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৫৯ বছর আগে মোসাদ গুপ্তচরের ‘ফাঁসি’, দেহাবশেষ চাইছে ইসরায়েল

আপডেট সময় : ০২:৫৪:২২ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৬ জানুয়ারি ২০২৫

এলি কোহেন একজন মোসাদের গুপ্তচর। ১৯৬২ সালে সিরিয়ার দামেস্কে ছদ্মবেশে গিয়েছিলেন। বিলাসবহুল জমকালো পার্টি দিয়ে জিতে নেন মানুষের হৃদয়। পৌঁছে যান ক্ষমতাবান ব্যক্তিদের কাছাকাছি। মূলত এভাবেই তিনি নিজের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের পরিকল্পনা এঁটেছিলেন।

তার জন্ম ১৯২৪ সালে মিশরের আলেক্সজান্দ্রিয়াতে। তার পরিবার মিশরীয় ইহুদি। ১৯৪৮ সালে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হলে কোহেনের পরিবার মিশর ছেড়ে চলে আসে। ১৯৫৭ সালে জায়ানবাদী কার্যক্রমে জড়িয়ে কোহেন মিশরীয় ইহুদিদের ইসরায়েলে আসতে সহযোগিতা করে। পরবর্তীতে ইসরায়েলি গোয়েন্দা বাহিনীতে কাজ করার পর তাকে ১৯৬০ সালে মোসাদে নিয়োগ দেয়া হয়।

তিন বছর পর দামেস্কের কেন্দ্রে মারজে স্কয়ারে তাকে প্রকাশ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মারা হয়। কারণ এলি কোহেনের আসল পরিচয় ততোদিনে জেনে যায় সিরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা। এরিমধ্যে ৫৯ বছর পেরিয়ে গেছে। কিন্তু এখনও তার দেহবশেষ ফেরত চায় ইসরায়েল। কারণ, মোসাদের অত্যন্ত চৌকস সদস্যদের একজন ছিলেন এলি কোহেন। ১৯৪৮ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করেছিলেন তিনি।

মোসাদে যোগ দিয়ে গুপ্তচরবৃত্তির উদ্দেশ্যে নাম বদলে হন কামাল আমিন থাবেত। বরাবরই এই গোয়েন্দা সদস্যের দেশবশেষ ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানায় সিরিয়া।