শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং

৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরা কেনিয়ায়

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৫১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ৭৬৭ বার পড়া হয়েছে

গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরার কবলে পড়েছে আফ্রিকার দেশ কেনিয়া। খরার কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের অভাবে হাহাকার করছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশটির পরিস্থিতি ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায়।

সাম্প্রতিক সময়ে জলবায়ু সংকটের কারণে শুষ্ক ও আধা-শুষ্ক অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার অবস্থা ক্রমশই খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে, যারা কৃষি ও পশুপালনের উপর নির্ভরশীল, তারাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

জাতিসংঘের মতে, কেনিয়ার জনগণ, গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পানি সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের নিরাপদ পানির উৎসের স্থিতিশীল অ্যাক্সেস নেই। নদী, হ্রদ এবং জলাধার ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে। কেনিয়ার উত্তরাঞ্চলে, নারী ও শিশুরা মাটির নীচের অংশ থেকে অপরিষ্কার পানি সংগ্রহের জন্য প্রতিদিন বহু মাইল পায়ে হেঁটে যেতে বাধ্য হচ্ছে। তবে, বিশুদ্ধ পানির অভাবে বেশিরভাগ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

এই বছর আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত ২০২৪ সালের জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ-২৯), কেনিয়া খরা পরিস্থিতির সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে এবং দেশটিকে এই কঠিন সময় কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করার জন্য উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে আরও আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

কেনিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তুর্কানা কাউন্টিতে শুকিয়ে যাওয়া কাওয়ালাসে নদীর তীর। কেনিয়ার নদীগুলি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে, কম বৃষ্টিপাত এবং বিশ্ব উষ্ণায়ন এই ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি।

শিশুরা প্রায়শই তাদের মায়েদের সাথে বিভিন্ন এলাকায় পানি নিয়ে আসে। যেখানে পানি জমা থাকে সেখানে ম্যালেরিয়া পরজীবী বহনকারী মশা বংশবিস্তার করে। কেনিয়ার তীব্র খরা মশার জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলেও জানা গেছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরা কেনিয়ায়

আপডেট সময় : ০৯:৩৭:৫১ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৪

গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ খরার কবলে পড়েছে আফ্রিকার দেশ কেনিয়া। খরার কারণে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিশুদ্ধ পানি ও খাদ্যের অভাবে হাহাকার করছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশটির পরিস্থিতি ক্রমশ তীব্র হয়ে উঠছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানায়।

সাম্প্রতিক সময়ে জলবায়ু সংকটের কারণে শুষ্ক ও আধা-শুষ্ক অঞ্চলের বাসিন্দাদের জীবনযাত্রার অবস্থা ক্রমশই খারাপ হচ্ছে। বিশেষ করে, যারা কৃষি ও পশুপালনের উপর নির্ভরশীল, তারাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন।

জাতিসংঘের মতে, কেনিয়ার জনগণ, গত ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পানি সংকটের সম্মুখীন হচ্ছে এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের নিরাপদ পানির উৎসের স্থিতিশীল অ্যাক্সেস নেই। নদী, হ্রদ এবং জলাধার ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে। কেনিয়ার উত্তরাঞ্চলে, নারী ও শিশুরা মাটির নীচের অংশ থেকে অপরিষ্কার পানি সংগ্রহের জন্য প্রতিদিন বহু মাইল পায়ে হেঁটে যেতে বাধ্য হচ্ছে। তবে, বিশুদ্ধ পানির অভাবে বেশিরভাগ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছে।

এই বছর আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত ২০২৪ সালের জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে (কপ-২৯), কেনিয়া খরা পরিস্থিতির সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে এবং দেশটিকে এই কঠিন সময় কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করার জন্য উন্নত দেশগুলোর কাছ থেকে আরও আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

কেনিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের তুর্কানা কাউন্টিতে শুকিয়ে যাওয়া কাওয়ালাসে নদীর তীর। কেনিয়ার নদীগুলি দ্রুত শুকিয়ে যাচ্ছে, কম বৃষ্টিপাত এবং বিশ্ব উষ্ণায়ন এই ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি।

শিশুরা প্রায়শই তাদের মায়েদের সাথে বিভিন্ন এলাকায় পানি নিয়ে আসে। যেখানে পানি জমা থাকে সেখানে ম্যালেরিয়া পরজীবী বহনকারী মশা বংশবিস্তার করে। কেনিয়ার তীব্র খরা মশার জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করেছে বলেও জানা গেছে।