খালেদা জিয়া যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন, বিরতি লন্ডনে

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১০:০৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭২২ বার পড়া হয়েছে

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়া চূড়ান্ত। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য ইতোমধ্যে আঙুলের ছাপ দিয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের যেকোনো দিন চিকিৎসার জন্য দেশ ছাড়বেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পথে যুক্তরাজ্যে যাত্রাবিরতি নেবেন খালেদা জিয়া। লন্ডনে অবস্থানরত বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় এসময় থাকবেন তিনি। দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে, বেগম খালেদার জিয়ার জন্য চিকিৎসা সুবিধাসম্বলিত বিশেষ বিমান ভাড়ার বিষয় প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। দীর্ঘদিন থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড মাল্টি ডিসিপ্লিনারি সেন্টারে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছে। এ ধরনের চিকিৎসা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। তাই তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খালেদা জিয়া যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন, বিরতি লন্ডনে

আপডেট সময় : ১০:০৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়া চূড়ান্ত। যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য ইতোমধ্যে আঙুলের ছাপ দিয়েছেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহের যেকোনো দিন চিকিৎসার জন্য দেশ ছাড়বেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী।

জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র যাওয়ার পথে যুক্তরাজ্যে যাত্রাবিরতি নেবেন খালেদা জিয়া। লন্ডনে অবস্থানরত বড় ছেলে তারেক রহমানের বাসায় এসময় থাকবেন তিনি। দলের নির্ভরযোগ্য সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এদিকে, বেগম খালেদার জিয়ার জন্য চিকিৎসা সুবিধাসম্বলিত বিশেষ বিমান ভাড়ার বিষয় প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন। দীর্ঘদিন থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে। তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ড মাল্টি ডিসিপ্লিনারি সেন্টারে চিকিৎসার পরামর্শ দিয়েছে। এ ধরনের চিকিৎসা বাংলাদেশে সম্ভব নয়। তাই তাকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।