শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৩৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৪
  • ৭৫৪ বার পড়া হয়েছে

ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় নেপাল থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিন দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মো. ফাওজুল কবির খান, ভারতের বিদ্যুৎমন্ত্রী মনোহর লাল এবং নেপালের জ্বালানিমন্ত্রী দীপক খাডকা উপস্থিত ছিলেন। এ ভার্চুয়াল ইভেন্ট আয়োজন করে নেপালের জ্বালানি, জলসম্পদ ও সেচ মন্ত্রণালয়।

ভারত সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই বিদ্যুৎ সরবরাহ আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বিদ্যুৎ খাতে সংযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

চলতি বছরের মে-জুনে নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহল প্রচণ্ডের ভারত সফরে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ রপ্তানির বিষয়ে চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরে গত ৩ অক্টোবর ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, নেপাল প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।

প্রথম ধাপে নেপাল বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৪ সেন্ট (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৭ টাকা)।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র চন্দন কুমার ঘোষ বলেন, ‌‘সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠাবে তারা।‌ ‌ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কাছে নেপাল মাত্র একদিন বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে। এরপর ২০২৫ সালের ১৫ জুন থেকে আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।’

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ না থাকায় ভারতের সঞ্চালন লাইন হয়ে এই বিদ্যুৎ আসছে। তবে ভারতের গ্রিডের সঙ্গে বাংলাদেশের গ্রিডের সংযোগে খুব বেশি বাড়তি ক্যাপাসিটি না থাকায় নেপাল মাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠাতে পারবে। তবে ভবিষ্যতে সঞ্চালন লাইনের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করা হলে নেপাল আরও বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ পাঠাতে পারবে বলে জানিয়েছেন মুখপাত্র চন্দন কুমার ঘোষ।

নেপাল তাদের দুটি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠাবে। এরমধ্য ২৫ মেগাওয়াট ত্রিশূলি আর ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে চিলমি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্ট থেকে।

নেপাল ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ভারতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে তারা অতিরিক্ত জলবিদ্যুৎ উৎপন্ন করে থাকে বলে এগুলো রপ্তানি করতে পারে।

সূত্র: সিনহুয়া

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের

নেপাল থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৩৯ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৪

ত্রিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় নেপাল থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ সরবরাহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৫ নভেম্বর) এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তিন দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিতিতে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা মো. ফাওজুল কবির খান, ভারতের বিদ্যুৎমন্ত্রী মনোহর লাল এবং নেপালের জ্বালানিমন্ত্রী দীপক খাডকা উপস্থিত ছিলেন। এ ভার্চুয়াল ইভেন্ট আয়োজন করে নেপালের জ্বালানি, জলসম্পদ ও সেচ মন্ত্রণালয়।

ভারত সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই বিদ্যুৎ সরবরাহ আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বিদ্যুৎ খাতে সংযোগ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

চলতি বছরের মে-জুনে নেপালের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহল প্রচণ্ডের ভারত সফরে বাংলাদেশে জলবিদ্যুৎ রপ্তানির বিষয়ে চুক্তির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। পরে গত ৩ অক্টোবর ত্রিপক্ষীয় এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, নেপাল প্রতি বছর ১৫ জুন থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ভারতের সঞ্চালন লাইন ব্যবহার করে বাংলাদেশে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করবে।

প্রথম ধাপে নেপাল বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৪ সেন্ট (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৭ টাকা)।

নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র চন্দন কুমার ঘোষ বলেন, ‌‘সব মিলিয়ে বাংলাদেশে ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠাবে তারা।‌ ‌ত্রিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী ২০২৪ সালে বাংলাদেশের কাছে নেপাল মাত্র একদিন বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে। এরপর ২০২৫ সালের ১৫ জুন থেকে আবারও বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে।’

বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সরাসরি বৈদ্যুতিক সংযোগ না থাকায় ভারতের সঞ্চালন লাইন হয়ে এই বিদ্যুৎ আসছে। তবে ভারতের গ্রিডের সঙ্গে বাংলাদেশের গ্রিডের সংযোগে খুব বেশি বাড়তি ক্যাপাসিটি না থাকায় নেপাল মাত্র ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাঠাতে পারবে। তবে ভবিষ্যতে সঞ্চালন লাইনের ক্যাপাসিটি বৃদ্ধি করা হলে নেপাল আরও বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ পাঠাতে পারবে বলে জানিয়েছেন মুখপাত্র চন্দন কুমার ঘোষ।

নেপাল তাদের দুটি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পাঠাবে। এরমধ্য ২৫ মেগাওয়াট ত্রিশূলি আর ২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আসবে চিলমি হাইড্রোপাওয়ার প্রজেক্ট থেকে।

নেপাল ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ভারতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে তারা অতিরিক্ত জলবিদ্যুৎ উৎপন্ন করে থাকে বলে এগুলো রপ্তানি করতে পারে।

সূত্র: সিনহুয়া