শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং

মোটরসাইকেল চালিয়ে বিয়ের আসরে কনে

  • rahul raj
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৩৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২০
  • ৭৭৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:সবুজ রঙের পোশাক পরা এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী। সবাই নিজ নিজ মোটরসাইকেলে। তাদের মাঝখানে সোনালি রঙের পোশাক পরে এক কনে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। মোটরসাইকেলে করে সবাইকে নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে কনের যোগ দেওয়ার এই ছবি ও ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল। ব্যতিক্রমী আয়োজন করা এই কনের নাম ফারহানা আফরোজ। বাড়ি যশোরে।

১৩ আগস্ট ছিল ফারহানার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার জন্য আমি কিছু করিনি। আমি ঢাকাতে দেখেছি, অনেক বিয়েতে বর নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে বন্ধুবান্ধব নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যান। আমি মোটরসাইকেল চালাতে পারি। আমারও ইচ্ছে হয়েছে। আমি ইচ্ছেপূরণ করেছি। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে একটু হইচই-আনন্দ করেছি।’

গায়ে হলুদের দিনের আয়োজন সম্পর্কে ফারহানা আফরোজ বলেন, ‘যশোর শহরের ডাকঘরপাড়ার একটি বিউটি পারলার থেকে সাজসজ্জা করেছি। সেখান থেকে বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে শহরে চক্কর দিয়েছি। পরে গায়ে হলুদের আসরে গিয়েছি।’

তাঁর বাড়ি যশোর শহরের সার্কিট হাউস এলাকায়। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত তিনি যশোরের স্কুল-কলেজে পড়েছেন। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পড়ছেন। তাঁর স্বামীর বাড়ি পাবনার কাশিনাথপুরে। স্বামী পেশায় টেক্সটাইল প্রকৌশলী।

যশোরে মোটরসাইকেলে করে সবাইকে নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যোগ দেন কনে ফারহানা আফরোজ
যশোরে মোটরসাইকেলে করে সবাইকে নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যোগ দেন কনে ফারহানা আফরোজছবি: সংগৃহীত
ফেসবুকে কনের এমন ছবি দেখে ইতিবাচক-নেতিবাচক দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই মানুষ দেখিয়েছেন। যারা নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন, তাদের বিষয়ে ফারহানা আফরোজ বলেন, ‘কিছু মানুষের মানসিকতা এত নিচু, আমি আগে জানতাম না। আমার এই আনন্দ-উচ্ছ্বাস নিয়ে আমার পরিবারের সদস্যদের কোনো সমস্যা নেই। অন্যদের সমস্যা কী, বুঝতে পারছি না।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

মোটরসাইকেল চালিয়ে বিয়ের আসরে কনে

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:৩৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:সবুজ রঙের পোশাক পরা এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী। সবাই নিজ নিজ মোটরসাইকেলে। তাদের মাঝখানে সোনালি রঙের পোশাক পরে এক কনে মোটরসাইকেল চালাচ্ছেন। মোটরসাইকেলে করে সবাইকে নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে কনের যোগ দেওয়ার এই ছবি ও ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল। ব্যতিক্রমী আয়োজন করা এই কনের নাম ফারহানা আফরোজ। বাড়ি যশোরে।

১৩ আগস্ট ছিল ফারহানার গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান। তিনি বলেন, ‘ফেসবুকে ভাইরাল হওয়ার জন্য আমি কিছু করিনি। আমি ঢাকাতে দেখেছি, অনেক বিয়েতে বর নিজে মোটরসাইকেল চালিয়ে বন্ধুবান্ধব নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যান। আমি মোটরসাইকেল চালাতে পারি। আমারও ইচ্ছে হয়েছে। আমি ইচ্ছেপূরণ করেছি। বন্ধু-বান্ধব নিয়ে একটু হইচই-আনন্দ করেছি।’

গায়ে হলুদের দিনের আয়োজন সম্পর্কে ফারহানা আফরোজ বলেন, ‘যশোর শহরের ডাকঘরপাড়ার একটি বিউটি পারলার থেকে সাজসজ্জা করেছি। সেখান থেকে বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে মোটরসাইকেল চালিয়ে শহরে চক্কর দিয়েছি। পরে গায়ে হলুদের আসরে গিয়েছি।’

তাঁর বাড়ি যশোর শহরের সার্কিট হাউস এলাকায়। উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত তিনি যশোরের স্কুল-কলেজে পড়েছেন। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে পড়ছেন। তাঁর স্বামীর বাড়ি পাবনার কাশিনাথপুরে। স্বামী পেশায় টেক্সটাইল প্রকৌশলী।

যশোরে মোটরসাইকেলে করে সবাইকে নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যোগ দেন কনে ফারহানা আফরোজ
যশোরে মোটরসাইকেলে করে সবাইকে নিয়ে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যোগ দেন কনে ফারহানা আফরোজছবি: সংগৃহীত
ফেসবুকে কনের এমন ছবি দেখে ইতিবাচক-নেতিবাচক দুই ধরনের প্রতিক্রিয়াই মানুষ দেখিয়েছেন। যারা নেতিবাচক মন্তব্য করেছেন, তাদের বিষয়ে ফারহানা আফরোজ বলেন, ‘কিছু মানুষের মানসিকতা এত নিচু, আমি আগে জানতাম না। আমার এই আনন্দ-উচ্ছ্বাস নিয়ে আমার পরিবারের সদস্যদের কোনো সমস্যা নেই। অন্যদের সমস্যা কী, বুঝতে পারছি না।’