শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং

অ্যাম্বুলেন্সেও জীবিত ছিলেন সুশান্ত তদন্তে নতুন মোড়

  • আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৪৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০
  • ৭৭৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে ফের নতুন মোড়। এবার বিস্ফোরক তথ্য দিলেন অ্যাম্বুলেন্স চালক। সুশান্তের মরদেহ তার বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে এই অ্যাম্বুলেন্স চালক নিয়ে গিয়েছিলেন হাসপাতালে।

ভারতের গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুসারে, অ্যাম্বুলেন্স চালকের দাবি, অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় সুশান্ত জীবিত ছিলেন। তিনি নাকি দেখেছেন, অভিনেতার দেহ হলুদ হয়ে গিয়েছিল। ওই চালকের দাবি , সাধারণত আত্মহত্যা করলে মৃতের শরীর পুরো হলুদ হয়ে যায় না। যারা সুশান্তের মরদেহ নেয়ার জন্য তাকে ফোন করেছিলেন তারা ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলছিলেন।

অ্যাম্বুলেন্স চালক অক্ষয় ভান্ডগরের প্রশ্ন, যে মানুষ আত্মহত্যা করেছেন তার পা মোড়া থাকবে কেন? তিনি জানান সুশান্তের পায়ের নানা জায়গায় থেঁতলে যাওয়ার মতো আঘাত দেখেছেন।আত্মহত্যা করলে এই দাগ কেন থাকবে?

অ্যাম্বুলেন্সের চালক অক্ষয়ের এই বক্তব্য সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে নিঃসন্দেহে উত্তাপ বাড়াল। ভান্ডগর জানান, অ্যাম্বুল্যান্সে আত্মহত্যা করা বহু মানুষের মৃতদেহ তিনি দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করেই তার মনে হয়েছে এই মৃত্যু আত্মহত্যা নয়।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃতদেহ নামিয়ে দিয়ে আসার পর থেকেই তিনি হুমকি ফোন পাচ্ছেন বলে আগে মুম্বাইয়ের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন তিনি। তবে কে বা কারা তাকে হুমকি দিচ্ছেন, তা জানা না থাকলেও একটি আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে ক্রমাগত ফোন করা হচ্ছিল তাকে। কয়েক দিন আগে সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মুখ খোলেন অক্ষয় ভান্ডগর। যেখানে তিনি দাবি করেন, সুশান্তের মৃতদেহ বহনের জন্য তাকে ফোন করে মুম্বাই পুলিশ।

তবে নেটাগরিকদের একাংশের বক্তব্য, সুশান্ত জীবিত জেনেও তিনি তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন না কেন? পুলিশও দেখেছিল, অভিনেতার আঙুল নড়ছে। তা সত্ত্বেও কেন তার মুখে চাদর চাপা দিয়ে দেয়া হল? শ্বাস নিতে যাতে আরো কষ্ট হয়?

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

অ্যাম্বুলেন্সেও জীবিত ছিলেন সুশান্ত তদন্তে নতুন মোড়

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৪৯ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর তদন্তে ফের নতুন মোড়। এবার বিস্ফোরক তথ্য দিলেন অ্যাম্বুলেন্স চালক। সুশান্তের মরদেহ তার বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে এই অ্যাম্বুলেন্স চালক নিয়ে গিয়েছিলেন হাসপাতালে।

ভারতের গণমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুসারে, অ্যাম্বুলেন্স চালকের দাবি, অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময় সুশান্ত জীবিত ছিলেন। তিনি নাকি দেখেছেন, অভিনেতার দেহ হলুদ হয়ে গিয়েছিল। ওই চালকের দাবি , সাধারণত আত্মহত্যা করলে মৃতের শরীর পুরো হলুদ হয়ে যায় না। যারা সুশান্তের মরদেহ নেয়ার জন্য তাকে ফোন করেছিলেন তারা ফোনে অশ্রাব্য ভাষায় কথা বলছিলেন।

অ্যাম্বুলেন্স চালক অক্ষয় ভান্ডগরের প্রশ্ন, যে মানুষ আত্মহত্যা করেছেন তার পা মোড়া থাকবে কেন? তিনি জানান সুশান্তের পায়ের নানা জায়গায় থেঁতলে যাওয়ার মতো আঘাত দেখেছেন।আত্মহত্যা করলে এই দাগ কেন থাকবে?

অ্যাম্বুলেন্সের চালক অক্ষয়ের এই বক্তব্য সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে নিঃসন্দেহে উত্তাপ বাড়াল। ভান্ডগর জানান, অ্যাম্বুল্যান্সে আত্মহত্যা করা বহু মানুষের মৃতদেহ তিনি দেখেছেন। সেই অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করেই তার মনে হয়েছে এই মৃত্যু আত্মহত্যা নয়।

সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃতদেহ নামিয়ে দিয়ে আসার পর থেকেই তিনি হুমকি ফোন পাচ্ছেন বলে আগে মুম্বাইয়ের সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন তিনি। তবে কে বা কারা তাকে হুমকি দিচ্ছেন, তা জানা না থাকলেও একটি আন্তর্জাতিক নম্বর থেকে ক্রমাগত ফোন করা হচ্ছিল তাকে। কয়েক দিন আগে সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে মুখ খোলেন অক্ষয় ভান্ডগর। যেখানে তিনি দাবি করেন, সুশান্তের মৃতদেহ বহনের জন্য তাকে ফোন করে মুম্বাই পুলিশ।

তবে নেটাগরিকদের একাংশের বক্তব্য, সুশান্ত জীবিত জেনেও তিনি তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেন না কেন? পুলিশও দেখেছিল, অভিনেতার আঙুল নড়ছে। তা সত্ত্বেও কেন তার মুখে চাদর চাপা দিয়ে দেয়া হল? শ্বাস নিতে যাতে আরো কষ্ট হয়?