শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং

দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের যুদ্ধবিমান কিনছে চীন !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:০১:২৭ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৭৮১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

এবার একটি বা দুটি নয়, ২৪টি রাশিয়ান সুখোই এসউ-৩৫ কেনার কী দরকার পড়ল চীনের! ব্যাপারটা যেন অনেকেই বুঝে উঠতে পারছেন না। এই লেনদেনের আর্থিক অঙ্কের পরিমাণ শুনলে হয়তো চোখ কপালে উঠবে।
জানা যায়, চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অস্ত্র কেনাবেচার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে!

এই চুক্তির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন রাশিয়ান স্টেট কর্পোরেশনের রসটেকের ডিরেক্টর জেনারেল সের্গেই কেমেজভ। সের্গেই কেমেজভ জানিয়েছেন, খাতায়-কলমে চীনই প্রথম রাশিয়ান এসউ-৩৫ এয়ারক্রাফটের ক্রেতা হতে চলেছে। সরকারি সূত্রের খবর, চীনের অর্ডার দেওয়া ২৪টি এসউ-৩৫ বিমান তৈরি হবে রাশিয়ার পূর্ব প্রান্তে কমসমলস্ক-অন-অমুর এয়ারক্রাফ্ট প্রোডাকশন অ্যাসোসিয়েশনে। একেকটি বিমান কিনতে চীনের খরচ হবে প্রায় ৮৩-৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যদিও এই লেনদেন বর্তমান সময়ের নয়। বছরখানেক আগে রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষে আধুনিক এই রাশিয়ান ফাইটার জেট চীনের কাছে তুলে দেওয়া হবে। যদিও প্রাথমিকভাবে ১০টি যুদ্ধবিমান চীনকে দেওয়া হবে। এরপর ধীরে ধীরে তা আরও সাপ্লাই করা হবে।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর’র খবরে বলা হয়, এসউ-৩৫ (ন্যাটো যার নাম দিয়েছে ফ্ল্যাঙ্কার-ই) হল ফোর্থ জেনারেশন প্লাস প্লাস ক্যাটাগরির যুদ্ধবিমান। টুইন ইঞ্জিনে বলীয়ান, যুদ্ধে পারদর্শী মাল্টি-ফাংশানাল ফাইটার জেটটিতে রয়েছে টুইন এ এল-১১৭ টার্বোফান ইঞ্জিন। আর এই ইঞ্জিনের কারণেই নয়া জেটটি চীনের এত পছন্দ। বেইজিং গত কয়েকবছর ধরেই ফিফথ জেনারেশন যুদ্ধবিমানে লাগানোর মতো উপযুক্ত ইঞ্জিন তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু কোন প্রচেষ্টাই মনের মতো হচ্ছে না। চীনের ফিফথ জেনারেশন প্রোটোটাইপ মডেল “দ্য চেংদু জে-২০” ও “শেনইয়াং জে-৩১” ফাইটার জেটের জন্য শক্তিশালী ইঞ্জিন চাই বেজিংয়ের। এই দুটি বিমানই এখন উড়ছে রাশিয়ার পুরানো ইঞ্জিনের দৌলতে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলারের যুদ্ধবিমান কিনছে চীন !

আপডেট সময় : ১১:০১:২৭ পূর্বাহ্ণ, রবিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

এবার একটি বা দুটি নয়, ২৪টি রাশিয়ান সুখোই এসউ-৩৫ কেনার কী দরকার পড়ল চীনের! ব্যাপারটা যেন অনেকেই বুঝে উঠতে পারছেন না। এই লেনদেনের আর্থিক অঙ্কের পরিমাণ শুনলে হয়তো চোখ কপালে উঠবে।
জানা যায়, চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অস্ত্র কেনাবেচার চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে!

এই চুক্তির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন রাশিয়ান স্টেট কর্পোরেশনের রসটেকের ডিরেক্টর জেনারেল সের্গেই কেমেজভ। সের্গেই কেমেজভ জানিয়েছেন, খাতায়-কলমে চীনই প্রথম রাশিয়ান এসউ-৩৫ এয়ারক্রাফটের ক্রেতা হতে চলেছে। সরকারি সূত্রের খবর, চীনের অর্ডার দেওয়া ২৪টি এসউ-৩৫ বিমান তৈরি হবে রাশিয়ার পূর্ব প্রান্তে কমসমলস্ক-অন-অমুর এয়ারক্রাফ্ট প্রোডাকশন অ্যাসোসিয়েশনে। একেকটি বিমান কিনতে চীনের খরচ হবে প্রায় ৮৩-৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যদিও এই লেনদেন বর্তমান সময়ের নয়। বছরখানেক আগে রাশিয়ার সঙ্গে এই যুদ্ধবিমান কেনার চুক্তি হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরের শেষে আধুনিক এই রাশিয়ান ফাইটার জেট চীনের কাছে তুলে দেওয়া হবে। যদিও প্রাথমিকভাবে ১০টি যুদ্ধবিমান চীনকে দেওয়া হবে। এরপর ধীরে ধীরে তা আরও সাপ্লাই করা হবে।

কলকাতা টুয়েন্টিফোর’র খবরে বলা হয়, এসউ-৩৫ (ন্যাটো যার নাম দিয়েছে ফ্ল্যাঙ্কার-ই) হল ফোর্থ জেনারেশন প্লাস প্লাস ক্যাটাগরির যুদ্ধবিমান। টুইন ইঞ্জিনে বলীয়ান, যুদ্ধে পারদর্শী মাল্টি-ফাংশানাল ফাইটার জেটটিতে রয়েছে টুইন এ এল-১১৭ টার্বোফান ইঞ্জিন। আর এই ইঞ্জিনের কারণেই নয়া জেটটি চীনের এত পছন্দ। বেইজিং গত কয়েকবছর ধরেই ফিফথ জেনারেশন যুদ্ধবিমানে লাগানোর মতো উপযুক্ত ইঞ্জিন তৈরির চেষ্টা করছে। কিন্তু কোন প্রচেষ্টাই মনের মতো হচ্ছে না। চীনের ফিফথ জেনারেশন প্রোটোটাইপ মডেল “দ্য চেংদু জে-২০” ও “শেনইয়াং জে-৩১” ফাইটার জেটের জন্য শক্তিশালী ইঞ্জিন চাই বেজিংয়ের। এই দুটি বিমানই এখন উড়ছে রাশিয়ার পুরানো ইঞ্জিনের দৌলতে।