মঙ্গলবার | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন Logo জীবননগরে বাজার মনিটরিং অভিযান ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। Logo বিশ্ব চিন্তা দিবস ও স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতার জন্মদিনে আলোচনা সভা Logo অবৈধ বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু Logo জীবননগর বাঁকা গ্রামে বর্গা জমির কলা কাটা নিয়ে দ্বন্দ্ব বিএনপি কর্মীর মাথায় ইটের আঘাত, কানের অংশ বিচ্ছিন্ন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

🇧🇩
📅
তারিখ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়
সকাল ৭:৩০ - বিকেল ৪:৩০
🇧🇩 ঢাকা সময়
শুরু হতে বাকি
00 দিন
00 ঘন্টা
00 মিনিট
00 সেকেন্ড
ঢাকা সময় (GMT+6)

🏛️ দলীয় অবস্থান 📊

বিএনপি ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে ০ %
আসন সংখ্যা ২১২
জামাত ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ৭৭
জাপা Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা 0
আইএবি Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা

🇧🇩 সংসদ নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তথ্য 📋

🏛️
আসন সংখ্যা
২৯৯
*শেরপুর–৩ আসনে ভোট স্থগিত
🗳️
অংশগ্রহণকারী দল
৫০
*ইসিতে নিবন্ধিত
👥
মোট প্রার্থী
২,০২৮
স্বতন্ত্র প্রার্থী
২৭৩
👪
মোট ভোটার
১২,৭৭,১১,৭৯৩
*পোস্টাল ভোটার: ১৫,৩৩,৬৮২
👨
পুরুষ ভোটার
৬,৪৮,২৫,৩৬১
👩
নারী ভোটার
৬,২৮,৮৫,২০০
🏳️‍🌈
হিজড়া ভোটার
১,২৩২
গণভোট
হ্যাঁ
৬৮.১%
প্রাপ্ত ভোট: ৪.৮+ কোটি
ভোট বিতরণ৬৮.১%
না
৩১.৯%
প্রাপ্ত ভোট: ২.৩+ কোটি
ভোট বিতরণ৩১.৯%

কোরবানির হাটে সুস্থ গরু বা ছাগল চেনার উপায় !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট ২০১৭
  • ৮১১ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ঈদুল আজহা দোরগোড়ায়। ইতিমধ্যে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির হাট। কোরবানির গরু বা ছাগল কেনার আগে সুস্থ কিনা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। কেননা অসুস্থ পশু দিয়ে কোরবানি ধর্মে গ্রহণযোগ্য নয়।

একজন ‍সুস্থ ও অসুস্থ মানুষ যেমন বাহ্যিক লক্ষণ দেখে চেনা যায়, তেমনি কিছু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য খেয়াল করলে সুস্থ গরু বা ছাগল চেনা যায়। কোরবানির গরু বা ছাগল কেনার সময় যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন জেনে নিন।

আপনি প্রথমেই প্রাণীর খুব কাছে না গিয়ে নিরাপদ দূরত্ব থেকে তার গতিবিধি লক্ষ্য করুন। চলাফেরাসহ সবকিছু দেখুন। প্রথম দেখাতেই অনেক কিছু আপনার চোখে ধরা পড়বে। সে যদি নড়াচড়া বা পারিপার্শ্বিক অবস্থায় সাড়া দেয় তাহলে সুস্থতার প্রথম ধাপ পূর্ণ হবে। এরপর কাছে গিয়ে আস্তে আস্তে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন।

* শরীরের পশম : সুস্থ ও নিরোগ প্রাণীর পশম খুব চকচকে দেখায়। শরীরের চামড়ায় কোথাও কোনো ক্ষত থাকবে না। পশু যে রঙের হোক না কেন তা উজ্জ্বল দেখাবে। আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ভালো থাকলে ত্বকে কোনো ধরনের উকুন বা আঠুলি থাকবে না। আর যদি উশকোখুশকো দেখায় তাহলে ধরে নিতে পারেন  প্রাণীটি কৃমিতে আক্রান্ত।

* চলাফেরা :  প্রাণীর চলাফেরা বা অঙ্গভঙ্গি দেখে সুস্থতা বোঝা যায়। সুস্থ প্রাণী থাকবে সচেতন। আপনি যেমন পরিবেশ সম্পর্কে সজাগ থাকেন, ঠিক তেমনি তারাও পরিবেশের যে কোনো পরিস্থিতিতে সজাগ থাকবে। আপনি যদি তার দিকে এগিয়ে যান তাহলে সে পিছু হঠতে চেষ্টা করবে। তবে কিছু কিছু গরু বা ছাগল একটু রাগী মেজাজের থাকে। এটি অসুস্থতার লক্ষণ নয়।

* প্রতিক্রিয়া : ধরুন আপনি তাকে মারতে বা ভয় দেখাতে চাচ্ছেন, কিন্তু সে আপনার থেকে সরে যাচ্ছে বা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। এটা সুস্থ প্রাণীর লক্ষণ।

* শ্বাস প্রশ্বাসের স্বাভাবিকতা : সুস্থ প্রাণীর শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। খুব বেশি শ্বাস প্রশ্বাস ও অস্থিরতা অসুস্থতার লক্ষণ।

* শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক : ছোট প্রাণীতে স্বাভাবিকভাবে তাপ বেশি থাকে। যেমন ছাগল বা ভেড়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ১০১.৫-১০২.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। অন্য দিকে মহিষ ও গরুর তাপমাত্রা ১০০-১০১.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে। যদিও গরুর হাটে থার্মোমিটার দিয়ে মাপার সুযোগ সব জায়গায় থাকে না। তারপরও আপনি চাইলে বিষয়টি  নিশ্চিত হতে পারেন।

* খাবার গ্রহণের আগ্রহ : সুস্থ প্রাণীর খাবার গ্রহণে আগ্রহ থাকবে। যদি তার সামনে খাবার থাকে তাহলে সে খাবে বা আগ্রহ প্রকাশ করবে। রুমিনেন্ট বা ৪ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট প্রাণী যেমন- গরু, মহিষ, ছাগল ভেড়া এরা খাওয়ার পর পুনরায় খাবারগুলো মুখে নিয়ে আসে। অর্থাৎ জাবর কাটে। সুতরাং জাবর কাটছে এমন অবস্থা সুস্থ প্রাণীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আপনি জাবর কাটা দেখে নিশ্চিত হতে পারেন তার পরিপাকশক্তি ঠিক আছে।

* মাজেল বা নাকের নিচের অংশ ভেজা থাকবে : সুস্থ প্রাণীর আরেকটি  বৈশিষ্ট্য তার মাজেল আদ্র বা ভেজা থাকবে। আর অসুস্থ হলে তা খুব শুষ্ক থাকবে।

* পায়খানা ও প্রস্রাব : সুস্থ প্রাণীর পায়খানা হবে নির্দিষ্ট ধরনের। গরুর ক্ষেত্রে খুব পাতলা বা খুব শক্ত নয় এমন। আর মলে খুব দুর্গন্ধ থাকবে না। ছাগলের ক্ষেত্রে দানাদার ও গোল বিষ্ঠা বের হয়। প্রস্রাবের রং থাকবে হালকা, খুব বেশি গাঢ় রঙের প্রস্রাব সুস্থ প্রাণীর হবে না। পায়খানার রাস্তাসহ পেছনের পা পরিষ্কার থাকবে। কারণ ডায়রিয়া হলে পিছনের পায়ের অধিকাংশ জায়গায় লেগে থাকে।

* শরীরে পানি জমে থাকবে না : সুস্থ প্রাণীর শরীরে যদি আপনি আঙুল দিয়ে চাপ দেন, তাহলে মোটাতাজা স্বাস্থ্যের প্রাণীর ক্ষেত্রে গর্তের সৃষ্টি হবে কিন্তু ছেড়ে দিলে সঙ্গে সঙ্গে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অবৈধ হরমোনের ব্যবহার হয়ে থাকলে গর্ত থেকে যাবে অনেকক্ষণ।

* হাঁটাচলা: কেনার আগে অল্প জায়গায় হলেও হাঁটিয়ে নেবেন। এতে পায়ে সমস্যা থাকলে ধরা পড়বে।

* গর্ভপরীক্ষা নিশ্চিত করা :  কোরবানির সময় গাভী বা ছাগী কেনার আগে অবশ্যই গর্ভপরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। গর্ভ থাকলে কেনা যাবে না।
এসব বিষয় খেয়াল করলে আশা করা যায় আপনি সুস্থ ও সবল উপযুক্ত কোরবানির প্রাণী পাবেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা

কোরবানির হাটে সুস্থ গরু বা ছাগল চেনার উপায় !

আপডেট সময় : ১২:২৮:৫৮ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৯ আগস্ট ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ঈদুল আজহা দোরগোড়ায়। ইতিমধ্যে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির হাট। কোরবানির গরু বা ছাগল কেনার আগে সুস্থ কিনা নিশ্চিত হওয়া জরুরি। কেননা অসুস্থ পশু দিয়ে কোরবানি ধর্মে গ্রহণযোগ্য নয়।

একজন ‍সুস্থ ও অসুস্থ মানুষ যেমন বাহ্যিক লক্ষণ দেখে চেনা যায়, তেমনি কিছু বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য খেয়াল করলে সুস্থ গরু বা ছাগল চেনা যায়। কোরবানির গরু বা ছাগল কেনার সময় যে বিষয়গুলো লক্ষ্য করবেন জেনে নিন।

আপনি প্রথমেই প্রাণীর খুব কাছে না গিয়ে নিরাপদ দূরত্ব থেকে তার গতিবিধি লক্ষ্য করুন। চলাফেরাসহ সবকিছু দেখুন। প্রথম দেখাতেই অনেক কিছু আপনার চোখে ধরা পড়বে। সে যদি নড়াচড়া বা পারিপার্শ্বিক অবস্থায় সাড়া দেয় তাহলে সুস্থতার প্রথম ধাপ পূর্ণ হবে। এরপর কাছে গিয়ে আস্তে আস্তে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন।

* শরীরের পশম : সুস্থ ও নিরোগ প্রাণীর পশম খুব চকচকে দেখায়। শরীরের চামড়ায় কোথাও কোনো ক্ষত থাকবে না। পশু যে রঙের হোক না কেন তা উজ্জ্বল দেখাবে। আর পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ভালো থাকলে ত্বকে কোনো ধরনের উকুন বা আঠুলি থাকবে না। আর যদি উশকোখুশকো দেখায় তাহলে ধরে নিতে পারেন  প্রাণীটি কৃমিতে আক্রান্ত।

* চলাফেরা :  প্রাণীর চলাফেরা বা অঙ্গভঙ্গি দেখে সুস্থতা বোঝা যায়। সুস্থ প্রাণী থাকবে সচেতন। আপনি যেমন পরিবেশ সম্পর্কে সজাগ থাকেন, ঠিক তেমনি তারাও পরিবেশের যে কোনো পরিস্থিতিতে সজাগ থাকবে। আপনি যদি তার দিকে এগিয়ে যান তাহলে সে পিছু হঠতে চেষ্টা করবে। তবে কিছু কিছু গরু বা ছাগল একটু রাগী মেজাজের থাকে। এটি অসুস্থতার লক্ষণ নয়।

* প্রতিক্রিয়া : ধরুন আপনি তাকে মারতে বা ভয় দেখাতে চাচ্ছেন, কিন্তু সে আপনার থেকে সরে যাচ্ছে বা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। এটা সুস্থ প্রাণীর লক্ষণ।

* শ্বাস প্রশ্বাসের স্বাভাবিকতা : সুস্থ প্রাণীর শ্বাস প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। খুব বেশি শ্বাস প্রশ্বাস ও অস্থিরতা অসুস্থতার লক্ষণ।

* শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক : ছোট প্রাণীতে স্বাভাবিকভাবে তাপ বেশি থাকে। যেমন ছাগল বা ভেড়ার ক্ষেত্রে স্বাভাবিক তাপমাত্রা ১০১.৫-১০২.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। অন্য দিকে মহিষ ও গরুর তাপমাত্রা ১০০-১০১.৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত স্বাভাবিক থাকে। যদিও গরুর হাটে থার্মোমিটার দিয়ে মাপার সুযোগ সব জায়গায় থাকে না। তারপরও আপনি চাইলে বিষয়টি  নিশ্চিত হতে পারেন।

* খাবার গ্রহণের আগ্রহ : সুস্থ প্রাণীর খাবার গ্রহণে আগ্রহ থাকবে। যদি তার সামনে খাবার থাকে তাহলে সে খাবে বা আগ্রহ প্রকাশ করবে। রুমিনেন্ট বা ৪ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট প্রাণী যেমন- গরু, মহিষ, ছাগল ভেড়া এরা খাওয়ার পর পুনরায় খাবারগুলো মুখে নিয়ে আসে। অর্থাৎ জাবর কাটে। সুতরাং জাবর কাটছে এমন অবস্থা সুস্থ প্রাণীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য। আপনি জাবর কাটা দেখে নিশ্চিত হতে পারেন তার পরিপাকশক্তি ঠিক আছে।

* মাজেল বা নাকের নিচের অংশ ভেজা থাকবে : সুস্থ প্রাণীর আরেকটি  বৈশিষ্ট্য তার মাজেল আদ্র বা ভেজা থাকবে। আর অসুস্থ হলে তা খুব শুষ্ক থাকবে।

* পায়খানা ও প্রস্রাব : সুস্থ প্রাণীর পায়খানা হবে নির্দিষ্ট ধরনের। গরুর ক্ষেত্রে খুব পাতলা বা খুব শক্ত নয় এমন। আর মলে খুব দুর্গন্ধ থাকবে না। ছাগলের ক্ষেত্রে দানাদার ও গোল বিষ্ঠা বের হয়। প্রস্রাবের রং থাকবে হালকা, খুব বেশি গাঢ় রঙের প্রস্রাব সুস্থ প্রাণীর হবে না। পায়খানার রাস্তাসহ পেছনের পা পরিষ্কার থাকবে। কারণ ডায়রিয়া হলে পিছনের পায়ের অধিকাংশ জায়গায় লেগে থাকে।

* শরীরে পানি জমে থাকবে না : সুস্থ প্রাণীর শরীরে যদি আপনি আঙুল দিয়ে চাপ দেন, তাহলে মোটাতাজা স্বাস্থ্যের প্রাণীর ক্ষেত্রে গর্তের সৃষ্টি হবে কিন্তু ছেড়ে দিলে সঙ্গে সঙ্গে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অবৈধ হরমোনের ব্যবহার হয়ে থাকলে গর্ত থেকে যাবে অনেকক্ষণ।

* হাঁটাচলা: কেনার আগে অল্প জায়গায় হলেও হাঁটিয়ে নেবেন। এতে পায়ে সমস্যা থাকলে ধরা পড়বে।

* গর্ভপরীক্ষা নিশ্চিত করা :  কোরবানির সময় গাভী বা ছাগী কেনার আগে অবশ্যই গর্ভপরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে। গর্ভ থাকলে কেনা যাবে না।
এসব বিষয় খেয়াল করলে আশা করা যায় আপনি সুস্থ ও সবল উপযুক্ত কোরবানির প্রাণী পাবেন।