মঙ্গলবার | ৩ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল Logo শতাধিক রোজাদারদের মুখে হাসি ফোটালেন বিজয়ীর ফাউন্ডার তানিয়া ইশতিয়াক খান Logo পলাশবাড়ীতে স্বামীর নির্যাতনের শিকার গৃহবধূর মৃত্যু!! আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা Logo পলাশবাড়ী পৌর শহরে সড়কের গাছ চুরি চিহৃিন্ত চক্র আইনি ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী Logo এসিএস ইন্টারন্যাশনাল স্টুডেন্ট চাপ্টার খুলনা ইউনিভার্সিটি’র নেতৃত্বে শাহরিয়ার-কমানিং Logo বেরোবি জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তা ফোরাম নেতৃত্বে রোকনুজ্জামান – মামদুদুর  Logo শ্যামনগরে প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন Logo যশোর বেনাপোল দিয়ে ভারত থেকে আসলো আওয়ামী লীগের সাবেক এমপির মরদেহ Logo জীবননগরে পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে সুলভ মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

হাবিপ্রবিতে মশার উপদ্রবে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা, ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:১৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৭৪ বার পড়া হয়েছে
হাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে আবাসিক হলগুলোতে সন্ধ্যার পর থেকে মশার আক্রমণে স্বাভাবিক পড়ালেখা, বিশ্রাম ও দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হলের নিচতলা ও আশপাশের এলাকায় মশার সংখ্যা ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলগুলোর সামনে কিছুটা পরিষ্কার করা হলেও পেছনের অংশ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়েছে। সেসব জায়গায় আবর্জনার স্তূপ জমে তৈরি হয়েছে নোংরা পরিবেশ, যা শুধু মশাই নয়, বিভিন্ন পোকামাকড় ও মাঝে মাঝে বিষধর সাপের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে।
আবাসিক শিক্ষার্থী তানভীর হাসান তন্ময় বলেন, “হলের রুমে ঠিকমতো থাকা যায় না। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর মশার আক্রমণ সহ্য করা অসম্ভব হয়ে যায়। শুধু সন্ধ্যায় নয়, দিনের বেলাতেও মশার অত্যাচারে রুমে থাকা যায় না। ক্যাম্পাসে ফগিং বা লার্ভিসাইডিংয়ের কোনো কার্যক্রম দেখা যায় না।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. শামসুজ্জোহা বলেন, “এই বিষয়টি আমরা প্রশাসনকে আগে থেকেই জানিয়ে আসছি। কিন্তু তারা বাজেট, লোকবল আর ওষুধ সংকটের কথা বলছে। তারপরও আমরা শিক্ষার্থীদের নিশ্চিত করছি, বিষয়টি সমাধানে শিগগিরই উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
অন্যদিকে ডেপুটি চিফ ফার্ম সুপারিনটেনডেন্ট এস. এইচ. এম. গোলাম সরোয়ার বলেন, “এটা সরাসরি আমাদের বিভাগের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। হলগুলোর মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ মূলত হল সুপারের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়। হলগুলোর কাছেই স্প্রে করার ব্যবস্থা থাকে এবং তারাই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকে।”
জিয়া হলের হল সুপার ডঃ আবু খায়ের মোঃ মুক্তাদিরুল বারী চৌধুরীর সঙ্গে কথা বললে বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে
শিক্ষার্থীদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে শীতের মৌসুমেও ডেঙ্গুসহ নানা মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে। ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা, মশা নিধন কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা জোরদার করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

তারকা ও ভক্তদের হৃদয়ের বন্ধন: সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ইফতার মাহফিল

হাবিপ্রবিতে মশার উপদ্রবে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা, ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের

আপডেট সময় : ০৩:১৫:১৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
হাবিপ্রবি প্রতিনিধি:
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) মশার উপদ্রব আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিশেষ করে আবাসিক হলগুলোতে সন্ধ্যার পর থেকে মশার আক্রমণে স্বাভাবিক পড়ালেখা, বিশ্রাম ও দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
ক্যাম্পাসের বিভিন্ন হলের নিচতলা ও আশপাশের এলাকায় মশার সংখ্যা ভয়াবহ মাত্রায় পৌঁছেছে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, হলগুলোর সামনে কিছুটা পরিষ্কার করা হলেও পেছনের অংশ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত রয়েছে। সেসব জায়গায় আবর্জনার স্তূপ জমে তৈরি হয়েছে নোংরা পরিবেশ, যা শুধু মশাই নয়, বিভিন্ন পোকামাকড় ও মাঝে মাঝে বিষধর সাপের আবাসস্থলে পরিণত হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ার পাশাপাশি আতঙ্কও ছড়িয়ে পড়েছে।
আবাসিক শিক্ষার্থী তানভীর হাসান তন্ময় বলেন, “হলের রুমে ঠিকমতো থাকা যায় না। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর মশার আক্রমণ সহ্য করা অসম্ভব হয়ে যায়। শুধু সন্ধ্যায় নয়, দিনের বেলাতেও মশার অত্যাচারে রুমে থাকা যায় না। ক্যাম্পাসে ফগিং বা লার্ভিসাইডিংয়ের কোনো কার্যক্রম দেখা যায় না।”
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. শামসুজ্জোহা বলেন, “এই বিষয়টি আমরা প্রশাসনকে আগে থেকেই জানিয়ে আসছি। কিন্তু তারা বাজেট, লোকবল আর ওষুধ সংকটের কথা বলছে। তারপরও আমরা শিক্ষার্থীদের নিশ্চিত করছি, বিষয়টি সমাধানে শিগগিরই উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
অন্যদিকে ডেপুটি চিফ ফার্ম সুপারিনটেনডেন্ট এস. এইচ. এম. গোলাম সরোয়ার বলেন, “এটা সরাসরি আমাদের বিভাগের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। হলগুলোর মশা নিয়ন্ত্রণের কাজ মূলত হল সুপারের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়। হলগুলোর কাছেই স্প্রে করার ব্যবস্থা থাকে এবং তারাই এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্বে থাকে।”
জিয়া হলের হল সুপার ডঃ আবু খায়ের মোঃ মুক্তাদিরুল বারী চৌধুরীর সঙ্গে কথা বললে বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে
শিক্ষার্থীদের দাবি, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে শীতের মৌসুমেও ডেঙ্গুসহ নানা মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি আরও বেড়ে যেতে পারে। ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা, মশা নিধন কার্যক্রম, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তা জোরদার করে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়েছে।