শনিবার | ১৪ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি ফুটাল ‘স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আলোর দিশা Logo চাঁদপুরে প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনস্টিক অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল Logo অমর একুশে বইমেলায় খুবি শিক্ষার্থীর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘তোমার শহরে কারফিউ’ Logo বীরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় ২জন নিহত, আহত ৭ Logo কটকা ট্রাজেডিতে শহীদদের স্মরণে খুবিতে শোক দিবস পালন Logo চাঁদপুরে এলজিইডির নতুন নির্বাহী প্রকৌশলী মনোয়ার উদ্দিন Logo ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি: ৫ শতাধিক পরিবারের মাঝে উপহার দিলেন শেখ আবদুল্লাহ Logo সাহসী কলমে পথচলা: চাঁদপুরের একমাত্র নারী সাংবাদিক সাবিত্রী রানী ঘোষ Logo চাঁদপুর এলজিইডিতে সম্মাননা অনুষ্ঠান: বিদায়ী নির্বাহী প্রকৌশলীকে শ্রদ্ধা, নবাগতকে স্বাগত Logo কয়রায় পাথরখালী আগারঘেরী খালের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন

নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের সাহিত্য আড্ডা

oppo_0

যুবসমাজকে বইমুখী করতে ‘প্রাণের শক্তি বাড়ায় বই, বই পড়ে মানুষ হই’-স্লোগানে গত ১০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে প্যাপিরাস পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি সপ্তায় দেশবরেণ্য কবি-সাহিত্যিকদের স্মরণে সাহিত্য আড্ডার আয়োজন করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এবারের আড্ডা আবর্তিত ছিলো নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদকে ঘিরে।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় চাঁদপুর শৃহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ চাঁদ টাওয়ারে অবস্থিত প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পাঠাগারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ শাহ আলমের সভাপতিত্বে ও প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপনের সঞ্চালনায় কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে আলোচনা করেন পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি, উপদেষ্টা দিলীপ ঘোষ, নির্বাহী সদস্য নাজমুল ইসলাম, বংশিবাদক বেলাল শেখ, খেলাফত মজলিশের চাঁদপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষালোর প্রতিষ্ঠাতা লিটন পাটওয়ারী, সাহিত্যানুরাগী আকবর হোসেন লিটন ও সাইফুল ইসলাম রাজিব।

পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, হুমায়ূন আহমেদ শুধু কথাসাহিত্যিকই ছিলেন না, তিনি একজন দক্ষ গীতিকারও ছিলেন। ‘ও আমার উড়াল পংখী রে’, ‘একটা ছিলো সোনার কন্যা’, ‘যদি মন কাঁদে তুমি চলে এসো এক বরষায়’ তাঁর লেখা এমন অসংখ্য গান কোটি কোটি মানুষের মন জয় করেছে। বাংলা নাটকের নতুন ধারা তৈরি করেছেন হুমায়ূন আহমেদ। তাঁর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দেশবরেণ্য অনেক শিল্পী ও অভিনেতা। হাস্যরসের ভেতর দিয়ে তিনি সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। ব্যতিক্রম ধারার বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন তিনি। যা বাংলা সিনেমার ইতিহাসকে ব্যাপকভাবে সমৃদ্ধ করেছে। বাংলার ঘরে ঘরে তার গল্প-উপন্যাসের গ্রন্থ এমন ভাবে ঢুকে পড়েছে যে, আর কোনো সাহিত্যিকের বেলায় এমনটা চোখে পড়ে না।সভাপ্রধান মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, হুমায়ূন আহমেদ গল্প-উপন্যাস এবং নাটকে মধ্যবিত্ত ও নি¤œমধ্যবিত্ত মানুষের জীবনধারা অত্যন্ত শৈল্পিকভাবে তুলে ধরেছেন। রম্যরসিকতার মাধ্যমে মুখোশধারী সমাজের কুৎসিত চিত্র উন্মোচন করেছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি হুমায়ূন আহমেদের জীবন ও সাহিত্য সম্পর্কে প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন বক্তারা।

সব শেষে ফলচক্রের আয়োজন করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

দরিদ্র পরিবারের মুখে হাসি ফুটাল ‘স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘আলোর দিশা

নন্দিত কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে প্যাপিরাস পাঠাগারের সাহিত্য আড্ডা

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৪৪ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

যুবসমাজকে বইমুখী করতে ‘প্রাণের শক্তি বাড়ায় বই, বই পড়ে মানুষ হই’-স্লোগানে গত ১০ অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে প্যাপিরাস পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতি সপ্তায় দেশবরেণ্য কবি-সাহিত্যিকদের স্মরণে সাহিত্য আড্ডার আয়োজন করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। এবারের আড্ডা আবর্তিত ছিলো নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদকে ঘিরে।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টায় চাঁদপুর শৃহরের জেএম সেনগুপ্ত রোডস্থ চাঁদ টাওয়ারে অবস্থিত প্যাপিরাস পাঠাগার কার্যালয়ে নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ স্মরণে সাহিত্য আড্ডা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পাঠাগারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ শাহ আলমের সভাপতিত্বে ও প্রধান পরিচালক মিজানুর রহমান স্বপনের সঞ্চালনায় কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমেদের ‘জীবন ও সাহিত্য’ সম্পর্কে আলোচনা করেন পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি, উপদেষ্টা দিলীপ ঘোষ, নির্বাহী সদস্য নাজমুল ইসলাম, বংশিবাদক বেলাল শেখ, খেলাফত মজলিশের চাঁদপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষালোর প্রতিষ্ঠাতা লিটন পাটওয়ারী, সাহিত্যানুরাগী আকবর হোসেন লিটন ও সাইফুল ইসলাম রাজিব।

পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রণি বলেন, হুমায়ূন আহমেদ শুধু কথাসাহিত্যিকই ছিলেন না, তিনি একজন দক্ষ গীতিকারও ছিলেন। ‘ও আমার উড়াল পংখী রে’, ‘একটা ছিলো সোনার কন্যা’, ‘যদি মন কাঁদে তুমি চলে এসো এক বরষায়’ তাঁর লেখা এমন অসংখ্য গান কোটি কোটি মানুষের মন জয় করেছে। বাংলা নাটকের নতুন ধারা তৈরি করেছেন হুমায়ূন আহমেদ। তাঁর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দেশবরেণ্য অনেক শিল্পী ও অভিনেতা। হাস্যরসের ভেতর দিয়ে তিনি সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন। ব্যতিক্রম ধারার বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন তিনি। যা বাংলা সিনেমার ইতিহাসকে ব্যাপকভাবে সমৃদ্ধ করেছে। বাংলার ঘরে ঘরে তার গল্প-উপন্যাসের গ্রন্থ এমন ভাবে ঢুকে পড়েছে যে, আর কোনো সাহিত্যিকের বেলায় এমনটা চোখে পড়ে না।সভাপ্রধান মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, হুমায়ূন আহমেদ গল্প-উপন্যাস এবং নাটকে মধ্যবিত্ত ও নি¤œমধ্যবিত্ত মানুষের জীবনধারা অত্যন্ত শৈল্পিকভাবে তুলে ধরেছেন। রম্যরসিকতার মাধ্যমে মুখোশধারী সমাজের কুৎসিত চিত্র উন্মোচন করেছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে কিংবদন্তি হুমায়ূন আহমেদের জীবন ও সাহিত্য সম্পর্কে প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন বক্তারা।

সব শেষে ফলচক্রের আয়োজন করা হয়।