বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ Logo খুবিতে ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo প্রতীক পেলেন চাঁদপুরের পাঁচ আসনের ৩৫ প্রার্থী, জমে উঠছে নির্বাচনী মাঠ Logo সংসদ নির্বাচন: ৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১,৯৬৭ প্রার্থী

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:২১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ৮১১ বার পড়া হয়েছে

বিনোদন প্রতিবেদক: উপমহাদেশের সংগীতে আবারও জ্বলে উঠছে নীল আলো। বাংলাদেশের গীতিকবি ড. সাবরিনা রুবিন এবং ভারতের সংগীত–দেবী শুভমিতা ব্যানার্জি—দুই দেশের দুই শিল্পপ্রতিভা একত্রে তৈরি করেছেন নতুন গান “এখানেই সব কথা শেষ হোক”। দেব গৌতমের সুর–সংগীতে নির্মিত এই গানটি খুব শিগগিরই ভারতের শীর্ষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, আর তাতেই পুরোনো সুরভূমি আবারও থিরথিরে উত্তাপে দুলছে।

বিশ্বমঞ্চে বাংলার অরুণা—ড. সাবরিনা রুবিন

বাংলাদেশ থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা ভাষার স্বর্ণশিখা হয়ে উঠেছেন ড. সাবরিনা রুবিন। বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষার গভীর আর্টিকুলেশন তাঁর লেখায় অনন্য নান্দনিকতা সৃষ্টি করে। ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ “Limitless Love”, “Sudden Spring Again” এবং বাংলায় “নিষিদ্ধ নির্বাসন”, “বিহুঙ্গী”—সবই ইতোমধ্যেই বিশ্বপাঠকের দরজায় আলোকরেখা ফেলেছে।

মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক সাহিত্যধারা—Mental Health Poetry ও Victoria Poetry—এ তিনি বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক স্বীকৃত লেখক। মানবিকতা, সাহিত্য ও শান্তিমুখী কাজের স্বীকৃতিতে তাঁর অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে ইয়াসির আরাফাত ওয়ার্ল্ড পিস অ্যাওয়ার্ড, চেকভ ব্রোঞ্জ অনার, গুজরাট সাহিত্য একাডেমি অনার, BIFA, Bangladesh Achiever’s Award, এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মেমোরিয়াল লিটারারি অনার্স ২০২২সহ অসংখ্য গৌরব।

সংগীতজগতেও তাঁর পদচিহ্ন সুস্পষ্ট। মালায়ালাম-তামিল শিল্পীদের সঙ্গে কাজ ছাড়াও তাঁর লেখা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হৈমন্তী শুক্লা, উষা উত্থুপ, শুভ্র দেব, শান শায়খসহ কিংবদন্তি শিল্পীরা।

তিন দশকের কণ্ঠযজ্ঞ—শুভমিতা ব্যানার্জি

ভারতের আধুনিক বাংলা গান ও গজলের আকাশে এক নির্ভার নীল তারা শুভমিতা ব্যানার্জি। তিন দশকের সংগীতযজ্ঞে তিনি সৃষ্টি করেছেন অসংখ্য অবিস্মরণীয় গান। তাঁর কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে এক ডজনেরও বেশি অ্যালবাম; দুই শতাধিক টেলিসিরিয়াল ও চলচ্চিত্রেও দিয়েছেন সুরের রূপালি স্পর্শ।

ক্যারিয়ারের শুরুতেই পেয়েছেন আইটিসি সঙ্গীত রিসার্চ অ্যাকাডেমির স্কলারশিপ, ভারত সরকারের ন্যাশনাল স্কলারশিপ (১৯৯২), এইচএমভি গোল্ডেন ট্যালেন্ট কনটেস্টে প্রথম স্থান, এবং জনপ্রিয় ‘সা থেকে সা’ প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৬–০৮ টানা তিন বছর তিনি টেলিসিরিয়াল বিভাগে শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পীর পুরস্কার অর্জন করেন।

সুরের বিশুদ্ধতা ও আবেগময় কণ্ঠ—এই দুই মিলেই শুভমিতা আজ উপমহাদেশের অবিস্মরণীয় এক নাম।

দুই বাংলার সুরে নতুন নীল অধ্যায়

ড. সাবরিনা রুবিনের কাব্যকথা ও শুভমিতা ব্যানার্জির সমৃদ্ধ কণ্ঠ—এই সমন্বয়ে “এখানেই সব কথা শেষ হোক” কেবল একটি গান নয়; বরং দুই বাংলার সংস্কৃতির মধ্যে নতুন সেতুবন্ধন। গানটি প্রকাশের আগেই সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে জেগে উঠেছে উত্তেজনা।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়—এই সৃষ্টি দুই দেশের শিল্পবিনিময়ে নতুন দিগন্ত খুলবে, আর নীল কণ্ঠের মতোই নির্মল ও গভীর এক নতুন অধ্যায় রচনা করবে বাংলার সংগীতে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

আপডেট সময় : ০১:৩৯:২১ অপরাহ্ণ, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বিনোদন প্রতিবেদক: উপমহাদেশের সংগীতে আবারও জ্বলে উঠছে নীল আলো। বাংলাদেশের গীতিকবি ড. সাবরিনা রুবিন এবং ভারতের সংগীত–দেবী শুভমিতা ব্যানার্জি—দুই দেশের দুই শিল্পপ্রতিভা একত্রে তৈরি করেছেন নতুন গান “এখানেই সব কথা শেষ হোক”। দেব গৌতমের সুর–সংগীতে নির্মিত এই গানটি খুব শিগগিরই ভারতের শীর্ষ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে, আর তাতেই পুরোনো সুরভূমি আবারও থিরথিরে উত্তাপে দুলছে।

বিশ্বমঞ্চে বাংলার অরুণা—ড. সাবরিনা রুবিন

বাংলাদেশ থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলা ভাষার স্বর্ণশিখা হয়ে উঠেছেন ড. সাবরিনা রুবিন। বাংলা ও ইংরেজি—দুই ভাষার গভীর আর্টিকুলেশন তাঁর লেখায় অনন্য নান্দনিকতা সৃষ্টি করে। ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ “Limitless Love”, “Sudden Spring Again” এবং বাংলায় “নিষিদ্ধ নির্বাসন”, “বিহুঙ্গী”—সবই ইতোমধ্যেই বিশ্বপাঠকের দরজায় আলোকরেখা ফেলেছে।

মানসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রিক সাহিত্যধারা—Mental Health Poetry ও Victoria Poetry—এ তিনি বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক স্বীকৃত লেখক। মানবিকতা, সাহিত্য ও শান্তিমুখী কাজের স্বীকৃতিতে তাঁর অর্জনের ঝুলিতে রয়েছে ইয়াসির আরাফাত ওয়ার্ল্ড পিস অ্যাওয়ার্ড, চেকভ ব্রোঞ্জ অনার, গুজরাট সাহিত্য একাডেমি অনার, BIFA, Bangladesh Achiever’s Award, এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মেমোরিয়াল লিটারারি অনার্স ২০২২সহ অসংখ্য গৌরব।

সংগীতজগতেও তাঁর পদচিহ্ন সুস্পষ্ট। মালায়ালাম-তামিল শিল্পীদের সঙ্গে কাজ ছাড়াও তাঁর লেখা গানে কণ্ঠ দিয়েছেন হৈমন্তী শুক্লা, উষা উত্থুপ, শুভ্র দেব, শান শায়খসহ কিংবদন্তি শিল্পীরা।

তিন দশকের কণ্ঠযজ্ঞ—শুভমিতা ব্যানার্জি

ভারতের আধুনিক বাংলা গান ও গজলের আকাশে এক নির্ভার নীল তারা শুভমিতা ব্যানার্জি। তিন দশকের সংগীতযজ্ঞে তিনি সৃষ্টি করেছেন অসংখ্য অবিস্মরণীয় গান। তাঁর কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে এক ডজনেরও বেশি অ্যালবাম; দুই শতাধিক টেলিসিরিয়াল ও চলচ্চিত্রেও দিয়েছেন সুরের রূপালি স্পর্শ।

ক্যারিয়ারের শুরুতেই পেয়েছেন আইটিসি সঙ্গীত রিসার্চ অ্যাকাডেমির স্কলারশিপ, ভারত সরকারের ন্যাশনাল স্কলারশিপ (১৯৯২), এইচএমভি গোল্ডেন ট্যালেন্ট কনটেস্টে প্রথম স্থান, এবং জনপ্রিয় ‘সা থেকে সা’ প্রতিযোগিতার চ্যাম্পিয়নশিপ। ২০০৬–০৮ টানা তিন বছর তিনি টেলিসিরিয়াল বিভাগে শ্রেষ্ঠ নারী কণ্ঠশিল্পীর পুরস্কার অর্জন করেন।

সুরের বিশুদ্ধতা ও আবেগময় কণ্ঠ—এই দুই মিলেই শুভমিতা আজ উপমহাদেশের অবিস্মরণীয় এক নাম।

দুই বাংলার সুরে নতুন নীল অধ্যায়

ড. সাবরিনা রুবিনের কাব্যকথা ও শুভমিতা ব্যানার্জির সমৃদ্ধ কণ্ঠ—এই সমন্বয়ে “এখানেই সব কথা শেষ হোক” কেবল একটি গান নয়; বরং দুই বাংলার সংস্কৃতির মধ্যে নতুন সেতুবন্ধন। গানটি প্রকাশের আগেই সংগীতপ্রেমীদের মধ্যে জেগে উঠেছে উত্তেজনা।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়—এই সৃষ্টি দুই দেশের শিল্পবিনিময়ে নতুন দিগন্ত খুলবে, আর নীল কণ্ঠের মতোই নির্মল ও গভীর এক নতুন অধ্যায় রচনা করবে বাংলার সংগীতে।