শনিবার | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে

গাংনীতে ইমাম ও তরুণীকে নির্যাতন মামলায় পাঁচ মাতবর কারাগারে

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ১০:৪৬:৩৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৫৮ বার পড়া হয়েছে

গাংনী প্রতিনিধিঃ  অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে মসজিদের ইমাম তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনার মামলার পাঁচ আসামি পাঁচ মাতবর আদালতে আত্মসমর্পন করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। গতকাল রবিবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো: ছানাউল্ল্যাহ’র আদালতে আত্মসমর্পন করেন তারা। বিচারক তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামীরা হলেন, তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের ইমান আলী শেখের ছেলে মোকাদ্দেস হোসেন, মোমিনুল ইসলাম, আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে বাদল হোসেন, লাল চাঁদের ছেলে রিপন আলী ও ওয়াজেল হোসেনের ছেলে কালু হোসেন।
আসামী পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ইয়ারুল ইসলাম ও রাষ্টপক্ষে সি এস আই কামাল হোসেন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আসামিদের কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই রবিবার মেহেরপুরের আমলী আদালত ও দ্রত বিচার আদালতে এ মামলা দায়ের করেন ইমাম নাজমুল হোসেনের পিতা দেলোয়ার হোসেন। মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক মো: ছানাউল্ল্যাহ গাংনী থানাকে মামলাটি ফার্ষ্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট (এফআইআর) দেওয়ার নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, গত ১ জুলাই তরুণীর খালা রমেলা খাতুন আল কোরআনের একটি সূরা সংক্রান্ত বিষয়ে জানার জন্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মথুরাপুর গ্রামের তার নিজ বাড়িতে ডেকে নেন ইমাম নাজমুল হোসেনকে। ওই ইমামের সাথে রমেলা খাতুনের বোনের মেয়ের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় স্থানীয় মাতবর মুকাদ্দেস আলী, মোমিনুল , রিপন হোসেন, বাদল হোসেন ও কালু সহ তাদের সহযোগীরা। পরে দুজনকে সড়কের পাশে একটি গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন করে এবং জোর করে তাদের বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের পরপরই একটি ফাঁকা ষ্টাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন তারা। এদিকে নির্যাতনের চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের

গাংনীতে ইমাম ও তরুণীকে নির্যাতন মামলায় পাঁচ মাতবর কারাগারে

আপডেট সময় : ১০:৪৬:৩৯ অপরাহ্ণ, সোমবার, ১৪ আগস্ট ২০১৭

গাংনী প্রতিনিধিঃ  অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তুলে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে মসজিদের ইমাম তরুণীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনার মামলার পাঁচ আসামি পাঁচ মাতবর আদালতে আত্মসমর্পন করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠিয়েছেন। গতকাল রবিবার দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মো: ছানাউল্ল্যাহ’র আদালতে আত্মসমর্পন করেন তারা। বিচারক তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
আসামীরা হলেন, তেঁতুলবাড়িয়া ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের ইমান আলী শেখের ছেলে মোকাদ্দেস হোসেন, মোমিনুল ইসলাম, আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে বাদল হোসেন, লাল চাঁদের ছেলে রিপন আলী ও ওয়াজেল হোসেনের ছেলে কালু হোসেন।
আসামী পক্ষে আইনজীবী হিসেবে ইয়ারুল ইসলাম ও রাষ্টপক্ষে সি এস আই কামাল হোসেন দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আসামিদের কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই রবিবার মেহেরপুরের আমলী আদালত ও দ্রত বিচার আদালতে এ মামলা দায়ের করেন ইমাম নাজমুল হোসেনের পিতা দেলোয়ার হোসেন। মামলাটি আমলে নিয়ে বিচারক মো: ছানাউল্ল্যাহ গাংনী থানাকে মামলাটি ফার্ষ্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট (এফআইআর) দেওয়ার নির্দেশ দেন।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, গত ১ জুলাই তরুণীর খালা রমেলা খাতুন আল কোরআনের একটি সূরা সংক্রান্ত বিষয়ে জানার জন্য মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মথুরাপুর গ্রামের তার নিজ বাড়িতে ডেকে নেন ইমাম নাজমুল হোসেনকে। ওই ইমামের সাথে রমেলা খাতুনের বোনের মেয়ের অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে এমন অভিযোগ তুলে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায় স্থানীয় মাতবর মুকাদ্দেস আলী, মোমিনুল , রিপন হোসেন, বাদল হোসেন ও কালু সহ তাদের সহযোগীরা। পরে দুজনকে সড়কের পাশে একটি গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন করে এবং জোর করে তাদের বিয়ে দিয়ে দেয়। বিয়ের পরপরই একটি ফাঁকা ষ্টাম্পে স্বাক্ষর করিয়ে নেন তারা। এদিকে নির্যাতনের চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হলে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় উঠে।