ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রতিষেধক সজনে ডাঁটা

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৭:০৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
  • ৭৩৩ বার পড়া হয়েছে
স্থানীয় বাজারে, গলির মোড়ে এমনকি আবাসিক এলাকায় ঘুরে বেড়ানো ভ্যানগুলোতে পাওয়া যায় অতি লোভনীয় সজনে ডাঁটা। যা তার স্বাদ ও ভেষজ গুণাগুণের জন্য অনেকের কাছেই বিশেষভাবে সমাদৃত।

খুব অল্প সময়ের জন্য মূলত বসন্তের শুরুর দিকে পাওয়া যায় এ মৌসুমি সবজি। তবে এটা এখন বসন্ত শেষেও বেশ কিছুদিন পাওয়া যায়। সজনে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ডালের সঙ্গে। এছাড়া সরিষা ও আলু, টমোটো যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন, তা বাঙালিদের জন্য এক বিশেষ খাবার। এটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও প্রতিষেধক স্বরূপ।

সজনেতে যেহেতু উচ্চমাত্রায় ভিটামিন A, C, E আছে তাই এতে anti-oxidant, অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো acid এবং মিনারেলের পরিমাণ বেশি। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের দেশের সহজলভ্য এ সজনে anti-ageing প্রক্রিয়াতে সহায়তা করে এবং এর anti-inflammatory ও anti-carcinogenic বিশেষত্ব রয়েছে।

যদি সজনে কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায় তাহলে তিতা স্বাদ Insulin এর মাত্রাকে Regulate করতে সহায়তা করে কিন্তু যখন রান্না করা হয় তখন এটা আঁশ (Fibre) বা Complex Carbohydrate এ রূপান্তরিত হয় যা monopause এর সঙ্গে সম্পৃক্ত edema অথবা Inflammatory Disease যেমন gout এ ভূমিকা রাখে।

পুষ্টিগত দিক দিয়ে সজনে বিশেষভাবে প্রচুর পরিমাণে antioxidant সমৃদ্ধ। সজনে গাছের প্রায় প্রতিটি অংশেরই বিশেষ পুষ্টিগত বিশেষজ্ঞ রয়েছে। সুতরাং আমাদের উচিত মৌসুমি এই সবজিটিকে তৃপ্তির সঙ্গে উপভোগ করা।

লেখক : চিফ ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান, ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেড, ঢাকা।

ট্যাগস :

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য প্রতিষেধক সজনে ডাঁটা

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:০৫ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৫
স্থানীয় বাজারে, গলির মোড়ে এমনকি আবাসিক এলাকায় ঘুরে বেড়ানো ভ্যানগুলোতে পাওয়া যায় অতি লোভনীয় সজনে ডাঁটা। যা তার স্বাদ ও ভেষজ গুণাগুণের জন্য অনেকের কাছেই বিশেষভাবে সমাদৃত।

খুব অল্প সময়ের জন্য মূলত বসন্তের শুরুর দিকে পাওয়া যায় এ মৌসুমি সবজি। তবে এটা এখন বসন্ত শেষেও বেশ কিছুদিন পাওয়া যায়। সজনে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় ডালের সঙ্গে। এছাড়া সরিষা ও আলু, টমোটো যেভাবেই রান্না করা হোক না কেন, তা বাঙালিদের জন্য এক বিশেষ খাবার। এটা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও প্রতিষেধক স্বরূপ।

সজনেতে যেহেতু উচ্চমাত্রায় ভিটামিন A, C, E আছে তাই এতে anti-oxidant, অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো acid এবং মিনারেলের পরিমাণ বেশি। সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে, আমাদের দেশের সহজলভ্য এ সজনে anti-ageing প্রক্রিয়াতে সহায়তা করে এবং এর anti-inflammatory ও anti-carcinogenic বিশেষত্ব রয়েছে।

যদি সজনে কাঁচা অবস্থায় খাওয়া যায় তাহলে তিতা স্বাদ Insulin এর মাত্রাকে Regulate করতে সহায়তা করে কিন্তু যখন রান্না করা হয় তখন এটা আঁশ (Fibre) বা Complex Carbohydrate এ রূপান্তরিত হয় যা monopause এর সঙ্গে সম্পৃক্ত edema অথবা Inflammatory Disease যেমন gout এ ভূমিকা রাখে।

পুষ্টিগত দিক দিয়ে সজনে বিশেষভাবে প্রচুর পরিমাণে antioxidant সমৃদ্ধ। সজনে গাছের প্রায় প্রতিটি অংশেরই বিশেষ পুষ্টিগত বিশেষজ্ঞ রয়েছে। সুতরাং আমাদের উচিত মৌসুমি এই সবজিটিকে তৃপ্তির সঙ্গে উপভোগ করা।

লেখক : চিফ ক্লিনিক্যাল ডায়াটিশিয়ান, ইউনাইটেড হসপিটাল লিমিটেড, ঢাকা।