বৃহস্পতিবার | ২২ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo আলেম-ওলামাদের সঙ্গে বিএনপির প্রার্থীর মতবিনিময়, খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া হ্যাঁ ভোটের পক্ষে থাকার আহ্বান Logo প্রতীক বরাদ্দের পর নেতা-কর্মীদের উচ্ছ্বাস সুফিবাদী সমাজ ও আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন — মোমবাতি মার্কার প্রার্থী সাংবাদিক আহসান উল্লাহ Logo কচুয়ার কাদলা-দরবেশগঞ্জ সমাজকল্যাণ খেলা ঘরের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ Logo সাতক্ষীরার ৪টি আসনে ২০ চূড়ান্ত প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ Logo খুবিতে ফ্যাক্টচেকিং এন্ড ডিজিটাল ভেরিফিকেশন শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo প্রতীক পেলেন চাঁদপুরের পাঁচ আসনের ৩৫ প্রার্থী, জমে উঠছে নির্বাচনী মাঠ Logo সংসদ নির্বাচন: ৩০৫ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার, লড়াইয়ে ১,৯৬৭ প্রার্থী

পদ্মা সেতু দিয়ে কলকাতা-খুলনা-ঢাকা রুটে বাস চালু

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:৪৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২
  • ৮৭৬ বার পড়া হয়েছে

পদ্মা সেতু দিয়ে কলকাতা-খুলনা-ঢাকা রুটে আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা চালু করেছে গ্রিন লাইন পরিবহন। এ পরিষেবার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সৌহার্দ্য যাত্রা’। ভারতের কলকাতার নিউমার্কেটের পার্কস্ট্রিট থেকে বুধবার বেলা একটার দিকে গ্রিন লাইন পরিবহনের একটি বাস ছেড়ে আসে। বাসটি রাত ১১টার দিকে শরীয়তপুরে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের নাওডোবা টোল প্লাজায় আসে। পরে বাসটি ঢাকায় পৌঁছায়।

বাসটির যাত্রী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা মানিক লাল মজুমদার পদ্মা সেতু দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার পূর্বপুরুষের জন্মভিটা বাংলাদেশ। অনেক আত্মীয় থাকেন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে। শেকড়ের টানে বাংলাদেশে আসি। যাতায়াতব্যবস্থা ছিল কষ্টের ও ভোগান্তির। রাতে যখন বাসে পদ্মা সেতু পার হই, তখন অনেক আনন্দ লেগেছে। আমাদের গঙ্গা থেকে বয়ে যাওয়া নদী পদ্মা। সেখানে সেতু হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হবে।’

ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে থাকেন সোহানুর রহিম। চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে ২০ জুন কলকাতায় গিয়েছিলেন। যাওয়ার সময় প্লেনে গেলেও এসেছেন গ্রিন লাইনের বাসে। সোহানুর বলেন, পদ্মা সেতু পার হতেই কলকাতা থেকে সরাসরি বাসে ঢাকায় এসেছেন। পদ্মা সেতু অতিক্রম করার সময় অন্য রকম অনুভূতি মনে জেগেছিল। নিজেদের টাকায় নিজেদের সেতু, সে এক অন্য রকম আনন্দ।

কলকাতা থেকে ঢাকায় আসা বাসটির মালিক, চালক ও ব্যবস্থাপক সবাই ভারতের নাগরিক। পরিবহনটির ব্যবস্থাপক বিজয় কৃষ্ণ দাস বলেন, ‘আগে গাড়ি নিয়ে ঢাকায় আসতে ফেরিঘাটেই তিন-চার ঘণ্টা সময় নষ্ট হতো। আর এখন একটানেই পদ্মার মতো বিশাল নদী পার হতে পারব। মাত্র আট মিনিটে পদ্মা নদী পার হতে পেরে আমরা খুশি। যোগাযোগ খাতে এমন একটি পরিবর্তন আনায় ভারতীয়দের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন

পদ্মা সেতু দিয়ে কলকাতা-খুলনা-ঢাকা রুটে বাস চালু

আপডেট সময় : ১০:৫২:৪৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন ২০২২

পদ্মা সেতু দিয়ে কলকাতা-খুলনা-ঢাকা রুটে আন্তর্জাতিক বাস পরিষেবা চালু করেছে গ্রিন লাইন পরিবহন। এ পরিষেবার নাম দেওয়া হয়েছে ‘সৌহার্দ্য যাত্রা’। ভারতের কলকাতার নিউমার্কেটের পার্কস্ট্রিট থেকে বুধবার বেলা একটার দিকে গ্রিন লাইন পরিবহনের একটি বাস ছেড়ে আসে। বাসটি রাত ১১টার দিকে শরীয়তপুরে পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের নাওডোবা টোল প্লাজায় আসে। পরে বাসটি ঢাকায় পৌঁছায়।

বাসটির যাত্রী ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা মানিক লাল মজুমদার পদ্মা সেতু দেখতে বাংলাদেশে এসেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার পূর্বপুরুষের জন্মভিটা বাংলাদেশ। অনেক আত্মীয় থাকেন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে। শেকড়ের টানে বাংলাদেশে আসি। যাতায়াতব্যবস্থা ছিল কষ্টের ও ভোগান্তির। রাতে যখন বাসে পদ্মা সেতু পার হই, তখন অনেক আনন্দ লেগেছে। আমাদের গঙ্গা থেকে বয়ে যাওয়া নদী পদ্মা। সেখানে সেতু হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হবে।’

ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে থাকেন সোহানুর রহিম। চিকিৎসাসংক্রান্ত কাজে ২০ জুন কলকাতায় গিয়েছিলেন। যাওয়ার সময় প্লেনে গেলেও এসেছেন গ্রিন লাইনের বাসে। সোহানুর বলেন, পদ্মা সেতু পার হতেই কলকাতা থেকে সরাসরি বাসে ঢাকায় এসেছেন। পদ্মা সেতু অতিক্রম করার সময় অন্য রকম অনুভূতি মনে জেগেছিল। নিজেদের টাকায় নিজেদের সেতু, সে এক অন্য রকম আনন্দ।

কলকাতা থেকে ঢাকায় আসা বাসটির মালিক, চালক ও ব্যবস্থাপক সবাই ভারতের নাগরিক। পরিবহনটির ব্যবস্থাপক বিজয় কৃষ্ণ দাস বলেন, ‘আগে গাড়ি নিয়ে ঢাকায় আসতে ফেরিঘাটেই তিন-চার ঘণ্টা সময় নষ্ট হতো। আর এখন একটানেই পদ্মার মতো বিশাল নদী পার হতে পারব। মাত্র আট মিনিটে পদ্মা নদী পার হতে পেরে আমরা খুশি। যোগাযোগ খাতে এমন একটি পরিবর্তন আনায় ভারতীয়দের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারকে ধন্যবাদ জানাই।’