মঙ্গলবার | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সম্ভাবনা নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে জাবিতে ছাত্রশক্তির ক্যাম্পেইন শুরু Logo মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ডিএনসি: চাঁদপুরে আলোচনা সভা ও গণভোট সচেতনতা কার্যক্রম Logo শেরপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের উদ্যোগে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খালাসের সময় ১৪ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় তেল ঘাটতির অভিযোগে দুদকের অভিযান Logo হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য হতে হবে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শীর্ষে পৌঁছানো-জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর Logo সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির উদ্যোগে ৫নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত Logo সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ  Logo লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ক্রীড়া চর্চা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে-অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা।

কালীগঞ্জের চানাচুর তৈরীর কারখানায় আগুন: ভষ্মিভুত হয়েছে সব মালামাল

  • আপডেট সময় : ০২:২৩:১৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২০
  • ৮০১ বার পড়া হয়েছে

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের চানাচুর তৈরীর কারখানায় আগুন লেগে ভষ্মিভুত হয়েছে সব মালামাল। পরে ফায়ার সার্ভিসের কমিরা ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত ভোর ৪ টার দিকে শহরের পূর্ব কলেজ পাড়ার সলেমান হোসেনের সত্বাধিকারী সোনার বাংলা চানাচুর তৈরীর কারখানায়। এ ঘটনায় ওই কারখানার মালিকের প্রায় সাড়ে ১১ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ওই পরিবার দাবি করেছেন। এদিকে পরিবেশ রক্ষায় আবাসিক এলাকায় কারখানা স্থাপনের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, বাসাবাড়ির প্রায় সাথেই এই কারখানা। সকল মেশিনারিজ ও উৎপাদিত সকল মালামাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ সলেমান হোসেনের স্বজন অপি মিয়া জানান, গতরাতে চানাচুর তৈরী করে রাত ২ টার দিকে তারা ঘুমাতে যান। হঠাৎ কারখানার একপাশে আগুন ও কালো ধোঁয়ার কুন্ডলী দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। এরপর দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা এস আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। কিন্তু তার আগেই কারখানার সকল মালামাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ওই এলাকায় বসবাসকারী অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য রবিউল ইসলাম জানান, ভোরের দিকে মহল্লার মানুষ যখন ঘুমাচ্ছিল তখন হঠাৎ চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়। তারা বাইরে এসে আগুন দেখতে পেয়ে নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করেন। কারখানার মধ্যে তেল জাতীয় জিনিসপত্র থাকায় মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। আগুনের কুন্ডলী দেখে এলাকার শিশুসহ সকল বয়সী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন,আবাসিক এলাকায় এমন বিপজ্জনক কারখানা স্থাপনের জন্য মহল্লাবাসী সব সময় আতঙ্কে থাকেন। সাইদুর রহমান পিকু নামের অপর প্রতিবেশি জানান, তার ঘরের সামনেই এই চানাচুরের কারখানা। এখানে দিনরাত আগুনের কাজ থাকায় ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় তাদেরকে সব সময় আগুন ঝুঁকিতে বসবাস করতে হয়। এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ডঃ মামুনুর রশিদ জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন। তবে আবাসিক এলাকা হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মিদের বড্ড কষ্ট হয়েছে।

 

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর জেলা কারাগারে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

কালীগঞ্জের চানাচুর তৈরীর কারখানায় আগুন: ভষ্মিভুত হয়েছে সব মালামাল

আপডেট সময় : ০২:২৩:১৭ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২০

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ

ঝিনাইদহ কালীগঞ্জের চানাচুর তৈরীর কারখানায় আগুন লেগে ভষ্মিভুত হয়েছে সব মালামাল। পরে ফায়ার সার্ভিসের কমিরা ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত ভোর ৪ টার দিকে শহরের পূর্ব কলেজ পাড়ার সলেমান হোসেনের সত্বাধিকারী সোনার বাংলা চানাচুর তৈরীর কারখানায়। এ ঘটনায় ওই কারখানার মালিকের প্রায় সাড়ে ১১ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ওই পরিবার দাবি করেছেন। এদিকে পরিবেশ রক্ষায় আবাসিক এলাকায় কারখানা স্থাপনের ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন ওই এলাকার বাসিন্দারা। সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, বাসাবাড়ির প্রায় সাথেই এই কারখানা। সকল মেশিনারিজ ও উৎপাদিত সকল মালামাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ সলেমান হোসেনের স্বজন অপি মিয়া জানান, গতরাতে চানাচুর তৈরী করে রাত ২ টার দিকে তারা ঘুমাতে যান। হঠাৎ কারখানার একপাশে আগুন ও কালো ধোঁয়ার কুন্ডলী দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। এরপর দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা এস আগুন নিয়ন্ত্রনে আনে। কিন্তু তার আগেই কারখানার সকল মালামাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ওই এলাকায় বসবাসকারী অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য রবিউল ইসলাম জানান, ভোরের দিকে মহল্লার মানুষ যখন ঘুমাচ্ছিল তখন হঠাৎ চিৎকার চেঁচামেচি শুরু হয়। তারা বাইরে এসে আগুন দেখতে পেয়ে নিয়ন্ত্রনে আনার চেষ্টা করেন। কারখানার মধ্যে তেল জাতীয় জিনিসপত্র থাকায় মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছিল। আগুনের কুন্ডলী দেখে এলাকার শিশুসহ সকল বয়সী মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেন,আবাসিক এলাকায় এমন বিপজ্জনক কারখানা স্থাপনের জন্য মহল্লাবাসী সব সময় আতঙ্কে থাকেন। সাইদুর রহমান পিকু নামের অপর প্রতিবেশি জানান, তার ঘরের সামনেই এই চানাচুরের কারখানা। এখানে দিনরাত আগুনের কাজ থাকায় ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় তাদেরকে সব সময় আগুন ঝুঁকিতে বসবাস করতে হয়। এলাকাবাসী স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। কালীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা ডঃ মামুনুর রশিদ জানান, খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌছে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হন। তবে আবাসিক এলাকা হওয়ায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে ফায়ার সার্ভিসের কর্মিদের বড্ড কষ্ট হয়েছে।