শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা

পরমাণু শক্তিধর উ. কোরিয়ার আয়ের উৎস কি ?

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১১:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৭৯৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

পরমাণু ইস্যুতে বর্তমানে যুদ্ধংদেহী অবস্থানে রয়েছে দুই উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। পরমাণুশক্তির অধিকারী কিমের দেশকে চরম শিক্ষা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

দেশটির ওপর কঠোর বাণিজ্য ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপও হয়েছে। কিন্তু বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে যার অর্থনীতি সবচেয়ে কম বাণিজ্য-নির্ভর, তাকে এভাবে শায়েস্তা করার চেষ্টায় কতটা ফল আসবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতির অবস্থা আসলে কেমন? এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া খুব কঠিন। কেননা, দেশটি কখনো তাদের বাণিজ্যের পরিসংখ্যান জানায় না। তেমনি জানায় না এর সম্পদের পরিমাণ। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বরাতে তাদের আয়ের উৎস সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা পাওয়া যায়।

১. চীনের সঙ্গে আমদানি-রফতানি:

উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে ঘনিষ্ট বন্ধু প্রতিবেশী চীন। কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বড় সহায়তাকারী ও বৃহৎ বাণিজ্য সহযোগীও চীন। চীন কয়লা, খনিজদ্রব্য, পোশাক ও কিছু খাদ্য সামগ্রী দেশটি থেকে আমদানি করে থাকে। আর উত্তর কোরিয়া চীন থেকে পেট্রোলিয়াম গ্যাস, ইস্পাত, যন্ত্রাংশ, গাড়ি ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কিনে থাকে।

২. কেসং শিল্পাঞ্চল:

সীমান্তবর্তী কেসং শিল্পপার্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে হাজার কোটি ডলারের মতো আয় করেছে উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়া এই শিল্পপার্ক থেকে অর্জিত অর্থ পরমাণু অস্ত্র বানাতে ব্যয় করছে—এটাই দক্ষিণ কোরিয়ার অভিযোগ। তবে উত্তর কোরিয়া সত্যিই ওই অর্থ পরমাণু অস্ত্র বানাতে ব্যবহার করছে কি না, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত কোনো তথ্য দেয়নি দক্ষিণ কোরিয়া।

৩. জনশক্তি রপ্তানি:

উত্তর কোরিয়া বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ২০০০ সালের পর থেকে দেশটি বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে নামে। আর এখন দেশটির আয়ের বড় উৎস এটি। কোরিয়া ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অন্তত ৪০টি দেশে ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ উত্তর কোরীয় কর্মী আছে। উত্তর কোরিয়ার শ্রমিকেরা মূলত রাশিয়া, চীন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রেস্তোরাঁ ও নির্মাণ খাতে কাজ করছেন।

৪.পর্যটন শিল্প:

উত্তর কোরিয়ার আয়ের একটি ক্রমবর্ধমান উৎস পর্যটন খাত। প্রতিবছর দেশটিতে প্রায় এক লাখ পর্যটক আসেন। এর বেশির ভাগই চীনের পর্যটক। মাঝেমধ্যে উত্তর কোরিয়া দেশে আসা পর্যটকদের গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহসহ নানা অভিযোগে আটক করে। এরপরও এ শিল্পটি এগোচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা

পরমাণু শক্তিধর উ. কোরিয়ার আয়ের উৎস কি ?

আপডেট সময় : ১১:২৫:৫৯ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

পরমাণু ইস্যুতে বর্তমানে যুদ্ধংদেহী অবস্থানে রয়েছে দুই উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র। পরমাণুশক্তির অধিকারী কিমের দেশকে চরম শিক্ষা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

দেশটির ওপর কঠোর বাণিজ্য ও আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আরোপও হয়েছে। কিন্তু বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে যার অর্থনীতি সবচেয়ে কম বাণিজ্য-নির্ভর, তাকে এভাবে শায়েস্তা করার চেষ্টায় কতটা ফল আসবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতির অবস্থা আসলে কেমন? এ প্রশ্নের উত্তর পাওয়া খুব কঠিন। কেননা, দেশটি কখনো তাদের বাণিজ্যের পরিসংখ্যান জানায় না। তেমনি জানায় না এর সম্পদের পরিমাণ। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বরাতে তাদের আয়ের উৎস সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা পাওয়া যায়।

১. চীনের সঙ্গে আমদানি-রফতানি:

উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে ঘনিষ্ট বন্ধু প্রতিবেশী চীন। কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বড় সহায়তাকারী ও বৃহৎ বাণিজ্য সহযোগীও চীন। চীন কয়লা, খনিজদ্রব্য, পোশাক ও কিছু খাদ্য সামগ্রী দেশটি থেকে আমদানি করে থাকে। আর উত্তর কোরিয়া চীন থেকে পেট্রোলিয়াম গ্যাস, ইস্পাত, যন্ত্রাংশ, গাড়ি ও ইলেকট্রনিক সামগ্রী কিনে থাকে।

২. কেসং শিল্পাঞ্চল:

সীমান্তবর্তী কেসং শিল্পপার্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকে হাজার কোটি ডলারের মতো আয় করেছে উত্তর কোরিয়া। উত্তর কোরিয়া এই শিল্পপার্ক থেকে অর্জিত অর্থ পরমাণু অস্ত্র বানাতে ব্যয় করছে—এটাই দক্ষিণ কোরিয়ার অভিযোগ। তবে উত্তর কোরিয়া সত্যিই ওই অর্থ পরমাণু অস্ত্র বানাতে ব্যবহার করছে কি না, সে বিষয়ে পর্যাপ্ত কোনো তথ্য দেয়নি দক্ষিণ কোরিয়া।

৩. জনশক্তি রপ্তানি:

উত্তর কোরিয়া বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ২০০০ সালের পর থেকে দেশটি বিদেশে জনশক্তি রপ্তানিতে নামে। আর এখন দেশটির আয়ের বড় উৎস এটি। কোরিয়া ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের অন্তত ৪০টি দেশে ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ উত্তর কোরীয় কর্মী আছে। উত্তর কোরিয়ার শ্রমিকেরা মূলত রাশিয়া, চীন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের রেস্তোরাঁ ও নির্মাণ খাতে কাজ করছেন।

৪.পর্যটন শিল্প:

উত্তর কোরিয়ার আয়ের একটি ক্রমবর্ধমান উৎস পর্যটন খাত। প্রতিবছর দেশটিতে প্রায় এক লাখ পর্যটক আসেন। এর বেশির ভাগই চীনের পর্যটক। মাঝেমধ্যে উত্তর কোরিয়া দেশে আসা পর্যটকদের গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহসহ নানা অভিযোগে আটক করে। এরপরও এ শিল্পটি এগোচ্ছে।