শনিবার | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড এবং তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন Logo বীরগঞ্জের বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ! Logo হাবিবুর রহমান ইসলামী যুব আন্দোলন চাঁদপুর জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত Logo খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নোবিপ্রবির গাড়ি ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

ষোড়শ সংশোধনী ছিল ষড়যন্ত্র ও দূরভিসন্ধিমূলক: মওদুদ !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:১৭ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭
  • ৭৯০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী ছিল সরকারের ষড়যন্ত্র ও দূরভিসন্ধিমূলক। সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা করেছিল। আদালতের রায়ে তা নস্যাৎ হয়েছে।

বিচারপতি অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে নেয়া সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে সোমবার হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। এর প্রতিক্রিয়ায় সাবেক আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে আদালতের মর্যাদা ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রইলো। ‍সরকারের দূরভিসন্ধি নস্যাৎ হলো। বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের ভরসার জায়গা অটুট থাকলো।

প্রসঙ্গত, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ২০১৪ সালে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। এতে ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়া হয়, যা ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।
সংবিধানে এই সংশোধনী হওয়ায় মৌল কাঠামোতে পরিবর্তন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করবে- এমন যুক্তিতে সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়।

রিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর রুল জারি করেন। গত বছরের ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন।

একই বছরের ১১ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে দেয়া রায় সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শেষে সর্বোচ্চ আদালত আজ তা খারিজ করে দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রাখলেন।

এর আগে গত ৩০ মে দশম দিনের আপিল শুনানিতে অ্যামিকাস কিউরিদের মতামত প্রদান শেষ হয়। মোট ১০ জন অ্যামিকাস কিউরি আদালতে মতামত দিয়েছেন। যার মধ্যে ৯ জনই ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পক্ষে মতামত দেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর-৩ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী সাংবাদিক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহ চাঁদপুর পৌরসভার ১৫নং ওয়ার্ড এবং তরপুরচণ্ডী ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন

ষোড়শ সংশোধনী ছিল ষড়যন্ত্র ও দূরভিসন্ধিমূলক: মওদুদ !

আপডেট সময় : ০৮:১১:১৭ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৩ জুলাই ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেছেন, বিচারপতি অপসারণ সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী ছিল সরকারের ষড়যন্ত্র ও দূরভিসন্ধিমূলক। সরকার বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা করেছিল। আদালতের রায়ে তা নস্যাৎ হয়েছে।

বিচারপতি অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে নেয়া সংক্রান্ত সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে সোমবার হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। এর প্রতিক্রিয়ায় সাবেক আইনমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ বলেন, এ রায়ের মাধ্যমে আদালতের মর্যাদা ও স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রইলো। ‍সরকারের দূরভিসন্ধি নস্যাৎ হলো। বিচার বিভাগের প্রতি মানুষের ভরসার জায়গা অটুট থাকলো।

প্রসঙ্গত, দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ২০১৪ সালে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের বিধানটি তুলে দিয়ে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী পাস হয়। এতে ৯৬ অনুচ্ছেদে পরিবর্তন এনে বিচারকের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে পুনরায় ফিরিয়ে দেয়া হয়, যা ১৯৭২ সালের সংবিধানেও ছিল।
সংবিধানে এই সংশোধনী হওয়ায় মৌল কাঠামোতে পরিবর্তন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করবে- এমন যুক্তিতে সংশোধনীর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করা হয়।

রিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট ২০১৪ সালের ৯ নভেম্বর রুল জারি করেন। গত বছরের ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন।

একই বছরের ১১ আগস্ট সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে দেয়া রায় সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শেষে সর্বোচ্চ আদালত আজ তা খারিজ করে দিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায় বহাল রাখলেন।

এর আগে গত ৩০ মে দশম দিনের আপিল শুনানিতে অ্যামিকাস কিউরিদের মতামত প্রদান শেষ হয়। মোট ১০ জন অ্যামিকাস কিউরি আদালতে মতামত দিয়েছেন। যার মধ্যে ৯ জনই ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের পক্ষে মতামত দেন।