সোমবার | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা Logo চাঁদপুরে দুই সহস্রাধিক পরিবারের মাঝে জামায়াতে ইসলামীর রমজানের ফুড প্যাকেজ বিতরণ Logo খুব দ্রুতই আধুনিক চিকিৎসাসেবা পাবে কয়রাবাসী – স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি Logo জীবননগরে সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভা Logo শিক্ষামন্ত্রী ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে চাঁবিপ্রবি উপাচার্যের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo হালিশহরে বাসায় গ্যাস বিস্ফোরণ দগ্ধ নয় জন Logo জীবননগরে বাজার মনিটরিং অভিযান ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা। Logo বিশ্ব চিন্তা দিবস ও স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতার জন্মদিনে আলোচনা সভা Logo অবৈধ বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু Logo জীবননগর বাঁকা গ্রামে বর্গা জমির কলা কাটা নিয়ে দ্বন্দ্ব বিএনপি কর্মীর মাথায় ইটের আঘাত, কানের অংশ বিচ্ছিন্ন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

🇧🇩
📅
তারিখ
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সময়
সকাল ৭:৩০ - বিকেল ৪:৩০
🇧🇩 ঢাকা সময়
শুরু হতে বাকি
00 দিন
00 ঘন্টা
00 মিনিট
00 সেকেন্ড
ঢাকা সময় (GMT+6)

🏛️ দলীয় অবস্থান 📊

বিএনপি ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে ০ %
আসন সংখ্যা ২১২
জামাত ঐক্য Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা ৭৭
জাপা Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা 0
আইএবি Party Icon
ভোটে এগিয়ে 0 %
আসন সংখ্যা

🇧🇩 সংসদ নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত তথ্য 📋

🏛️
আসন সংখ্যা
২৯৯
*শেরপুর–৩ আসনে ভোট স্থগিত
🗳️
অংশগ্রহণকারী দল
৫০
*ইসিতে নিবন্ধিত
👥
মোট প্রার্থী
২,০২৮
স্বতন্ত্র প্রার্থী
২৭৩
👪
মোট ভোটার
১২,৭৭,১১,৭৯৩
*পোস্টাল ভোটার: ১৫,৩৩,৬৮২
👨
পুরুষ ভোটার
৬,৪৮,২৫,৩৬১
👩
নারী ভোটার
৬,২৮,৮৫,২০০
🏳️‍🌈
হিজড়া ভোটার
১,২৩২
গণভোট
হ্যাঁ
৬৮.১%
প্রাপ্ত ভোট: ৪.৮+ কোটি
ভোট বিতরণ৬৮.১%
না
৩১.৯%
প্রাপ্ত ভোট: ২.৩+ কোটি
ভোট বিতরণ৩১.৯%

যেখানে তৈরি হলো সবচেয়ে বড় কৃত্রিম সূর্য !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৯৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বলা হচ্ছে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম সূর্য। একটি বিশাল ঘরে অনেকগুলো স্পটলাইট এক সঙ্গে রেখে পরীক্ষা চালাচ্ছেন জার্মান বিজ্ঞানীরা।

রিনিউ করা এনার্জি হিসেবে এই আলোক শক্তিকে ব্যবহার করার পথে আছেন বিজ্ঞানীরা। জার্মানির কোলন সিটি  থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার  দূরে জুলিচ শহরে চলছে এই পরীক্ষা। জার্মান অ্যারোস্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানীরা এই বিশাল কৃত্রিম সূর্যের ডিজাইন করেছেন। এই প্রজেক্টের নাম তারা দিয়েছেন ‘সায়ানলাইট’।

ডিভাইসটিতে মোট ১৪৯টি বড় ফিল্ম প্রজেক্টর স্পটলাইট ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি স্পটলাইটে সাধারণ বাল্বের চেয়ে প্রায় ৪ হাজার গুণ বেশি ওয়াট আছে। তাই এতগুলো স্পটলাইট যখন একসঙ্গে জ্বালানো হয়, তখন তা পৃথিবীতে আসা সূর্যের আলোর চেয়ে ১০ হাজার গুণ বেশি আলো উৎপন্ন করে। সবগুলো স্পটলাইটের আলো ৩ হাজার ৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা তৈরি করতে পারে।

প্রতিদিন সূর্যের কাছ থেকে পাওয়া আলোকে বিভিন্নভাবেই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে মানুষ। এখন সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সৌর শক্তিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা চললেও এই সূর্যের আলোর অনেকটাই  অব্যবহৃত হয়ে আছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের এই গবেষণার মাধ্যমে অব্যবহৃত এনার্জি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। তবে এই গবেষণায় ঝুঁকি যেমন বেশি তেমনি অর্থও বেশি প্রয়োজন। কারণ যে রুমে এই পরীক্ষা চালানো হয়, সেখানে কোনো মানুষই থাকতে পারে না।  সরাসরি তীব্র আলোতে সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যাবে যে কেউ। এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে একটি নিরাপদ রেডিয়েশন চেম্বারে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।


হাইড্রোজেন গ্যাস মহাবিশ্বে প্রচুর থাকলেও পৃথিবীতে এই গ্যাসের অভাব অনেক। তাই বিজ্ঞানীরা চাচ্ছেন সূর্যের আলোকে বিশেষভাবে কাজে লাগিয়ে হাই এনার্জি রি-অ্যাকশনের মাধ্যমে তা থেকে হাইড্রোজেন সংগ্রহ করতে। সে প্রক্রিয়ার একটি অংশ এই ‘সায়ানলাইট’।

প্রায় দুই বছরের চেষ্টায় ও সাড়ে তিন মিলিয়ন ইউরো খরচ করে এই কৃত্রিম সূর্য তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা।


এই কৃত্রিম সূর্য গবেষণায় প্রচুর এনার্জি খরচ হয়। চার ঘণ্টা ধরে যদি ওই স্পটলাইটগুলো জ্বালিয়ে রাখা হয়, তাহলে তা  একটি বাসার চার সদস্যের মানুষ পুরো বছর জুড়ে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করবে, সে পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হবে। অবশ্য এই  পরীক্ষায় ভবিষ্যতের জন্য যদি আরো উপযোগী ও নিরাপদ শক্তি ব্যবহারের খোঁজ পান গবেষকরা, তবে সেসব ঝুঁকি কোনো বড় সমস্যা নয় বিজ্ঞানীদের কাছে। এক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা চাচ্ছেন গাড়ি  ও বিমানের জন্য প্রয়োজনীয় হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপন্ন করতে।

প্রকৃতিতে বেড়ে চলা কার্বন ডাই অক্সাইডের কারণে যে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে, তা কমাতে এই উদ্যোগ নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ ছাড়া ভবিষ্যতে এই সায়ানলাইট প্রজেক্ট পৃথিবীর শক্তি সংকট নিরসনের পাশাপাশি মহাকাশযান বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়াতেও অবদান রাখতে পারবে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর সদর উপজেলা প্রশাসনের সাথে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় সভা

যেখানে তৈরি হলো সবচেয়ে বড় কৃত্রিম সূর্য !

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:১৭ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বলা হচ্ছে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় কৃত্রিম সূর্য। একটি বিশাল ঘরে অনেকগুলো স্পটলাইট এক সঙ্গে রেখে পরীক্ষা চালাচ্ছেন জার্মান বিজ্ঞানীরা।

রিনিউ করা এনার্জি হিসেবে এই আলোক শক্তিকে ব্যবহার করার পথে আছেন বিজ্ঞানীরা। জার্মানির কোলন সিটি  থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার  দূরে জুলিচ শহরে চলছে এই পরীক্ষা। জার্মান অ্যারোস্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানীরা এই বিশাল কৃত্রিম সূর্যের ডিজাইন করেছেন। এই প্রজেক্টের নাম তারা দিয়েছেন ‘সায়ানলাইট’।

ডিভাইসটিতে মোট ১৪৯টি বড় ফিল্ম প্রজেক্টর স্পটলাইট ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি স্পটলাইটে সাধারণ বাল্বের চেয়ে প্রায় ৪ হাজার গুণ বেশি ওয়াট আছে। তাই এতগুলো স্পটলাইট যখন একসঙ্গে জ্বালানো হয়, তখন তা পৃথিবীতে আসা সূর্যের আলোর চেয়ে ১০ হাজার গুণ বেশি আলো উৎপন্ন করে। সবগুলো স্পটলাইটের আলো ৩ হাজার ৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা তৈরি করতে পারে।

প্রতিদিন সূর্যের কাছ থেকে পাওয়া আলোকে বিভিন্নভাবেই কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে মানুষ। এখন সোলার প্যানেলের মাধ্যমে সৌর শক্তিকে কাজে লাগানোর চেষ্টা চললেও এই সূর্যের আলোর অনেকটাই  অব্যবহৃত হয়ে আছে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, তাদের এই গবেষণার মাধ্যমে অব্যবহৃত এনার্জি ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। তবে এই গবেষণায় ঝুঁকি যেমন বেশি তেমনি অর্থও বেশি প্রয়োজন। কারণ যে রুমে এই পরীক্ষা চালানো হয়, সেখানে কোনো মানুষই থাকতে পারে না।  সরাসরি তীব্র আলোতে সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যাবে যে কেউ। এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে একটি নিরাপদ রেডিয়েশন চেম্বারে পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।


হাইড্রোজেন গ্যাস মহাবিশ্বে প্রচুর থাকলেও পৃথিবীতে এই গ্যাসের অভাব অনেক। তাই বিজ্ঞানীরা চাচ্ছেন সূর্যের আলোকে বিশেষভাবে কাজে লাগিয়ে হাই এনার্জি রি-অ্যাকশনের মাধ্যমে তা থেকে হাইড্রোজেন সংগ্রহ করতে। সে প্রক্রিয়ার একটি অংশ এই ‘সায়ানলাইট’।

প্রায় দুই বছরের চেষ্টায় ও সাড়ে তিন মিলিয়ন ইউরো খরচ করে এই কৃত্রিম সূর্য তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা।


এই কৃত্রিম সূর্য গবেষণায় প্রচুর এনার্জি খরচ হয়। চার ঘণ্টা ধরে যদি ওই স্পটলাইটগুলো জ্বালিয়ে রাখা হয়, তাহলে তা  একটি বাসার চার সদস্যের মানুষ পুরো বছর জুড়ে যে বিদ্যুৎ ব্যবহার করবে, সে পরিমাণ বিদ্যুৎ খরচ হবে। অবশ্য এই  পরীক্ষায় ভবিষ্যতের জন্য যদি আরো উপযোগী ও নিরাপদ শক্তি ব্যবহারের খোঁজ পান গবেষকরা, তবে সেসব ঝুঁকি কোনো বড় সমস্যা নয় বিজ্ঞানীদের কাছে। এক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা চাচ্ছেন গাড়ি  ও বিমানের জন্য প্রয়োজনীয় হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপন্ন করতে।

প্রকৃতিতে বেড়ে চলা কার্বন ডাই অক্সাইডের কারণে যে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে, তা কমাতে এই উদ্যোগ নিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এ ছাড়া ভবিষ্যতে এই সায়ানলাইট প্রজেক্ট পৃথিবীর শক্তি সংকট নিরসনের পাশাপাশি মহাকাশযান বাইরে পাঠানোর প্রক্রিয়াতেও অবদান রাখতে পারবে আশা করা হচ্ছে।