শুক্রবার | ১০ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন Logo আর্ককেইউ-বার্জার অ্যাওয়ার্ড-২০২৬ পেলেন খুবির ৩১ শিক্ষার্থী Logo বিজয়ীর মহতী উদ্যোগে চিকিৎসা পেলেন দুই শতাধিক অসহায় মানুষ Logo সদরপুরে রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে অবৈধ বালু লুট: নদীভাঙন ও কৃষিজমি ধ্বংসের আশঙ্কা Logo পেট্রোল নেয়াকে কেন্দ্র করে পলাশবাড়ীতে ছুড়িকাঘাতে তিনজন আহত,গুরুতর ১জন রমেকে Logo তারেক রহমানের ছবি বিকৃতির প্রতিবাদে কয়রায় ছাত্রদল যুবদলের  বিক্ষোভ, প্রতীকী মূর্তি দাহ Logo বোতলজাত ভোজ্য তেল বাজার থেকে উধাও এর প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা ক্যাবের মানববন্ধন Logo কয়রায় ঝড়ে নৌকাডুবি, উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত; নিখোঁজ দুই জেলের খোঁজ মেলেনি Logo চাঁদপুরে বাংলা নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন

চিপ বা কার্ড নয়, এবার ডেটা রাখবে জিন !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০১:৫৬:৫৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৬ মার্চ ২০১৭
  • ৮১৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

ছবি, গান, তথ্য ও আরও অজস্র যত ডেটা আমরা তৈরি করে চলেছি, কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভে তা এঁটে উঠছে না। ফলে কত কম জায়গায় কত বেশি ডেটা রাখা যায়, তা নিয়ে বিজ্ঞানী-প্রযুক্তিবিদদের ভাবনার অন্ত নেই। চলছে নিত্য নতুন গবেষণা।

অথচ আমাদের জিনের মধ্যেই কত না তথ্য জমিয়ে রাখা আছে। যুগ যুগ ধরে এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মে যা আমরা বয়ে নিয়ে চলেছি। ডিএনএ-তে ভরা ওই সব তথ্যই ঠিক করে দিচ্ছে কেমন হবে কার চেহারা ও বৈশিষ্ট্য।

এবার এই ডিএনএ-এর মধ্যেই এবার ডিজিটাল তথ্য রাখার ব্যবস্থা করে ফেলেছেন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বিজ্ঞানী ইয়ানিভ এরলিখ ও ডিনা জিএলিস্কি এবং নিউ ইয়র্ক জিনোম সেন্টারের বিজ্ঞানীরা। মাত্র এক গ্রাম ডিএনএ-র মধ্যেই তারা রেখে দিতে পেরেছেন একটি কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম ও একটি ভাইরাস প্রোগ্রাম, ৮ এমএম-এর একটি গোটা ফিল্ম, একটি সংস্থার ডিজিটাল গিফট কার্ড, আরও বেশ কিছু ডেটা। মোট ২১৫ পেটাবাইট। অর্থাৎ ১ গ্রাম ডিএনএ-তে ২১.৫ কোটি জিবি ডেটা!

ডিএনএ-তে তথ্য রাখার চেষ্টা অবশ্য আগেও হয়েছে এবং এখন তা চলছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। তফাৎ এটাই যে সেই ডিএনএ থেকে যখন ওই সব ডিজিটাল ডেটা ফেরত নেওয়া হয়েছে, দেখা গিয়েছে সবটা ফিরে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু কিছু অংশ বাদ থেকে যাচ্ছে বা বিচ্যুতি আসছে।

ইয়ানিভরা জানাচ্ছেন, “তথ্য ভরা ডিএনএ তাঁরা এনজাইমের মাধ্যমে বারবার ‘কপি’ করেছেন। নিখুঁত ডেটা ফেরত পেয়েছেন মোট ন’বার কপি করার পরেও! এটা আগে ঘটেনি। ”

তবে জিনের জোগান অঢেল হলেও এই প্রক্রিয়াটির খরচ যথেষ্ট। ডেটা রাখতে ৭ হাজার ডলার ও তা ফেরত পেতে আরও ২ হাজার ডলার  খরচ পড়েছে ইয়ানিভদের।

তবে গবেষকরা বলছেন, তথ্য রাখার পক্ষে ডিএনএ হচ্ছে প্রকতির তৈরি আদর্শ পাত্র। যাতে সব চেয়ে কম জায়গায় সব চেয়ে বেশি তথ্য থাকে। কয়েক হাজার বছর সংরক্ষণ করা যায়। অল্প জায়গায় বিপুল ডেটা রাখা শুধু নয়, বারবার তা নিখুঁত ভাবে ফেরত পাওয়াটাও জরুরি।

ইয়ানিভরা সেই সমস্যার সমাধান করেছেন ডিএনএ-কে ‘পড়ার’ আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে। ইয়ানিভের বলেন, ‘‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাসেট বা সিডি-তে রাখা তথ্যের যে ক্ষয় হয়, ডিএনএ-তে তা হয় না। ক্যাসেট-সিডি-র মতো অচল হয়ে পড়ারও সম্ভাবনাও নেই এর। ’’

ডিএনএ-ও যদি অচল হয়ে পড়ে এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়ানিভের মন্তব্য, ‘‘ডেটা রাখার চেয়ে সেটা আমাদের কাছে ঢের বড় বিপদ।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পাঠকের ভালোবাসায় ১৮ বছর: আজ চাঁদপুরে দৈনিক বাংলাদেশের আলোর বর্ণাঢ্য আয়োজন

চিপ বা কার্ড নয়, এবার ডেটা রাখবে জিন !

আপডেট সময় : ০১:৫৬:৫৬ অপরাহ্ণ, সোমবার, ৬ মার্চ ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

ছবি, গান, তথ্য ও আরও অজস্র যত ডেটা আমরা তৈরি করে চলেছি, কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভে তা এঁটে উঠছে না। ফলে কত কম জায়গায় কত বেশি ডেটা রাখা যায়, তা নিয়ে বিজ্ঞানী-প্রযুক্তিবিদদের ভাবনার অন্ত নেই। চলছে নিত্য নতুন গবেষণা।

অথচ আমাদের জিনের মধ্যেই কত না তথ্য জমিয়ে রাখা আছে। যুগ যুগ ধরে এক প্রজন্ম থেকে পরের প্রজন্মে যা আমরা বয়ে নিয়ে চলেছি। ডিএনএ-তে ভরা ওই সব তথ্যই ঠিক করে দিচ্ছে কেমন হবে কার চেহারা ও বৈশিষ্ট্য।

এবার এই ডিএনএ-এর মধ্যেই এবার ডিজিটাল তথ্য রাখার ব্যবস্থা করে ফেলেছেন কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই বিজ্ঞানী ইয়ানিভ এরলিখ ও ডিনা জিএলিস্কি এবং নিউ ইয়র্ক জিনোম সেন্টারের বিজ্ঞানীরা। মাত্র এক গ্রাম ডিএনএ-র মধ্যেই তারা রেখে দিতে পেরেছেন একটি কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম ও একটি ভাইরাস প্রোগ্রাম, ৮ এমএম-এর একটি গোটা ফিল্ম, একটি সংস্থার ডিজিটাল গিফট কার্ড, আরও বেশ কিছু ডেটা। মোট ২১৫ পেটাবাইট। অর্থাৎ ১ গ্রাম ডিএনএ-তে ২১.৫ কোটি জিবি ডেটা!

ডিএনএ-তে তথ্য রাখার চেষ্টা অবশ্য আগেও হয়েছে এবং এখন তা চলছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে। তফাৎ এটাই যে সেই ডিএনএ থেকে যখন ওই সব ডিজিটাল ডেটা ফেরত নেওয়া হয়েছে, দেখা গিয়েছে সবটা ফিরে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছু কিছু অংশ বাদ থেকে যাচ্ছে বা বিচ্যুতি আসছে।

ইয়ানিভরা জানাচ্ছেন, “তথ্য ভরা ডিএনএ তাঁরা এনজাইমের মাধ্যমে বারবার ‘কপি’ করেছেন। নিখুঁত ডেটা ফেরত পেয়েছেন মোট ন’বার কপি করার পরেও! এটা আগে ঘটেনি। ”

তবে জিনের জোগান অঢেল হলেও এই প্রক্রিয়াটির খরচ যথেষ্ট। ডেটা রাখতে ৭ হাজার ডলার ও তা ফেরত পেতে আরও ২ হাজার ডলার  খরচ পড়েছে ইয়ানিভদের।

তবে গবেষকরা বলছেন, তথ্য রাখার পক্ষে ডিএনএ হচ্ছে প্রকতির তৈরি আদর্শ পাত্র। যাতে সব চেয়ে কম জায়গায় সব চেয়ে বেশি তথ্য থাকে। কয়েক হাজার বছর সংরক্ষণ করা যায়। অল্প জায়গায় বিপুল ডেটা রাখা শুধু নয়, বারবার তা নিখুঁত ভাবে ফেরত পাওয়াটাও জরুরি।

ইয়ানিভরা সেই সমস্যার সমাধান করেছেন ডিএনএ-কে ‘পড়ার’ আধুনিক পদ্ধতির মাধ্যমে। ইয়ানিভের বলেন, ‘‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্যাসেট বা সিডি-তে রাখা তথ্যের যে ক্ষয় হয়, ডিএনএ-তে তা হয় না। ক্যাসেট-সিডি-র মতো অচল হয়ে পড়ারও সম্ভাবনাও নেই এর। ’’

ডিএনএ-ও যদি অচল হয়ে পড়ে এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়ানিভের মন্তব্য, ‘‘ডেটা রাখার চেয়ে সেটা আমাদের কাছে ঢের বড় বিপদ।