খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) পরিবেশ বিজ্ঞান, মৎস্যবিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ প্রযুক্তি এবং ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের স্বতন্ত্র ক্লাবগুলোর উদ্যোগে ‘প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধের জন্য সম্প্রদায় সচেতনতা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা’ শীর্ষক অভিযান চালানো হয়েছে। আজ ৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এ কার্যক্রম পরিচলনা করেন উক্ত ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা। এ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীব বিজ্ঞান স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মো. গোলাম হোসেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, এ ধরনের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা চর্চা আমাদেরকে কমিউনিটি পর্যায়েও করতে হবে। কারণ সচেতনতা বৃদ্ধি পেলে জাতি উন্নত হবে। আমরা বাইরের দেশগুলোতে এধনের সচেতনতা দেখতে পায় যা তাদের সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে। তাই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের এধনের গবেষণাকে কাজে বাস্তবায়ন করতে হবে পাশাপাশি অন্য সকল ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীদের এধরণের সচেতনতামূলক কাজে অংশগ্রহণ করাতে হবে। যাতে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সকলে মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং অভযানটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হয়।
এসময় মৎস্যবিজ্ঞান ও সামুদ্রিক সম্পদ প্রযুক্তি ডিসিপ্লিনের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল রউফ বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত যে প্লাস্টিকগুলো ব্যাবহার করি সেগুলো যদি সচেতনতার সাথে সংরক্ষণ করি তাহলে পরিবেশ দূষণ অনেকাংশে কমবে। আজকের এই পরিছন্নতা অভিযানে সকলকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে যাতে আমাদের দ্বারা কোনো প্লাস্টিকের দূষণ না হয়। আশাকরি আমাদের এই সচেতনতামূলক অভিযানটি একসময় বিশ্ববিদ্যালয় ছাপিয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়বে।
এছাড়াও পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থী ফাহাদ বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিনিয়ত প্লাস্টিক বা অনান্য বর্জ্যের ব্যাবহার বেড়েই চলেছে। আমাদের প্রত্যেককে নিজেদের জায়গা থেকে সচেতন হয়ে এগুলো ব্যাবহার করতে হবে। কারণ এগুলো আমাদের পরিবেশের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করে যার ফলে বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এমনকি ক্যান্সারের মতো রোগ দেখা দেয়। তাই আমাদের উচিত প্লাস্টিক ব্যাবহারের পর সেগুলো ডাস্টবিনে ফেলা।
তাছাড়াও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে শিক্ষার্থীরা প্রথমে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া ও পার্শ্ববর্তী দোকান, অদম্য বাংলা, তিন নাম্বর একাডেমিক ভবনের সামনে ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মাঠের প্লাস্টিকসহ অনান্য বর্জ্য পদার্থ সংগ্রহ করেন এবং পরবর্তীতে সেগুলো পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের কাছে হস্তান্তর করেন।








































