শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে মান্দারবাড়িয়া সংলগ্ন নদীপথে অভিযান পরিচালনা করে বনবিভাগ। সন্দেহজনকভাবে মাছ আহরণের সময় ২২ জন জেলেকে আটক করা হয়।
বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জেলেরা অনুমতি ছাড়া সংরক্ষিত বনাঞ্চলে প্রবেশ করে অবৈধভাবে মাছ আহরণ করছিলেন। অভিযানকালে দুটি ট্রলার জব্দ করা হয়। পাশাপাশি ট্রলার থেকে দড়িবড়শি, বরফের বক্সসহ মাছ ধরার বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। আনুমানিক ৪০০ কেজি শাপলা পাতা মাছও জব্দ করা হয়। জব্দকৃত ট্রলার ও সরঞ্জাম বনবিভাগের হেফাজতে রাখা হয়েছে।
অভিযানে অংশ নেওয়া সহকারী বন সংরক্ষক মশিউর রহমান জানান, সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ ও মাছ আহরণ দণ্ডনীয় অপরাধ। আটক জেলেদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আটককৃত জেলেরা হলেন,জামাল হওলাদার (৩২), পিতা: ছাত্তার হাওলাদার, গ্রাম: আলীপুর, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী। মো. ছোমেদ (৪৫), পিতা: মমিনুদ্দিন হাওলাদার, গ্রাম: মহিপুর, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী।মো. কালু (৪৮), পিতা: আবুল ফরাজ হাওলাদার, গ্রাম: আলীপুর, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী। ফরহাদ (৩০), পিতা: আব্দুল মজিদ, গ্রাম: আলীপুর, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী।মো. ইয়াছিন খান (৪০), পিতা: আব্দুর রহমান খান, গ্রাম: আলীপুর, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী।দুলাল গাজী (৩০), পিতা: শাহ আলম গাজী, গ্রাম: আলীপুর, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী।মো. হানিফ হাওলাদার (৪০), পিতা: মৃত ওয়াহেদ হাওলাদার, গ্রাম: আলীপুর, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী। মো. রাসেল (৩০), পিতা: মজিবর হাওলাদার, গ্রাম: চাপলি, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী।মো. শফিকুল খান (২০), পিতা: মফিজ খান, গ্রাম: কোদালীয়া, থানা: মোল্লাহাট, জেলা: বাগেরহাট। রাজীব হাওলাদার (অপ্রাপ্তবয়স্ক), পিতা: জামাল হাওলাদার, গ্রাম: আলীপুর, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী।ইসমাইল (অপ্রাপ্তবয়স্ক), পিতা: মো. নিজাম মির, গ্রাম: তালতলী, থানা: তালতলী, জেলা: পটুয়াখালী।. ইব্রাহিম (অপ্রাপ্তবয়স্ক), পিতা: আফজাল হাওলাদার, গ্রাম: আলীপুর, থানা: মহিপুর, জেলা: পটুয়াখালী।
মো. শরিফ মিয়া (অপ্রাপ্তবয়স্ক), পিতা: বাদশা মিয়া, গ্রাম: দক্ষিণ বড়বিঘা, থানা: পটুয়াখালী সদর, জেলা: পটুয়াখালী।
(বাকি আটক জেলেদের পরিচয় যাচাই–বাছাই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে বনবিভাগ সূত্রে জানা গেছে।)
অন্যদিকে আটক জেলেরা দাবি করেছেন, ঘন কুয়াশার কারণে তারা নদীপথে দিকভ্রান্ত হয়ে মান্দারবাড়িয়া এলাকার কাছাকাছি চলে আসেন। তখন বন বিভাগের একটি টহল দল তাদের আটক করে।
বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান জানান,সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে নিয়মিত আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।



















































