সোমবার | ৬ এপ্রিল ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo চাঁদপুরে নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দপ্তর প্রধানগনের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা Logo খুবিতে ইয়েস প্রোগ্রাম: তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান Logo খুবির কলা ও মানবিক স্কুলের নতুন ডিন অধ্যাপক ড. মো. দুলাল হোসেন Logo ডাব থেকে টিউমার: শাহরাস্তিতে চিকিৎসা দক্ষতায় আস্থার নাম ডা. মো. আরিফুল হাসান Logo থানায় ডুকে ওসিসহ পুলিশ সদস্যদের উপর হামলায় এজাহার ভুক্ত যুব জামাতের ২ নেতা  ডিবির হাতে গ্রেফতার  Logo নতুন সময়সূচিতে চলবে সরকারি-বেসরকারি অফিস Logo খুব দ্রুত আমরা দলকে কাউন্সিলের দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করব : মির্জা ফখরুল Logo বীরগঞ্জ ক্লিনিকে সিজারে প্রসূতির মৃত্যু, কর্তৃপক্ষ পলাতক Logo হরমুজ ইস্যুতে ‘উসকানিমূলক পদক্ষেপ’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান ইরানের Logo মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ এখন বৈশ্বিক সংকটে রূপ নিয়েছে, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে : আমির খসরু

খুবিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাছ ধরার উৎসব অনুষ্ঠিত

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী মাছ ধরার উৎসব। আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর একাডেমিক ভবন সংলগ্ন পুকুরপাড়ে জমে ওঠে উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন।
সকালে ফিতা কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। এসময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দিনভর মাছ ধরার পর বিকেলে সবচেয়ে বেশি ওজনের মাছ শিকার করা তিন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম হন অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের ’২৩ ব্যাচের নাঈমুল হাসান রামিম, দ্বিতীয় হন বিজিই ডিসিপ্লিনের ’২২ ব্যাচের ইয়ামিন এবং তৃতীয় হন ভাস্কর্য ডিসিপ্লিনের ’২৫ ব্যাচের আমিরুল এহসান।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করতেই এ আয়োজন। ব্যস্ত একাডেমিক জীবনের ফাঁকে এমন আয়োজন তাদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করে এবং পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ছাত্র বিষয়ক পরিচালক বলেন, শিক্ষার্থীরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রার চালিকাশক্তি। শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে এ ধরনের আরও আয়োজন করা হবে।
বিজয়ী শিক্ষার্থীরা বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা ছিল আনন্দঘন। সহপাঠীদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ হয়েছে। প্রতিবছর এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে নবাগত জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দপ্তর প্রধানগনের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা

খুবিতে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে মাছ ধরার উৎসব অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় : ০৫:৩০:১১ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমী মাছ ধরার উৎসব। আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) সকাল থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর একাডেমিক ভবন সংলগ্ন পুকুরপাড়ে জমে ওঠে উৎসবের আমেজ। বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশ নেন।
সকালে ফিতা কেটে উৎসবের উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান ও ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। এসময় শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দিনভর মাছ ধরার পর বিকেলে সবচেয়ে বেশি ওজনের মাছ শিকার করা তিন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়। প্রথম হন অর্থনীতি ডিসিপ্লিনের ’২৩ ব্যাচের নাঈমুল হাসান রামিম, দ্বিতীয় হন বিজিই ডিসিপ্লিনের ’২২ ব্যাচের ইয়ামিন এবং তৃতীয় হন ভাস্কর্য ডিসিপ্লিনের ’২৫ ব্যাচের আমিরুল এহসান।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বাড়ানোর পাশাপাশি গ্রামীণ সংস্কৃতির সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে পরিচিত করতেই এ আয়োজন। ব্যস্ত একাডেমিক জীবনের ফাঁকে এমন আয়োজন তাদের জন্য ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা তৈরি করে এবং পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
ছাত্র বিষয়ক পরিচালক বলেন, শিক্ষার্থীরাই বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রার চালিকাশক্তি। শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে এ ধরনের আরও আয়োজন করা হবে।
বিজয়ী শিক্ষার্থীরা বলেন, উৎসবমুখর পরিবেশে মাছ ধরার অভিজ্ঞতা ছিল আনন্দঘন। সহপাঠীদের সঙ্গে সময় কাটানো এবং নতুন করে সম্পর্ক গড়ে তোলার সুযোগ হয়েছে। প্রতিবছর এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা