বুধবার | ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo নীলকমল ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ চরাঞ্চলের মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত, তারা যেনো ভিন্ন কোনো গ্রহের -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo আমরা বিএনপি পরিবারের উদ্যোগে সাতক্ষীরার ৬নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি Logo চাঁদপুর জেলা কারাগারে গণভোট বিষয়ে জনসচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত Logo নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সম্ভাবনা নেই : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে জাবিতে ছাত্রশক্তির ক্যাম্পেইন শুরু Logo মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ডিএনসি: চাঁদপুরে আলোচনা সভা ও গণভোট সচেতনতা কার্যক্রম Logo শেরপুর সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের উদ্যোগে স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত Logo খালাসের সময় ১৪ কোটি টাকার রাষ্ট্রীয় তেল ঘাটতির অভিযোগে দুদকের অভিযান Logo হাসান আলী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য হতে হবে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শীর্ষে পৌঁছানো-জেলা প্রশাসক, চাঁদপুর Logo সাতক্ষীরা পৌর বিএনপির উদ্যোগে ৫নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের প্রার্থীর নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত

ট্রাম্প স্বাক্ষর করলে যুদ্ধ অনিবার্য!

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:৩১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২ মার্চ ২০১৮
  • ৮০৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার লক্ষ্যে পাস হওয়া বিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সই করলে চীন প্রয়োজনে যুদ্ধে যাবে বলে বেইজিং হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে চীন নিজের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে মনে করে।

মার্কিন সিনেট বুধবার সর্বসম্মতিক্রমে ‘তাইওয়ান ট্র্যাভেল অ্যাক্ট’ বিল পাস করে। এর ফলে এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সই করলেই এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনে পরিণত হবে।

বিলে বলা হয়েছে, তাইওয়ানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা ‘সম্মানজনক মর্যাদা নিয়ে’ যুক্তরাষ্ট্র সফর করতে এবং শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন। সেই সঙ্গে যেকোনো পর্যায়ের মার্কিন কর্মকর্তা তাইওয়ান সফরে গিয়ে তাদের সমকক্ষদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।

তবে বেইজিং মনে করছে, এ বিষয়টি ‘এক চীন’ নীতির পরিপন্থী এবং এ কারণে এরই মধ্যে সিনেটে বিল পাসের প্রতিবাদ জানিয়েছে চীন।

আর আজ চীনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত পত্রিকা ‘চায়না ডেইলি’ এক সম্পাদকীয়তে লিখেছে, বিলটি আইনে পরিণত হলে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন এই দ্বীপটির ওপর আরো বেশি সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের চেষ্টা করবেন।

সম্পাদকীয়তে আরো বলা হয়েছে, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট যদি সে ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেন তাহলে দ্বীপটির আলাদা হয়ে যাওয়া ঠেকাতে বেইজিং বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হবে। এ ব্যাপারে চীনের পার্লামেন্টে ২০০৫ সালে পাস হওয়া একটি আইনের উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়।

চায়না ডেইলির সম্পাদকীয়তে বলা হয়, তাইওয়ানের পক্ষে কথা বলার জন্য আমেরিকা যদি তার অভ্যন্তরীণ আইনের অজুহাত তোলে তাহলে চীন তার নিজস্ব আইন প্রয়োগ করবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি অতি সহজে নরকে পরিণত হবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নীলকমল ইউনিয়নে ব্যাপক গণসংযোগ চরাঞ্চলের মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত, তারা যেনো ভিন্ন কোনো গ্রহের -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ

ট্রাম্প স্বাক্ষর করলে যুদ্ধ অনিবার্য!

আপডেট সময় : ০৭:৪২:৩১ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ২ মার্চ ২০১৮

নিউজ ডেস্ক: তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার লক্ষ্যে পাস হওয়া বিলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সই করলে চীন প্রয়োজনে যুদ্ধে যাবে বলে বেইজিং হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপ তাইওয়ানকে চীন নিজের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে মনে করে।

মার্কিন সিনেট বুধবার সর্বসম্মতিক্রমে ‘তাইওয়ান ট্র্যাভেল অ্যাক্ট’ বিল পাস করে। এর ফলে এখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সই করলেই এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনে পরিণত হবে।

বিলে বলা হয়েছে, তাইওয়ানের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা ‘সম্মানজনক মর্যাদা নিয়ে’ যুক্তরাষ্ট্র সফর করতে এবং শীর্ষস্থানীয় মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন। সেই সঙ্গে যেকোনো পর্যায়ের মার্কিন কর্মকর্তা তাইওয়ান সফরে গিয়ে তাদের সমকক্ষদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন।

তবে বেইজিং মনে করছে, এ বিষয়টি ‘এক চীন’ নীতির পরিপন্থী এবং এ কারণে এরই মধ্যে সিনেটে বিল পাসের প্রতিবাদ জানিয়েছে চীন।

আর আজ চীনের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত পত্রিকা ‘চায়না ডেইলি’ এক সম্পাদকীয়তে লিখেছে, বিলটি আইনে পরিণত হলে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন এই দ্বীপটির ওপর আরো বেশি সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের চেষ্টা করবেন।

সম্পাদকীয়তে আরো বলা হয়েছে, তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট যদি সে ধরনের কোনো পদক্ষেপ নেন তাহলে দ্বীপটির আলাদা হয়ে যাওয়া ঠেকাতে বেইজিং বলপ্রয়োগ করতে বাধ্য হবে। এ ব্যাপারে চীনের পার্লামেন্টে ২০০৫ সালে পাস হওয়া একটি আইনের উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়।

চায়না ডেইলির সম্পাদকীয়তে বলা হয়, তাইওয়ানের পক্ষে কথা বলার জন্য আমেরিকা যদি তার অভ্যন্তরীণ আইনের অজুহাত তোলে তাহলে চীন তার নিজস্ব আইন প্রয়োগ করবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি অতি সহজে নরকে পরিণত হবে।