শুক্রবার | ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে Logo বীরগঞ্জে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন Logo বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বক্তব্য বিকৃত করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা Logo ইবিতে নারী শিক্ষার্থীদের আত্মরক্ষা কৌশল ও আত্মবিশ্বাস উন্নয়ন কর্মশালা উদ্বোধন Logo নির্বাচনী নিরাপত্তায় কয়রায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সচেতনতামূলক ফুট পেট্রোলিং

জনআস্থা অর্জন বিএনপির জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৪১ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০১৭
  • ৭৮৫ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ‘রূপকল্প-২০৩০’ ঘোষণার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, এটি অনেকটা নির্বাচনী ইশতেহারের মতোই হয়ে গেছে। এই ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে হলে তাদের আগে ক্ষমতায় যেতে হবে। রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজন দেশবাসীর আস্থা। কিন্তু জন আস্থা অর্জন তাদের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। নানা ধরণের সন্ত্রাসী কাজে যারা পারদর্শী। তারা (বিএনপি) আবার জনগণকে কি আশার বাণী শোনাবে? আগে তাদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে যে, অতীতের নেতিবাচক রাজনীতি, অনিয়মতান্ত্রিক তৎপরতায় তারা আর ফিরে যাবে না।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনে গতকাল বুধবার টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা এমপি বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, রূপকল্পের নামে বিএনপি নেত্রী ক্ষমতায় গেলে তাঁরা কী কী করবেন তার দীর্ঘ ফর্দ দিয়েছেন। কিন্তু কীভাবে কোনো পদ্ধতিতে এটা বাস্তবায়ন করা হবে, কীভাবে অর্থায়ন করা হবে- তা স্পষ্ট নয়। এটি অনেকটা নির্বাচনী ইশতেহারের মতোই হয়ে গেছে। এই ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে হলে তাদের আগে ক্ষমতায় যেতে হবে। শুধু তাই নয়, পার্লামেন্টারি পদ্ধতি ও গণভোট পদ্ধতির পরিবর্তনসহ আরও যেসব মৌল পরিবর্তন তারা আনতে চাচ্ছেন, তার জন্য তো সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট লাগবে। এজন্য জন আস্থা প্রয়োজন। বিএনপি তাদের শাসনামলে অনিয়ম-দুর্নীতি, জঙ্গী পৃষ্ঠপোষকতার যে দৃষ্টান্ত রেখেছেন, এরপর ক্ষমতায় বাইরে থেকে জ্বালাও-পোড়াওসহ অনিয়মতান্ত্রিক তৎপরতা দিয়ে যে নেতিবাচক ইমেজ তৈরি করেছে, তা কাটিয়ে উঠে এতটা সহজ নয়। জনআস্থা অর্জন তাদের জন্য যে কঠিন চ্যালেঞ্জ তা বলাই বাহুল্য।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি তাদের রূপকল্প-২০৩০- এ যে বিষয়গুলো উল্লেখ করেছে তার অধিকাংশই আমাদের সরকার ইতোমধ্যে পূরণ করেছে এবং আগামী অর্থবছরে আমরা বাকি কাজগুলো শেষ করবো। আমাদের এই মেয়াদের মধ্যেই রূপকল্প-২০৪১ উপহার দেব। এছাড়া ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহারে ২০৪১-তে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বের প্রথমসারির উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে উন্নীত করার রূপরেখা অঙ্কিত হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জনআস্থা অর্জন বিএনপির জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী !

আপডেট সময় : ০৮:৫৮:৪১ পূর্বাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার ‘রূপকল্প-২০৩০’ ঘোষণার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, এটি অনেকটা নির্বাচনী ইশতেহারের মতোই হয়ে গেছে। এই ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে হলে তাদের আগে ক্ষমতায় যেতে হবে। রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজন দেশবাসীর আস্থা। কিন্তু জন আস্থা অর্জন তাদের জন্য কঠিন চ্যালেঞ্জ। নানা ধরণের সন্ত্রাসী কাজে যারা পারদর্শী। তারা (বিএনপি) আবার জনগণকে কি আশার বাণী শোনাবে? আগে তাদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে যে, অতীতের নেতিবাচক রাজনীতি, অনিয়মতান্ত্রিক তৎপরতায় তারা আর ফিরে যাবে না।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্বে বাজেট অধিবেশনে গতকাল বুধবার টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত মহিলা এমপি বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির প্রশ্নের লিখিত উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, রূপকল্পের নামে বিএনপি নেত্রী ক্ষমতায় গেলে তাঁরা কী কী করবেন তার দীর্ঘ ফর্দ দিয়েছেন। কিন্তু কীভাবে কোনো পদ্ধতিতে এটা বাস্তবায়ন করা হবে, কীভাবে অর্থায়ন করা হবে- তা স্পষ্ট নয়। এটি অনেকটা নির্বাচনী ইশতেহারের মতোই হয়ে গেছে। এই ইশতেহার বাস্তবায়ন করতে হলে তাদের আগে ক্ষমতায় যেতে হবে। শুধু তাই নয়, পার্লামেন্টারি পদ্ধতি ও গণভোট পদ্ধতির পরিবর্তনসহ আরও যেসব মৌল পরিবর্তন তারা আনতে চাচ্ছেন, তার জন্য তো সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট লাগবে। এজন্য জন আস্থা প্রয়োজন। বিএনপি তাদের শাসনামলে অনিয়ম-দুর্নীতি, জঙ্গী পৃষ্ঠপোষকতার যে দৃষ্টান্ত রেখেছেন, এরপর ক্ষমতায় বাইরে থেকে জ্বালাও-পোড়াওসহ অনিয়মতান্ত্রিক তৎপরতা দিয়ে যে নেতিবাচক ইমেজ তৈরি করেছে, তা কাটিয়ে উঠে এতটা সহজ নয়। জনআস্থা অর্জন তাদের জন্য যে কঠিন চ্যালেঞ্জ তা বলাই বাহুল্য।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি তাদের রূপকল্প-২০৩০- এ যে বিষয়গুলো উল্লেখ করেছে তার অধিকাংশই আমাদের সরকার ইতোমধ্যে পূরণ করেছে এবং আগামী অর্থবছরে আমরা বাকি কাজগুলো শেষ করবো। আমাদের এই মেয়াদের মধ্যেই রূপকল্প-২০৪১ উপহার দেব। এছাড়া ‘এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ’ শীর্ষক নির্বাচনী ইশতেহারে ২০৪১-তে দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে বিশ্বের প্রথমসারির উন্নত দেশগুলোর সমপর্যায়ে উন্নীত করার রূপরেখা অঙ্কিত হয়েছে।