নিউজ ডেস্ক:
নানা জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে সরানো হলো ‘গ্রিক দেবী’র ভাস্কর্য। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ভাস্কর্যটি সরিয়ে নেওয়া হয়। রমজানের আগেই ভাস্কর্যটি সরানোর দাবিতে গত ১৮ মে বিবৃতি দিয়েছিল হেফাজতে ইসলাম।
ভাস্কর্যটি ভাঙার সময় ভেতরে এই ভাস্কর্যের নির্মাতা শিল্পী মৃণাল হককেও দেখা গেছে। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তার তত্ত্বাবধানেই ভাস্কর্যটি সরানো হচ্ছে। তাকে এ সময় অশ্রুসিক্ত দেখা যায়। তিনি বলেন, বিভিন্নভাবে বেশ কিছুদিন ধরে তার ওপর ভাস্কর্য সরিয়ে নিতে চাপ সৃষ্টি করা হয়। এটি আপাতত সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে সুপ্রিম কোর্টের বর্ধিত ভবনের পাশে এটি বসানো হতে পারে।
রাত সাড়ে ১১টার দিকে ভাস্কর্যটি সরানোর কাজ শুরু হয়। শেষ রাতেও কাজ চলছিল। এসময় সুপ্রিম কোর্টের সব কটি ফটক বন্ধ রাখা হয়।
বেশ কিছুদিন ধরেই এটি অপসারণ হবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। একদিন আগে হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত আসে অপসারণের। গতকাল রাত ১২টার দিকে দেখা যায়, একদল শ্রমিক ভাস্কর্যটির পাটাতন আলগা করার কাজ করছে। এ সময় পাশে কয়েকটি ছোট ট্রাক ও গাড়ি দাঁড়িয়ে ছিল।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম রাতে গণমাধ্যমকে জানান, গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্ট বারের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সিনিয়র আইনজীবীসহ অ্যাটর্নি জেনারেলকে ডাকেন। সেখানে তিনি ভাস্কর্য সরানোর ব্যাপারে সবার মতামত জানতে চান। সবাই মত দেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এটা সরানো প্রয়োজন।
এদিকে ভাস্কর্য অপসারণের প্রতিবাদে গতকাল রাতে সুপ্রিম কোর্টের বাইরের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে গণজাগরণ মঞ্চ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনতা।

























































