রবিবার | ৩০ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo মেডিকেল বোর্ডের দেওয়া চিকিৎসা খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন : ডা. জাহিদ Logo কচুয়ায় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন গণঅধিকার পরিষদ নেতা এনায়েত হাসিব Logo কচুয়ায় ইউএনও হেলাল চৌধুরীর বিদায় সংবর্ধনা Logo জীবননগর ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা সভাপতি রিংকু, সম্পাদক ফরহাদ Logo ঝিকুট ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক হাজার মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান Logo সুপারস্টার ফ্যান ক্লাবের জমকালো আয়োজনে চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব এর জন্মদিন পালন Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক:

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড : আপিল বিভাগ

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ১২:২৯:৩২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৭
  • ৭৬৩ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু (ন্যাচারাল লাইফ) কারাদণ্ড বলে উল্লেখ করেছেন আপিল বিভাগ।
গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সাভারের এক হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ কথা উল্লেখ করেছেন আপিল বিভাগ। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার রায় ঘোষণার সময় আপিল বিভাগ বলেছিলেন, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু (ন্যাচারাল লাইফ) কারাবাস।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।
ওই হত্যা মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি বলেছেন, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু (ন্যাচারাল লাইফ) কারাবাস। তখন আমি এর প্রতিবাদ করেছি। আমি বলেছি, দণ্ডবিধির ৫৭ ধরায় যাবজ্জীবন দণ্ড অর্থ ৩০ বছর। এ ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা কারাগারে রেয়াত পেলে দণ্ড আরো কমে আসে। যদি আমৃত্যুই হয়ে থাকে তাহলে এদের রেয়াতের কী হবে? আমি আরো বলেছি, প্রধান বিচারপতির এ মন্তব্য যেন মূল রায়ে না থাকে। তবে এটা যদি থাকে তাহলে সব আসামির ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সাভারের তিনজনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে যাবজ্জীবন দণ্ড দেন আদালত। তবে আদেশে বলেছেন, যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর নয়, আমৃত্যু কারাদণ্ড। তখন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেছেন, যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, মূল রায়ে এটার ব্যাখ্যা থাকবে।

২০০১ সালে সাভারে জামান নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০০৩ সালে দ্রুত বিচার আদালত তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। হাইকোর্টে আপিলের পর বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল থাকে। পরে আপিলের পর ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনজনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়া হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মেডিকেল বোর্ডের দেওয়া চিকিৎসা খালেদা জিয়া গ্রহণ করতে পারছেন : ডা. জাহিদ

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু কারাদণ্ড : আপিল বিভাগ

আপডেট সময় : ১২:২৯:৩২ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু (ন্যাচারাল লাইফ) কারাদণ্ড বলে উল্লেখ করেছেন আপিল বিভাগ।
গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সাভারের এক হত্যা মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে এ কথা উল্লেখ করেছেন আপিল বিভাগ। এর আগে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই মামলার রায় ঘোষণার সময় আপিল বিভাগ বলেছিলেন, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু (ন্যাচারাল লাইফ) কারাবাস।

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় দেন।
ওই হত্যা মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘প্রধান বিচারপতি বলেছেন, যাবজ্জীবন মানে আমৃত্যু (ন্যাচারাল লাইফ) কারাবাস। তখন আমি এর প্রতিবাদ করেছি। আমি বলেছি, দণ্ডবিধির ৫৭ ধরায় যাবজ্জীবন দণ্ড অর্থ ৩০ বছর। এ ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা কারাগারে রেয়াত পেলে দণ্ড আরো কমে আসে। যদি আমৃত্যুই হয়ে থাকে তাহলে এদের রেয়াতের কী হবে? আমি আরো বলেছি, প্রধান বিচারপতির এ মন্তব্য যেন মূল রায়ে না থাকে। তবে এটা যদি থাকে তাহলে সব আসামির ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হবে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, সাভারের তিনজনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে যাবজ্জীবন দণ্ড দেন আদালত। তবে আদেশে বলেছেন, যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর নয়, আমৃত্যু কারাদণ্ড। তখন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেছেন, যাবজ্জীবন মানে ৩০ বছর। জবাবে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, মূল রায়ে এটার ব্যাখ্যা থাকবে।

২০০১ সালে সাভারে জামান নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ২০০৩ সালে দ্রুত বিচার আদালত তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। হাইকোর্টে আপিলের পর বিচারিক আদালতের দণ্ড বহাল থাকে। পরে আপিলের পর ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনজনের মৃত্যুদণ্ড মওকুফ করে যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়া হয়।