শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

৩ মাসে গণচাঁদা থেকে এনসিপির আয় কত?

  • নীলকন্ঠ অনলাইন নীলকন্ঠ অনলাইন
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৬:০৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫
  • ৭৩৭ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গত ৩ মাসে গণচাঁদা থেকে কত টাকা পেয়েছে তা জানিয়েছে দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। ‘আপনার অনুদান, আগামীর বাংলাদেশ’ স্লোগানে ক্রাউড ফান্ডিংয়ের (গণচাঁদা সংগ্রহ) শুরু করেছে দলটি।

বুধবার (০৪ জুন) বিকেলে ঢাকার বাংলামোটরের দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।

এই কার্যক্রম ঘোষণার পর থেকে দলটিকে অনেকেই চাঁদা দিচ্ছেন। দলটির নিজস্ব ওয়েবসাইটে সেই হিসাব সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

চাইলেই যে কেউ চাঁদার পরিমাণ দেখতে পারবেন। এ ছাড়া কোন জেলা থেকে কত টাকা অনুদান আসছে, সেটিও দেখা যাচ্ছে ওয়েবসাইটে। গণচাঁদা আসার সঙ্গেই সেটি ওয়েবসাইটে আপডেটও রাখা হচ্ছে। দলটির ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা গেছে, গত তিন মাসে দলটিকে চাঁদা দিয়েছেন ১ হাজার ৬৩৫ জন।

তাদের পাঠানো টাকার পরিমাণ ৩ লাখ ৮৫ হাজার। সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯২ টাকা চাঁদা দিয়েছে ঢাকা জেলার মানুষ। এরপরে চট্টগ্রাম জেলাসহ অধিকাংশ জেলা ও প্রবাসীরাও দলটির জন্য চাঁদা পাঠাচ্ছেন। জানা গেছে, দলটি আয়ের জন্য দলীয় আর্থিক নীতিমালা ঘোষণা করেছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, দলের সদস্যদের চাঁদা, গণচাঁদা, জনগণের দান ও করপোরেট অনুদানে চলবে এনসিপি। আয়ের জন্য টি-শার্ট, মগ, বই, প্রকাশনা বিক্রি করা হবে। দলের নিবন্ধন পাওয়ার পর প্রবাসীরাও অনুদান দিতে পারবেন। donet.ncpbd.org ওয়েবসাইট, ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকের মাধ্যমে এই অনুদান দেওয়া যাবে। নীতিমালায় আরো বলা হয়, দলটি ১০০ টাকা করে সদস্য ফরম বিক্রি করবে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার ফরম সারা দেশে পাঠানো হয়েছে।

আরো ৫০ হাজার ফরম পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে। ফরম বিক্রি এবং সারা দেশের কমিটির সদস্যদের অনুদানে ২ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ তহবিলকে বলা হয়েছে ‘নাগরিক আমানত’।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

৩ মাসে গণচাঁদা থেকে এনসিপির আয় কত?

আপডেট সময় : ০৭:৪৬:০৬ অপরাহ্ণ, বৃহস্পতিবার, ৫ জুন ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গত ৩ মাসে গণচাঁদা থেকে কত টাকা পেয়েছে তা জানিয়েছে দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। ‘আপনার অনুদান, আগামীর বাংলাদেশ’ স্লোগানে ক্রাউড ফান্ডিংয়ের (গণচাঁদা সংগ্রহ) শুরু করেছে দলটি।

বুধবার (০৪ জুন) বিকেলে ঢাকার বাংলামোটরের দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান তিনি।

এই কার্যক্রম ঘোষণার পর থেকে দলটিকে অনেকেই চাঁদা দিচ্ছেন। দলটির নিজস্ব ওয়েবসাইটে সেই হিসাব সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

চাইলেই যে কেউ চাঁদার পরিমাণ দেখতে পারবেন। এ ছাড়া কোন জেলা থেকে কত টাকা অনুদান আসছে, সেটিও দেখা যাচ্ছে ওয়েবসাইটে। গণচাঁদা আসার সঙ্গেই সেটি ওয়েবসাইটে আপডেটও রাখা হচ্ছে। দলটির ওয়েবসাইট ঘুরে দেখা গেছে, গত তিন মাসে দলটিকে চাঁদা দিয়েছেন ১ হাজার ৬৩৫ জন।

তাদের পাঠানো টাকার পরিমাণ ৩ লাখ ৮৫ হাজার। সর্বোচ্চ ১ লাখ ২৬ হাজার ৭৯২ টাকা চাঁদা দিয়েছে ঢাকা জেলার মানুষ। এরপরে চট্টগ্রাম জেলাসহ অধিকাংশ জেলা ও প্রবাসীরাও দলটির জন্য চাঁদা পাঠাচ্ছেন। জানা গেছে, দলটি আয়ের জন্য দলীয় আর্থিক নীতিমালা ঘোষণা করেছে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, দলের সদস্যদের চাঁদা, গণচাঁদা, জনগণের দান ও করপোরেট অনুদানে চলবে এনসিপি। আয়ের জন্য টি-শার্ট, মগ, বই, প্রকাশনা বিক্রি করা হবে। দলের নিবন্ধন পাওয়ার পর প্রবাসীরাও অনুদান দিতে পারবেন। donet.ncpbd.org ওয়েবসাইট, ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকের মাধ্যমে এই অনুদান দেওয়া যাবে। নীতিমালায় আরো বলা হয়, দলটি ১০০ টাকা করে সদস্য ফরম বিক্রি করবে। ইতোমধ্যে ৭০ হাজার ফরম সারা দেশে পাঠানো হয়েছে।

আরো ৫০ হাজার ফরম পাঠানোর প্রস্তুতি রয়েছে। ফরম বিক্রি এবং সারা দেশের কমিটির সদস্যদের অনুদানে ২ কোটি টাকা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ তহবিলকে বলা হয়েছে ‘নাগরিক আমানত’।