শনিবার | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | হেমন্তকাল
শিরোনাম :
Logo বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা Logo খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা Logo টেকনাফে বিজিবির অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ একজন সন্ত্রাসী আটক Logo মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, গোলা-বারুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর আটক: Logo সাতক্ষীরা-০২ এ ধানের শীষের জয়ে নতুন অধ্যায়—বিএনপির একতাবদ্ধ ঘোষণা Logo বুটেক্স অ্যালামনাই ইউএসএ-এর আত্মপ্রকাশ: যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারদের মিলনমেলা ও কমিটি গঠন Logo বুটেক্সের প্রথম সমাবর্তন আগামী ২৭ ডিসেম্বর Logo রাবিতে ইলা মিত্রকে নিয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo নোবিপ্রবির সঙ্গে তুরস্কের রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর Logo নোবিপ্রবিতে গবেষণা, বৈশ্বিক র‌্যাঙ্কিং এবং সরকারের নীতিনির্ধারকদের করণীয় শীর্ষক প্রশিক্ষণ

বিতর্কিত জলরাশিতে ভাসমান পরমাণু কেন্দ্র বানাবে চীন !

  • amzad khan
  • আপডেট সময় : ০৫:২২:২৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭
  • ৭৯০ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

চীনের সরকারি পারমাণবিক সংস্থা দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত জলরাশিতে কমপক্ষে ২০টি ভাসমান পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছে। ওই কেন্দ্রগুলি থেকে সাগরটির বিভিন্ন দ্বীপগুলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।

মাঝ সমুদ্রে পারমাণবিক কেন্দ্র তৈরি করলে সুনামির সময় বড়সড় দুর্ঘটনা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে চীনের দাবি, সম্পূর্ণ সুরক্ষিত হবে ওই ভাসমান পারমাণবিক কেন্দ্রগুলি।

প্রসঙ্গত, সুনামিতে জাপানের ফুকুশিমা দাইচি পরমাণু কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ছড়িয়ে পড়েছিল তেজস্ক্রিয়তা।

বিশাল অর্থনীতি ও দ্রুত বাড়তে থাকা জ্বালানির চাহিদা মেটাতে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণ করে চলেছে চীন। ২০২০ সালের মধ্যে চীন প্রায় ৫৮ মিলিয়ন কিলোওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ তৈরির ক্ষমতা অর্জন করে ফেলবে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের কলম, ভারতের কণ্ঠ—নতুন গানে উপমহাদেশের একতা

বিতর্কিত জলরাশিতে ভাসমান পরমাণু কেন্দ্র বানাবে চীন !

আপডেট সময় : ০৫:২২:২৮ অপরাহ্ণ, শনিবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭

নিউজ ডেস্ক:

চীনের সরকারি পারমাণবিক সংস্থা দক্ষিণ চীন সাগরের বিতর্কিত জলরাশিতে কমপক্ষে ২০টি ভাসমান পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র তৈরি করার ঘোষণা দিয়েছে। ওই কেন্দ্রগুলি থেকে সাগরটির বিভিন্ন দ্বীপগুলিতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।

মাঝ সমুদ্রে পারমাণবিক কেন্দ্র তৈরি করলে সুনামির সময় বড়সড় দুর্ঘটনা হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে চীনের দাবি, সম্পূর্ণ সুরক্ষিত হবে ওই ভাসমান পারমাণবিক কেন্দ্রগুলি।

প্রসঙ্গত, সুনামিতে জাপানের ফুকুশিমা দাইচি পরমাণু কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। ছড়িয়ে পড়েছিল তেজস্ক্রিয়তা।

বিশাল অর্থনীতি ও দ্রুত বাড়তে থাকা জ্বালানির চাহিদা মেটাতে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পারমাণবিক কেন্দ্র নির্মাণ করে চলেছে চীন। ২০২০ সালের মধ্যে চীন প্রায় ৫৮ মিলিয়ন কিলোওয়াট পারমাণবিক বিদ্যুৎ তৈরির ক্ষমতা অর্জন করে ফেলবে।