মঙ্গলবার | ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ  Logo লেডি দেহলভী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ ক্রীড়া চর্চা শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে-অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট উজালা রানী চাকমা। Logo আইনের ফাঁদে দুই প্রতিষ্ঠান: চাঁদপুরে ভোক্তা অধিকার ও যৌথ বাহিনীর অভিযানে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা Logo সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে বিজিবির বিশেষ অভিযান, অর্ধ লক্ষাধিক টাকার মাদক ও চোরাচালানি মালামাল জব্দ Logo ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মৌখিক পরীক্ষা বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় Logo গণভোট হ্যাঁ-কে জয়ী করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক প্রচারণা Logo শিক্ষকতা: নৈতিক অবস্থান ও মানবিক প্রতিশ্রুতি Logo পলাশবাড়ীতে ধানের শীর্ষের পক্ষে বিশাল নির্বাচনী গণমিছিল  Logo ঝালকাঠিতে ৬লিটার চোলাই মদ সহ নাসির ডিবির হাতে আটক  Logo পলাশবাড়ীতে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে হামলায় আহত ৪, অবরুদ্ধ ৯ পরিবার

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ৩৭৭১৮ জনকে সরকারি আইনি সহায়তা !

  • আপডেট সময় : ০৫:৩১:২১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০
  • ৭৭৪ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ৩৭ হাজার ৭১৮ জনকে সরকারি খরচে বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদান করেছে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা।
সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত দেশে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থী ও আইনি সহায়তা প্রত্যাশীদের বিভিন্ন বিষয়ে আইনি সহায়তা ও পরামর্শ প্রদানের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে গরীব ও অসহায় ২৮ হাজার ৩৩৯ ব্যক্তিকে আইনগত সহায়তা দেয়া হয়েছে। কলসেন্টার/হটলাইনের মাধ্যমে ৪ হাজার ৬৩৫ জনকে আইনি পরামর্শ ও তথ্য সেবা প্রদান করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পূর্বে মীমাংসার মাধ্যমে (প্রি-কেইস ম্যানেজমেন্ট) ৪ হাজার ৮৭ জনকে এবং মামলা দায়েরের পর মীমাংসার মাধ্যমে (এডিআর) নিষ্পত্তি আইনি সেবা দেয়া হয়েছে ৬৫৭ জনকে।
মানুষের সব মৌলিক অধিকারের পাশাপাশি বিচার পাওয়ার অধিকারও প্রতিষ্ঠিত করতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে লিগ্যাল এইড ‘কল সেন্টার জাতীয় হেল্পলাইনের’ উদ্বোধন করেন। এ হেল্পলাইনে ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাচ্ছেন দেশের স্বল্প আয়ের ও অসহায় বিচারপ্রার্থী নাগরিকরা।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল, সহায় সম্ভলহীন, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে “আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০” প্রণয়ন করে। ২০০০ সালে তৎকালীন শাসন আমলে আইনটি প্রণয়ন করে আওয়ামী লীগ। তারপরের সরকারগুলো আইনটি কার্যকরে উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ নেয়নি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্টিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ দরিদ্র ও অসচ্ছল জনগণের বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে আইনটি কার্যকরে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। ২০০০ সালে প্রণীত আইনটি অনুযায়ি “জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা” গঠন করা হয়। রাজধানীর ১৪৫, নেউ বেইলী রোডে এ সংস্থার প্রধান কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। এর ব্যাপ্তি সুপ্রিমকোর্ট, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নেয়া হয়। জেলা কমিটি গঠন, প্রতিটি জেলা জজ আদালত, শ্রম আদালতে এর কার্যালয় ও এডিআর কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে। এতে দরিদ্র-অসচ্ছল ও অসহায় জনগণ বিচারপ্রাপ্তিতে সুবিধা পাচ্ছে। নানা প্রচার, প্রচরণা, সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ সেবা বিষয়ে জনসচেতনতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে । এ ওয়েবসাইটে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ে বিস্তারিত সকল তথ্য জানা যায়।
সূত্র : বাসস
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে দিনভর গণসংযোগ সুন্নীয়তের দাবি নিয়ে আসছি, মোমবাতিতে ভোট চাই -মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ 

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ৩৭৭১৮ জনকে সরকারি আইনি সহায়তা !

আপডেট সময় : ০৫:৩১:২১ অপরাহ্ণ, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২০

নিউজ ডেস্ক:

চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে ৩৭ হাজার ৭১৮ জনকে সরকারি খরচে বিনামূল্যে আইনি সেবা প্রদান করেছে জাতীয় আইনগত সহায়তা সংস্থা।
সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত দেশে অসচ্ছল বিচারপ্রার্থী ও আইনি সহায়তা প্রত্যাশীদের বিভিন্ন বিষয়ে আইনি সহায়তা ও পরামর্শ প্রদানের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে গরীব ও অসহায় ২৮ হাজার ৩৩৯ ব্যক্তিকে আইনগত সহায়তা দেয়া হয়েছে। কলসেন্টার/হটলাইনের মাধ্যমে ৪ হাজার ৬৩৫ জনকে আইনি পরামর্শ ও তথ্য সেবা প্রদান করা হয়েছে। মামলা দায়েরের পূর্বে মীমাংসার মাধ্যমে (প্রি-কেইস ম্যানেজমেন্ট) ৪ হাজার ৮৭ জনকে এবং মামলা দায়েরের পর মীমাংসার মাধ্যমে (এডিআর) নিষ্পত্তি আইনি সেবা দেয়া হয়েছে ৬৫৭ জনকে।
মানুষের সব মৌলিক অধিকারের পাশাপাশি বিচার পাওয়ার অধিকারও প্রতিষ্ঠিত করতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২০১৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে লিগ্যাল এইড ‘কল সেন্টার জাতীয় হেল্পলাইনের’ উদ্বোধন করেন। এ হেল্পলাইনে ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার মাধ্যমে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা পাচ্ছেন দেশের স্বল্প আয়ের ও অসহায় বিচারপ্রার্থী নাগরিকরা।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল, সহায় সম্ভলহীন, অসমর্থ বিচারপ্রার্থী জনগণকে সরকারি খরচে আইনি সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে “আইনগত সহায়তা প্রদান আইন-২০০০” প্রণয়ন করে। ২০০০ সালে তৎকালীন শাসন আমলে আইনটি প্রণয়ন করে আওয়ামী লীগ। তারপরের সরকারগুলো আইনটি কার্যকরে উল্লেখযোগ্য কোন পদক্ষেপ নেয়নি। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর অনুষ্টিত নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর আওয়ামী লীগ দরিদ্র ও অসচ্ছল জনগণের বিচারপ্রাপ্তি নিশ্চিতে আইনটি কার্যকরে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং তা অব্যাহত রয়েছে। ২০০০ সালে প্রণীত আইনটি অনুযায়ি “জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা” গঠন করা হয়। রাজধানীর ১৪৫, নেউ বেইলী রোডে এ সংস্থার প্রধান কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। এর ব্যাপ্তি সুপ্রিমকোর্ট, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নেয়া হয়। জেলা কমিটি গঠন, প্রতিটি জেলা জজ আদালত, শ্রম আদালতে এর কার্যালয় ও এডিআর কর্ণার স্থাপন করা হয়েছে। এতে দরিদ্র-অসচ্ছল ও অসহায় জনগণ বিচারপ্রাপ্তিতে সুবিধা পাচ্ছে। নানা প্রচার, প্রচরণা, সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ সেবা বিষয়ে জনসচেতনতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট রয়েছে । এ ওয়েবসাইটে জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান বিষয়ে বিস্তারিত সকল তথ্য জানা যায়।
সূত্র : বাসস