শনিবার | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ Logo নোবিপ্রবিতে ‘বর্ধিত সাদা দল’-এর আনুষ্ঠানিক পথচলা শুরু Logo বীরগঞ্জে আলেম সমাজের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দোয়া অনুষ্ঠান হয়েছে

দামুড়হুদায় খুঁটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে গৃহবধূকে নির্যাতন : থানায় মামলা : একজন গ্রেফতার

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৯:০৪:২০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৩ আগস্ট ২০১৭
  • ৭৪৯ বার পড়া হয়েছে

মুরাদ হোসেন, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় এক গৃহবধূকে বাঁশের খুঁটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে চরম নির্যাতন করা হয়েছে। তার ইন্ধনে প্রতিবেশীর এক স্ত্রী স্বামীর ঘর ছেড়েছে এমন অভিযোগ এনে শনিবার রাতে তাকে নির্যাতন করা হয়।
রোববার দুপুরে এ ব্যাপারে দামুড়হুদা থানায় মামলা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রোজিনা বেগমকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ ও এলাকাসূত্রে জানা গেছে, মাস চারেক আগে দামুড়হুদা উপজেলার সদাবরি গ্রামের পিরু শনির ছেলে লিটন শনিকে ছেড়ে স্ত্রী সীমা খাতুন বাপের বাড়িতে চলে যায়। প্রতিবেশী হোসাইন আলীর স্ত্রী রোজিনা বেগমের ইন্ধনে লিটনের স্ত্রী চলে গেছে বলে দোষারোপ করা হয়।

লিটনরা প্রভাবশালী হওয়ায় শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রোজিনা বেগমকে (৩০) বাড়ি থেকে টেনেহেঁচড়ে লিটনদের বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর বাঁশের একটি খুঁটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে পরিবারের সবাই তার ওপর নির্যাতন চালায়।

পিরু শনিসহ তার স্ত্রী শিবরা শনি, ছেলে লিটন শনি, আবদুর রশিদ শনি, মেয়ে রাশিদা শনি ও রফিকুল শনির স্ত্রী শিউলী বেগম লাঠিসোটা ও কিল ঘুষি মেরে নির্যাতন চালায়।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় কার্পাসডাঙ্গা ক্যাম্প পুলিশ রোজিনা বেগমকে উদ্ধার করে। ক্যাম্প ইনচার্জ সুব্রত বিশ্বাস জানান, ‘রোজিনা বেগমের কোলে ৪ মাসের শিশু সন্তান রয়েছে। সে কোলে থাকা অবস্থায় রোজিনার ওপর নির্যাতন চালানো হয়।’
তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার রোজিনা বলেন, আমাকে লিটনসহ তার পরিবারের লোকজন জোর করে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে খুটির সাথে বেধে নির্যাতন করে।

দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অনিছুর রহমান জানান, তার শরীরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তাকে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।

দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আবু জিহাদ জানান, ‘এ ব্যাপারে রোজিনা বেগম নিজেই বাদী হয়ে নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে রোববার দুপুরে থানায় মামলা করেছেন।  মামলার অন্যতম আসামি লিটন শনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের

দামুড়হুদায় খুঁটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে গৃহবধূকে নির্যাতন : থানায় মামলা : একজন গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৯:০৪:২০ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৩ আগস্ট ২০১৭

মুরাদ হোসেন, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় এক গৃহবধূকে বাঁশের খুঁটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে চরম নির্যাতন করা হয়েছে। তার ইন্ধনে প্রতিবেশীর এক স্ত্রী স্বামীর ঘর ছেড়েছে এমন অভিযোগ এনে শনিবার রাতে তাকে নির্যাতন করা হয়।
রোববার দুপুরে এ ব্যাপারে দামুড়হুদা থানায় মামলা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ রোজিনা বেগমকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ একজনকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ ও এলাকাসূত্রে জানা গেছে, মাস চারেক আগে দামুড়হুদা উপজেলার সদাবরি গ্রামের পিরু শনির ছেলে লিটন শনিকে ছেড়ে স্ত্রী সীমা খাতুন বাপের বাড়িতে চলে যায়। প্রতিবেশী হোসাইন আলীর স্ত্রী রোজিনা বেগমের ইন্ধনে লিটনের স্ত্রী চলে গেছে বলে দোষারোপ করা হয়।

লিটনরা প্রভাবশালী হওয়ায় শনিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে রোজিনা বেগমকে (৩০) বাড়ি থেকে টেনেহেঁচড়ে লিটনদের বাড়িতে নিয়ে আসে। এরপর বাঁশের একটি খুঁটিতে দড়ি দিয়ে বেঁধে পরিবারের সবাই তার ওপর নির্যাতন চালায়।

পিরু শনিসহ তার স্ত্রী শিবরা শনি, ছেলে লিটন শনি, আবদুর রশিদ শনি, মেয়ে রাশিদা শনি ও রফিকুল শনির স্ত্রী শিউলী বেগম লাঠিসোটা ও কিল ঘুষি মেরে নির্যাতন চালায়।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় কার্পাসডাঙ্গা ক্যাম্প পুলিশ রোজিনা বেগমকে উদ্ধার করে। ক্যাম্প ইনচার্জ সুব্রত বিশ্বাস জানান, ‘রোজিনা বেগমের কোলে ৪ মাসের শিশু সন্তান রয়েছে। সে কোলে থাকা অবস্থায় রোজিনার ওপর নির্যাতন চালানো হয়।’
তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

নির্যাতনের শিকার রোজিনা বলেন, আমাকে লিটনসহ তার পরিবারের লোকজন জোর করে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে খুটির সাথে বেধে নির্যাতন করে।

দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অনিছুর রহমান জানান, তার শরীরে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তাকে সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়েছে।

দামুড়হুদা মডেল থানার ওসি আবু জিহাদ জানান, ‘এ ব্যাপারে রোজিনা বেগম নিজেই বাদী হয়ে নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে রোববার দুপুরে থানায় মামলা করেছেন।  মামলার অন্যতম আসামি লিটন শনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেফতারের জন্য চেষ্টা চালানো হচ্ছে।