শনিবার | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo হাবিবুর রহমান ইসলামী যুব আন্দোলন চাঁদপুর জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত Logo খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতে নোবিপ্রবির গাড়ি ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ Logo ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী মন্দির নির্মাণের প্রতিশ্রুতি উপ-উপাচার্যের Logo কলারোয়ায় মিনি স্টেডিয়াম ও বাইপাস সড়ক নির্মাণের প্রতিশ্রুতি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের Logo ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট: মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে প্রধান উপদেষ্টা Logo হাদী হত্যা বিচারের দাবিতে খুবির কেমিস্ট্রি ডিসিপ্লিনের ভিন্নধর্মী প্রতিবাদ Logo খুবিতে এআই ব্যবহারে দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত Logo গণভোট উপলক্ষে চাঁদপুর ডিএনসির উদ্যোগে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত Logo কয়রা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ারের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ Logo গাছতলা দরবার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে প্রচারণা শুরু শাহজালাল শাহপরানের বাংলায় ওলী বিদ্বেষীদের ঠাঁই হবে না-মোমবাতির প্রার্থী আহসান উল্লাহ

বীরগঞ্জের ঢেপা নদীর ব্রীজটি মৃত্যুরফাঁদে পরিনতি হয়েছে

  • Nil Kontho
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:২২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭
  • ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে

এন.আই.মিলন, দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ঢেপা নদীর উপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটি এখন মৃত্যুরফাঁদ। দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হচ্ছে ব্রীজটি দিয়ে।
বাংলাদেশ স্বাধীনতা উত্তর ৪৫ বছর ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উপজেলার হাজার হাজার মানুষসহ শত শত যানবাহন নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। যে কোন সময় দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে প্রাণ হারাতে পারে অসংখ্য মানুষ। উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর শাখা আত্রাই অতঃপর ঢেপা নদী রূপলাভ করে। বীরগঞ্জ-ঝাড়বাড়ী রাস্তায় বৃটিশ শাসনামলে খেয়া ঘাটের মাধ্যমে গরু-মহিষের গাড়ি ও মানুষ পারাপার হতো তখনকার মানুষ। দিনাজপুর জেলার খানসামা বন্দর ও দেবীগঞ্জের বাহাদুর ফেরিঘাট হয়ে নদী পথে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে ব্যবসা-বাণিজ্য করত শতশত মানুষ। জনগণের ভোগান্তি লাঘবের জন্য ১৯৫০ সালে তৎকালীন সরকারের সময় উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রাম সংলগ্ন ঢেপা নদীর উপর জেলা পরিষদের অর্থায়নে ৩০ মিটার ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। ১৯৭১ইং সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকসেনারা ঐ ব্রীজটি উড়িয়ে দেয়ার শত চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ১৯৮৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় পঞ্চগড় জেলার জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে দেশে হাজার হাজার ব্রিজ ধ্বংস হয়। ঢেপা নদীর ব্রীজটি একদিকে হেলে পড়লেও এই ব্রীজটি ধ্বংস হয়নি। ভয়াবহ বন্যার পর থেকে ঢেপা ব্রীজটি পূননির্মানের দাবি তোলা হয় কিন্তু আজও সংস্কার বা পুননির্মান করা হয়নি । মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজের উপর দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, রিক্সা-ভ্যান, অটোরিক্সা, ভটভটি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, এ্যাম্বুলেন্স, মিনিবাস, কোচসহ ভারী যানবাহন চলাচল ও পারাপার করছে। ব্রীজটির উপরের অংশে অসংখ্য ভাঙন রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রতিবছর সংস্কার ও যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা কর হয়।  সড়ক ও জনপথ বিভাগ মাঝে মধ্যে লোকজনকে ব্রীজটি মাপামাপি করতে দেখা গেলেও এ পর্যন্ত পুননির্মান করা হয়নি। ঢেপা নদীতে ৩০ মিটার দীর্ঘ ব্রীজটিতে যে কোন সময় ভারী যান চলাচলের কারণে দুর্ঘটনায় ব্যাপক হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসী দাবি অবিলম্বে জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের হস্তক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ ঢেপা নদীর ব্রীজটি পুননির্মাণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাবিবুর রহমান ইসলামী যুব আন্দোলন চাঁদপুর জেলার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মনোনীত

বীরগঞ্জের ঢেপা নদীর ব্রীজটি মৃত্যুরফাঁদে পরিনতি হয়েছে

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:২২ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১৮ জুন ২০১৭

এন.আই.মিলন, দিনাজপুর প্রতিনিধি- দিনাজপুরের বীরগঞ্জে ঢেপা নদীর উপর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজটি এখন মৃত্যুরফাঁদ। দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হচ্ছে ব্রীজটি দিয়ে।
বাংলাদেশ স্বাধীনতা উত্তর ৪৫ বছর ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উপজেলার হাজার হাজার মানুষসহ শত শত যানবাহন নিয়ে পারাপার হচ্ছেন। যে কোন সময় দুর্ঘটনায় কবলে পড়ে প্রাণ হারাতে পারে অসংখ্য মানুষ। উপজেলার বুক চিরে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর শাখা আত্রাই অতঃপর ঢেপা নদী রূপলাভ করে। বীরগঞ্জ-ঝাড়বাড়ী রাস্তায় বৃটিশ শাসনামলে খেয়া ঘাটের মাধ্যমে গরু-মহিষের গাড়ি ও মানুষ পারাপার হতো তখনকার মানুষ। দিনাজপুর জেলার খানসামা বন্দর ও দেবীগঞ্জের বাহাদুর ফেরিঘাট হয়ে নদী পথে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে ব্যবসা-বাণিজ্য করত শতশত মানুষ। জনগণের ভোগান্তি লাঘবের জন্য ১৯৫০ সালে তৎকালীন সরকারের সময় উপজেলার নিজপাড়া ইউনিয়নের নিজপাড়া গ্রাম সংলগ্ন ঢেপা নদীর উপর জেলা পরিষদের অর্থায়নে ৩০ মিটার ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। ১৯৭১ইং সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকসেনারা ঐ ব্রীজটি উড়িয়ে দেয়ার শত চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। ১৯৮৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় পঞ্চগড় জেলার জিরো পয়েন্ট থেকে শুরু করে দেশে হাজার হাজার ব্রিজ ধ্বংস হয়। ঢেপা নদীর ব্রীজটি একদিকে হেলে পড়লেও এই ব্রীজটি ধ্বংস হয়নি। ভয়াবহ বন্যার পর থেকে ঢেপা ব্রীজটি পূননির্মানের দাবি তোলা হয় কিন্তু আজও সংস্কার বা পুননির্মান করা হয়নি । মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজের উপর দিয়ে প্রতিদিন অসংখ্য বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল, রিক্সা-ভ্যান, অটোরিক্সা, ভটভটি, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, এ্যাম্বুলেন্স, মিনিবাস, কোচসহ ভারী যানবাহন চলাচল ও পারাপার করছে। ব্রীজটির উপরের অংশে অসংখ্য ভাঙন রয়েছে, সড়ক ও জনপথ বিভাগ প্রতিবছর সংস্কার ও যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা কর হয়।  সড়ক ও জনপথ বিভাগ মাঝে মধ্যে লোকজনকে ব্রীজটি মাপামাপি করতে দেখা গেলেও এ পর্যন্ত পুননির্মান করা হয়নি। ঢেপা নদীতে ৩০ মিটার দীর্ঘ ব্রীজটিতে যে কোন সময় ভারী যান চলাচলের কারণে দুর্ঘটনায় ব্যাপক হতাহতের আশঙ্কা রয়েছে। এলাকাবাসী দাবি অবিলম্বে জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের হস্তক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ ঢেপা নদীর ব্রীজটি পুননির্মাণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে।