সোমবার | ২ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী Logo খুবির ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ ডিসিপ্লিনের দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত Logo মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিংকনে হামলার দাবি আইআরজিসি’র Logo সাদুল্লাপুরের ছাত্রলীগ নেতা বানিয়ে গ্রেফতার : দুই মাস কারাবন্দি, নবজাতকসহ তিন সন্তান নিয়ে দিশেহারা স্ত্রী Logo পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের সংরক্ষিত জায়গা দখল: নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ঢাকা–হাটিকুমরুল–রংপুর ফোরলেন Logo শিক্ষার্থীদের মুখে হাসি ফোটাল ‘বিজয়ী: চাঁদপুরে ১৫০ শিক্ষার্থী পেল নতুন পোশাক Logo ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ও বিপ্লবী গার্ড প্রধান নিহত Logo হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রাসাদ পুরোপুরি ধ্বংস Logo জলবায়ু সহনশীল গ্রাম গঠনে উদ্যোগ, শ্যামনগরে সক্রিয় ব্রেকিং দ্য সাইলেন্স Logo ইরানের ৩১ প্রদেশের ২০টিতেই হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল

বিভিন্ন সমস্যায় ব্যাহত জাককানইবির ক্রিয়াশীল সংগঠনগুলোর কার্যক্রম

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৯:০৬:৩০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৭৫৭ বার পড়া হয়েছে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) বর্তমানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ৪০টিরও বেশি শিক্ষার্থী সংগঠন। তবে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাব ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এসব সংগঠনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব সংগঠনের নেই নির্দিষ্ট কোনো অফিস কক্ষ বা বসার জায়গা। অনুষ্ঠান আয়োজনেও দেখা দেয় নানা সংকট। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠান করতে হলে প্রশাসনের কাছে গুনতে হয় এক হাজার টাকা। অধিকাংশ সংগঠনের পক্ষেই এই খরচ বহন করা সম্ভব নয়।
সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন সাংবাদিক সমিতির সামনে।
এমসিসি ক্লাবের সভাপতি মাসুম মিয়া বলেন, “প্রশাসনের উচিত টি.এস.সি’র নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করে তা সংগঠনগুলোর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া। এতে সংগঠনগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।”
নবোদ্যম ফাউন্ডেশন জাককানইবি’র সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রনি বলেন, “কনফারেন্স রুম ব্যবহারে যে পরিমাণ অর্থ দিতে হয়, তা অধিকাংশ সংগঠনের পক্ষেই বহনযোগ্য নয়। এই চার্জ কমানো দরকার।”
 একাধিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী রুহানা রিমি বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো অডিটোরিয়াম তৈরি হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে অডিটোরিয়াম থাকলে সংগঠন গুলোর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান খুব সহজেই আয়োজন করতে পারতো।”
এছাড়াও অন্যান্য সংগঠনের প্রতিনিধিরাও একই ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তাদের মতে, প্রশাসন যদি সংগঠনগুলোর জন্য নির্দিষ্ট কক্ষ, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ও সুস্পষ্ট নীতিমালা নির্ধারণ করে দেয়, তাহলে অনেক সমস্যারই সমাধান সম্ভব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্ব গঠনে এসব সংগঠনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে এসব সংগঠন ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ট্যাগস :

ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশিদের খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী

বিভিন্ন সমস্যায় ব্যাহত জাককানইবির ক্রিয়াশীল সংগঠনগুলোর কার্যক্রম

আপডেট সময় : ০৯:০৬:৩০ অপরাহ্ণ, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাককানইবি) বর্তমানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে ৪০টিরও বেশি শিক্ষার্থী সংগঠন। তবে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাব ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে এসব সংগঠনের কার্যক্রম নিয়মিতভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের এসব সংগঠনের নেই নির্দিষ্ট কোনো অফিস কক্ষ বা বসার জায়গা। অনুষ্ঠান আয়োজনেও দেখা দেয় নানা সংকট। জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠান করতে হলে প্রশাসনের কাছে গুনতে হয় এক হাজার টাকা। অধিকাংশ সংগঠনের পক্ষেই এই খরচ বহন করা সম্ভব নয়।
সম্প্রতি এক মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরেন সাংবাদিক সমিতির সামনে।
এমসিসি ক্লাবের সভাপতি মাসুম মিয়া বলেন, “প্রশাসনের উচিত টি.এস.সি’র নির্মাণকাজ দ্রুত সম্পন্ন করে তা সংগঠনগুলোর জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া। এতে সংগঠনগুলোর কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।”
নবোদ্যম ফাউন্ডেশন জাককানইবি’র সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রনি বলেন, “কনফারেন্স রুম ব্যবহারে যে পরিমাণ অর্থ দিতে হয়, তা অধিকাংশ সংগঠনের পক্ষেই বহনযোগ্য নয়। এই চার্জ কমানো দরকার।”
 একাধিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী রুহানা রিমি বলেন, “এটি অত্যন্ত দুঃখজনক যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো অডিটোরিয়াম তৈরি হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ে অডিটোরিয়াম থাকলে সংগঠন গুলোর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান খুব সহজেই আয়োজন করতে পারতো।”
এছাড়াও অন্যান্য সংগঠনের প্রতিনিধিরাও একই ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তাদের মতে, প্রশাসন যদি সংগঠনগুলোর জন্য নির্দিষ্ট কক্ষ, রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া ও সুস্পষ্ট নীতিমালা নির্ধারণ করে দেয়, তাহলে অনেক সমস্যারই সমাধান সম্ভব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও নেতৃত্ব গঠনে এসব সংগঠনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা না পেলে এসব সংগঠন ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।