রবিবার | ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | শীতকাল
শিরোনাম :
Logo মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক Logo রাকসুর উদ্যোগে সুপেয় পানির ফিল্টার স্থাপন Logo গণভোট উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে গণসচেতনতায় প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা ও লিফলেট বিতরণ  Logo শব্দকথা সাহিত্য পুরস্কার–২০২৫ পেলেন নুরুন্নাহার মুন্নি Logo ইরানে বিক্ষোভে নি*হত অন্তত ১৯২ Logo মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ, ৫৩ অনুপ্রবেশকারী আটক। Logo স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোর দিশার উদ্যোগে ৩ শতা‌ধিক পথচারীর মাঝে খাবার বিতরণ Logo আইনজীবীদের মিলনমেলায় জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী তামান্না হকের গানে মাতলো চাঁদপুরবাসী Logo গ্রিনল্যান্ড দখলে ‘সহজ’ বা ‘কঠিন’ দু’ পথেই এগোবে যুক্তরাষ্ট্র : ট্রাম্প Logo বিএনপিতে যোগ দিলেন দরগাহপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সুবিধাভোগী সাবেক চেয়ারম্যান জমির উদ্দিন গাজী

সাবেক আ.লীগ নেতা ওয়াহিদুল ইসলামের বিএনপিতে যোগদান ঘিরে আশাশুনিতে সমালোচনা ও প্রশ্ন

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহিদুল ইসলামের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও সচেতন মহলের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় থেকে সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত ওয়াহিদুল ইসলাম বিভিন্ন অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের দাবি, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দল পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি নিজের অতীত ভূমিকা আড়াল করার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়দের মতে, হঠাৎ করে আওয়ামী লীগের সকল পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করলেও তার অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা ও কর্মকাণ্ড সহজে ভুলে যাওয়ার মতো নয়। জনগণের ভাষ্য—স্বৈরাচারী রাজনীতির সহযোগীরা যখন জবাবদিহিতার মুখে পড়ে, তখন নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
শনিবার(১০ জানুয়ারি ২০২৬) রাত ৯ টায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতউল্লাহ পলাশ ও সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম। এ সময় আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক আহ্বায়ক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, সাবেক সদস্য সচিব মশিউর হুদা তুহিনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তবে এই যোগদানকে ঘিরে স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন—আদর্শিক পরিবর্তনের নামে এ ধরনের দলবদল কতটা গ্রহণযোগ্য? নাকি এটি শুধুই অতীতের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি কৌশল? অনেকের আশঙ্কা, বিএনপির মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের এভাবে যোগদান দলটির ভাবমূর্তির জন্যও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।
সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক  নেতাদের দাবি—রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করলেই অতীত মুছে যায় না। স্বৈরাচারী শাসনের সহযোগীদের অপকর্মের সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মোংলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে অপহৃত নারী উদ্ধার, অপহরণকারী আটক

সাবেক আ.লীগ নেতা ওয়াহিদুল ইসলামের বিএনপিতে যোগদান ঘিরে আশাশুনিতে সমালোচনা ও প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০২:৪৪:১৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহিদুল ইসলামের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও সচেতন মহলের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় থেকে সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত ওয়াহিদুল ইসলাম বিভিন্ন অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের দাবি, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দল পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি নিজের অতীত ভূমিকা আড়াল করার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়দের মতে, হঠাৎ করে আওয়ামী লীগের সকল পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করলেও তার অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা ও কর্মকাণ্ড সহজে ভুলে যাওয়ার মতো নয়। জনগণের ভাষ্য—স্বৈরাচারী রাজনীতির সহযোগীরা যখন জবাবদিহিতার মুখে পড়ে, তখন নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
শনিবার(১০ জানুয়ারি ২০২৬) রাত ৯ টায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতউল্লাহ পলাশ ও সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম। এ সময় আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক আহ্বায়ক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, সাবেক সদস্য সচিব মশিউর হুদা তুহিনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তবে এই যোগদানকে ঘিরে স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন—আদর্শিক পরিবর্তনের নামে এ ধরনের দলবদল কতটা গ্রহণযোগ্য? নাকি এটি শুধুই অতীতের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি কৌশল? অনেকের আশঙ্কা, বিএনপির মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের এভাবে যোগদান দলটির ভাবমূর্তির জন্যও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।
সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক  নেতাদের দাবি—রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করলেই অতীত মুছে যায় না। স্বৈরাচারী শাসনের সহযোগীদের অপকর্মের সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।