মঙ্গলবার | ১০ মার্চ ২০২৬ | বসন্তকাল
শিরোনাম :
Logo পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ Logo কয়রা সদর ইউনিয়নে এলএলএপি অভিযোজন প্রক্রিয়ার ত্রৈমাসিক ফলোআপ সভা অনুষ্ঠিত Logo ‘একুশ শতকে তারুণ্য’ গ্রন্থে স্থান পেলো খুবি শিক্ষার্থীদের প্রবন্ধ Logo পলাশবাড়ীতে কাশিয়াবাড়ী বাজারে ৬ টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আগুনে ভুষিভূত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি  Logo চাঁদপুরে জেলা অভিবাসন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo পবিত্র  ঈদ উপলক্ষে পলাশবাড়ীতে ৩৫ হাজার ৯ শ ৮৪ দুস্থ অসহায় পরিবার পাচ্ছে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল Logo চাঁদপুর জেলা তৈল মনিটরিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত Logo চাঁদপুরে গণহত্যা দিবস ও স্বাধীনতা দিবস পালনে প্রশাসনের প্রস্তুতিমূলক সভা Logo বিভিন্ন বিতর্কের পর সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যোগ দিলেন ডা. ফয়সাল আহমেদ Logo কক্সবাজারে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত: উপস্থিত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ৩ সংসদ সদস্য

সাবেক আ.লীগ নেতা ওয়াহিদুল ইসলামের বিএনপিতে যোগদান ঘিরে আশাশুনিতে সমালোচনা ও প্রশ্ন

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহিদুল ইসলামের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও সচেতন মহলের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় থেকে সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত ওয়াহিদুল ইসলাম বিভিন্ন অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের দাবি, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দল পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি নিজের অতীত ভূমিকা আড়াল করার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়দের মতে, হঠাৎ করে আওয়ামী লীগের সকল পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করলেও তার অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা ও কর্মকাণ্ড সহজে ভুলে যাওয়ার মতো নয়। জনগণের ভাষ্য—স্বৈরাচারী রাজনীতির সহযোগীরা যখন জবাবদিহিতার মুখে পড়ে, তখন নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
শনিবার(১০ জানুয়ারি ২০২৬) রাত ৯ টায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতউল্লাহ পলাশ ও সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম। এ সময় আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক আহ্বায়ক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, সাবেক সদস্য সচিব মশিউর হুদা তুহিনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তবে এই যোগদানকে ঘিরে স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন—আদর্শিক পরিবর্তনের নামে এ ধরনের দলবদল কতটা গ্রহণযোগ্য? নাকি এটি শুধুই অতীতের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি কৌশল? অনেকের আশঙ্কা, বিএনপির মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের এভাবে যোগদান দলটির ভাবমূর্তির জন্যও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।
সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক  নেতাদের দাবি—রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করলেই অতীত মুছে যায় না। স্বৈরাচারী শাসনের সহযোগীদের অপকর্মের সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।
ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রকল্পে নেতাদের জড়ানোর অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি করে কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির প্রতিবাদ

সাবেক আ.লীগ নেতা ওয়াহিদুল ইসলামের বিএনপিতে যোগদান ঘিরে আশাশুনিতে সমালোচনা ও প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০২:৪৪:১৩ অপরাহ্ণ, রবিবার, ১১ জানুয়ারি ২০২৬
সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহিদুল ইসলামের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-তে যোগদানকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা ও নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সাধারণ জনগণ ও সচেতন মহলের অভিযোগ, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দীর্ঘদিন ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় থেকে সুবিধাভোগী হিসেবে পরিচিত ওয়াহিদুল ইসলাম বিভিন্ন অনিয়ম ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাদের দাবি, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দল পরিবর্তনের মাধ্যমে তিনি নিজের অতীত ভূমিকা আড়াল করার চেষ্টা করছেন।
স্থানীয়দের মতে, হঠাৎ করে আওয়ামী লীগের সকল পদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করলেও তার অতীত রাজনৈতিক ভূমিকা ও কর্মকাণ্ড সহজে ভুলে যাওয়ার মতো নয়। জনগণের ভাষ্য—স্বৈরাচারী রাজনীতির সহযোগীরা যখন জবাবদিহিতার মুখে পড়ে, তখন নতুন রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে আশ্রয় নেওয়ার প্রবণতা দেখা যায়।
শনিবার(১০ জানুয়ারি ২০২৬) রাত ৯ টায় সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমতউল্লাহ পলাশ ও সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলুর হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন আলহাজ্ব মোঃ ওয়াহিদুল ইসলাম। এ সময় আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক আহ্বায়ক চেয়ারম্যান রুহুল কুদ্দুস, সাবেক সদস্য সচিব মশিউর হুদা তুহিনসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
তবে এই যোগদানকে ঘিরে স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন—আদর্শিক পরিবর্তনের নামে এ ধরনের দলবদল কতটা গ্রহণযোগ্য? নাকি এটি শুধুই অতীতের বিতর্কিত কর্মকাণ্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি কৌশল? অনেকের আশঙ্কা, বিএনপির মতো একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দলে সাবেক আওয়ামী লীগ নেতাদের এভাবে যোগদান দলটির ভাবমূর্তির জন্যও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।
সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক  নেতাদের দাবি—রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তন করলেই অতীত মুছে যায় না। স্বৈরাচারী শাসনের সহযোগীদের অপকর্মের সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি।