শিরোনাম :
Logo ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি Logo খুবিতে প্রথম আলো বন্ধুসভা ও খুবিসাস আয়োজিত কর্মশালা Logo কচুয়ার পূর্ব বিতারা জামালিয়া নূরানী হাফেজিয়া মাদরাসায় ছাত্রদের সবক প্রদান ও দোয়া মাহফিল Logo গুম হওয়া শিক্ষার্থীদের খোঁজে ইবিতে মানববন্ধন Logo হাজীগঞ্জ রাজারগাঁও সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৩ Logo নুরুল হক নুরের উপর হামলার প্রতিবাদে চাঁদপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের বিক্ষোভ Logo ইবিতে এম.ফিল, পিএইচডি প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন Logo জেলা বিএনপির সভাপতির নামে মিথ্য গুজব ছড়ানের প্রতিবাদে পলাশবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল। Logo ভিপি নুরের ওপর হামলা দেশে সংকটের নতুন মাত্রা যোগ করবে :হাফেজ মাওলানা মাকসুদুর রহমান Logo সাবেক ছাত্রনেতা রফিকুল ইসলাম রফিকের  উপকূলীয় অঞ্চলে সংকট সমাধানে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা

শুটিং শেষে হোটেলের এক রুমে কমল হাসান-রেখা, ধরে ফেলেন স্ত্রী

  • নীলকন্ঠ ডেস্ক: নীলকন্ঠ ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:১১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • ৭৬৬ বার পড়া হয়েছে

বলিউডের ‘এভারগ্রিন’ অভিনেত্রী রেখা এবং দক্ষিণের সুপারস্টার কমল হাসানকে নিয়ে একসময় বলিউডে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন কমলের তৎকালীন স্ত্রী বাণী গণপতিও। ঘটনাস্থল ছিল চেন্নাইয়ের নামকরা হোটেল চোলা শেরাটন, আর ঘটনাটি যেন কোনো সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়।

মুম্বাইয়ের এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সাংবাদিকের স্মৃতি রোমন্থনে উঠে আসে সেই রাতের বর্ণনা। হোটেলের এক কর্মীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, “সেটা ছিল ১৯৭৯ সালের এক রাত। হোটেল চোলা শেরাটনে কাজে গিয়েছিলাম। দেখি চারদিকে হুলুস্থুল।

তখন রিসিপশনে থাকা মেয়েরা বলল, রেখা আর কমল হাসান একসঙ্গে রেখার রুমে ছিলেন। হঠাৎ করেই কামালের স্ত্রী বাণী গণপতি সেখানে হাজির হন এবং প্রকাশ্যে স্বামীকে ধমক দিতে শুরু করেন!”

তৎকালীন ইন্ডাস্ট্রিতে গুঞ্জন ছিল, ১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মিন্দুম কোকিলা’ ছবির শুটিং চলাকালীন কমল হাসান ও রেখার মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। প্রকাশ্যে কেউ কিছু না বললেও ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কথা ছড়িয়েছিল। এরপরই নাকি ‘মিন্দুম কোকিলা’ থেকে রেখাকে বাদ দিয়ে নেওয়া হয়েছিল মালয়ালাম অভিনেত্রী দীপা (উন্নি মেরি)-কে।

তবে কমল হাসান বা রেখা, কেউই এই ঘটনা নিয়ে কখনো মুখ খোলেননি। ফলে আজও সত্য-মিথ্যার দোলাচলে রয়ে গেছে এই গল্প। সেই সময় কমল হাসান ছিলেন বাণী গণপতির সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে। তবে এরপর সারিকার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।

শোনা যায়, সারিকার গর্ভধারণের পর ১৯৮৮ সালে বাণীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় এবং সেই বছরই সারিকার সঙ্গে বিয়ে করেন কমল।

অন্যদিকে, ‘সিলসিলা’ ছবির শুটিংয়ের সময় রেখা-অমিতাভ বচ্চনের সম্পর্ক নিয়েও বলিপাড়া তোলপাড় হয়েছিল। পর্দার রসায়ন বাস্তবে ছাপ ফেলেছিল বলেই মনে করেন অনেকেই। যদিও অমিতাভ ১৯৭৩ সালে জয়া বচ্চনের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন, রেখার উপস্থিতি তাদের জীবনে এক রহস্যঘেরা ছায়া হয়ে থাকত বহুদিন।

এমনকি ‘কারনামা’ ছবির পরিচালক রঞ্জিত ২০১৫ সালে এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন, রেখার অনুরোধে ছবির শুটিং শিডিউল পাল্টাতে হয়েছিল, যাতে তিনি সন্ধ্যায় অমিতাভের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন।

পরে রেখা শিল্পপতি মুকেশ আগারওয়ালকে বিয়ে করেছিলেন। তবে সেই বিয়ের পরিণতি মর্মান্তিকভাবে শেষ হয় স্বামীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে।

পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই গল্পগুলো যেন সিনেমাকেও হার মানায়। তবে কতটা সত্য, কতটা গল্প—তার উত্তর আজও অজানা।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে : অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

শুটিং শেষে হোটেলের এক রুমে কমল হাসান-রেখা, ধরে ফেলেন স্ত্রী

আপডেট সময় : ০৬:২৭:১১ অপরাহ্ণ, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

বলিউডের ‘এভারগ্রিন’ অভিনেত্রী রেখা এবং দক্ষিণের সুপারস্টার কমল হাসানকে নিয়ে একসময় বলিউডে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন কমলের তৎকালীন স্ত্রী বাণী গণপতিও। ঘটনাস্থল ছিল চেন্নাইয়ের নামকরা হোটেল চোলা শেরাটন, আর ঘটনাটি যেন কোনো সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়।

মুম্বাইয়ের এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত সাংবাদিকের স্মৃতি রোমন্থনে উঠে আসে সেই রাতের বর্ণনা। হোটেলের এক কর্মীর উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি জানান, “সেটা ছিল ১৯৭৯ সালের এক রাত। হোটেল চোলা শেরাটনে কাজে গিয়েছিলাম। দেখি চারদিকে হুলুস্থুল।

তখন রিসিপশনে থাকা মেয়েরা বলল, রেখা আর কমল হাসান একসঙ্গে রেখার রুমে ছিলেন। হঠাৎ করেই কামালের স্ত্রী বাণী গণপতি সেখানে হাজির হন এবং প্রকাশ্যে স্বামীকে ধমক দিতে শুরু করেন!”

তৎকালীন ইন্ডাস্ট্রিতে গুঞ্জন ছিল, ১৯৮১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘মিন্দুম কোকিলা’ ছবির শুটিং চলাকালীন কমল হাসান ও রেখার মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। প্রকাশ্যে কেউ কিছু না বললেও ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কথা ছড়িয়েছিল। এরপরই নাকি ‘মিন্দুম কোকিলা’ থেকে রেখাকে বাদ দিয়ে নেওয়া হয়েছিল মালয়ালাম অভিনেত্রী দীপা (উন্নি মেরি)-কে।

তবে কমল হাসান বা রেখা, কেউই এই ঘটনা নিয়ে কখনো মুখ খোলেননি। ফলে আজও সত্য-মিথ্যার দোলাচলে রয়ে গেছে এই গল্প। সেই সময় কমল হাসান ছিলেন বাণী গণপতির সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্কে। তবে এরপর সারিকার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা বাড়ে।

শোনা যায়, সারিকার গর্ভধারণের পর ১৯৮৮ সালে বাণীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয় এবং সেই বছরই সারিকার সঙ্গে বিয়ে করেন কমল।

অন্যদিকে, ‘সিলসিলা’ ছবির শুটিংয়ের সময় রেখা-অমিতাভ বচ্চনের সম্পর্ক নিয়েও বলিপাড়া তোলপাড় হয়েছিল। পর্দার রসায়ন বাস্তবে ছাপ ফেলেছিল বলেই মনে করেন অনেকেই। যদিও অমিতাভ ১৯৭৩ সালে জয়া বচ্চনের সঙ্গে বিয়ে করেছিলেন, রেখার উপস্থিতি তাদের জীবনে এক রহস্যঘেরা ছায়া হয়ে থাকত বহুদিন।

এমনকি ‘কারনামা’ ছবির পরিচালক রঞ্জিত ২০১৫ সালে এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছিলেন, রেখার অনুরোধে ছবির শুটিং শিডিউল পাল্টাতে হয়েছিল, যাতে তিনি সন্ধ্যায় অমিতাভের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন।

পরে রেখা শিল্পপতি মুকেশ আগারওয়ালকে বিয়ে করেছিলেন। তবে সেই বিয়ের পরিণতি মর্মান্তিকভাবে শেষ হয় স্বামীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে।

পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই গল্পগুলো যেন সিনেমাকেও হার মানায়। তবে কতটা সত্য, কতটা গল্প—তার উত্তর আজও অজানা।